ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে এদেশের নিরীহ জনসাধারনের উপড় ঝাপিয়ে পরেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী; ঠিক তেমনি ১০ নভেম্বর রাত ১২ টার সময় আওয়ামীলীগ সরকার এ দেশের জনসাধারণের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে । দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ সরকার আবারও জনসাধণকে তুলে দিল পোষা ব্যবসায়িদের হাতে নতুন করে শোষনের জন্য । কাপুরুষাচিত রাতের নীরব এ ক্যূ’তে পুরো দেশবাসী যেন বাকহীন হয়ে পরেছে । পরদিন থেকেই আবার নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে প্রতিটি দ্রব্যের দাম । দেশ চালাতে ব্যর্থ সরকার দেওলিয়া হয়ে পরেছে । রাস্ট্র চালাবার মতো আর কোন টাকা হাতে নেই। রাস্ট্রিয় কোষাঘার শূণ্যের কোঠায় ।

দলীয় মন্ত্রীরা সর্ম্পদের পাহাড় গড়ে তুললেও তার কোন হিসাব নাই । কারা রাতের আধারে জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি করলো তাদের খুঁজে বের করা উচিত । এরা প্রধান মন্ত্রীর দেশের বাহীরে থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি জনগনকে নতুন করে অশান্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে । এদের কোন বুক পিঠ নেই; নেই কোন দল, এরা পুরো জাতির শত্রু । এভাবে রাতের আঁধারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি না করে প্রয়োজন ভিক্ষা শুরু করুণ প্রতিদিন আমরা সরকারকে দশ টাকা করে ভিক্ষা দেব । ১৭ কোটি মানুষ প্রতিদিন ১০টাকা করে ভিক্ষা দিলে কতো টাকা হবে ? হে অর্থব অর্থমন্ত্রী হিসার কষতে বসে পরুন ।

জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে এখন পরিবহন সেক্টরে শুরু হবে নতুন করে নৈরাজকতা । আর তা ভোগ করবে শুধু ভোদাই জনগন ।

তিনটি প্রশ্ন রেখে শেষ করছি ;
১.মন্ত্রীদের সর্ম্পদের হিসাব এখনও দেওয়া হয়নি , কেন হয়নি ? কবে দেওয়া হবে ?
২.একজন এমপি, মন্ত্রী প্রতিদিন কতো লিটার সরকারী জ্বালানী তেল ব্যবহার করেন ?
৩.সরকারী আমলা, গামলারা প্রতিদিন কতো লিটার জ্বালানী তেল ব্যবহার করে তাদের স্ত্রী,পুত্র কন্যাদের স্কুল কলেজ , শপিং,আর পাটিতে নিয়ে যেতে ? তার হিসাব দিন ।