ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

অনেক জল্পনা কল্পনার পর এসইসি যে প্যাকেজ ঘোষনা করেছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন কিছু নেই । যে কয়টি স্কিম রয়েছে তাতে ক্ষতিগ্রস্তরা কি করে উপকৃত হবে ভেবে পাচ্ছি না । সরকারের পালে হাওয়া দেওয়া যে সকল বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন “পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে ” তারা আবারও ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে নতুন প্রতারনায় লিপ্ত হয়েছেন ।

অর্থ মন্ত্রী বলেছিলেন, শেয়ার কেলেন্কারীর হোতারা অনেক শক্তিশালী তাদের বিরুদ্ধে কিছু করার নেই । আসলেই তারা যে কতোটা শক্তিশালি তারই প্রমান মিলল এই প্যাকেজে ঘোষুনোর মাধ্যমে । শেয়ার কেলেন্কারীর হোতাদের বিচারের ব্যাপারটা এখানে আলোচনাতেই আসেনি ।

প্যাকেজ ঘোষুনার পূর্বে শেয়ার কেলেন্কারীর হোতারা আড়ালে থেকে কলকাটি নেড়ে বাজারকে আবারও চাঙ্গা করে তুলেছে । একটি ব্যাপার খেয়াল করে দেখুন প্রস্তাবিব প্যাকেজ ছাড়াই শেয়ার বাজারের মূল্যসুচক কিভাবে তরতর করে বেড়ে চলেছে । এতেই বোঝা যাচ্ছে যে, শেয়ার কেলেন্কারীর হোতারা পুরোদমে আবারও নড়েচড়ে বসে বাজাকে নতুন এক ধসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ।

এই মূল্য সূচক কৃত্রিমভাবে উঠানো হচ্ছে এবং এটা কখনওই স্থির হবে না,হতে পারে না । এখন তাদের প্রয়োজন পরেছে তাই মূল্যসূচক উপড়ে উঠছে আবার যখন প্রয়োজন শেষ হয়ে যাবে বাজার চলে যাবে ধ্বংসের শেষ সীমায় ।

আমি আশা করেছিলাম ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সরাসরি কিছু ঘোষুনা করা হবে । তা না করে আবার এক তদন্ত কমিটির ঘোষুনা দেওয়া হয়েছে তারা নাকি খুঁজে বেড় করবে আসলেই কে কতোটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে । সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

অনেকেই বলে থাকেন , আদার ব্যাপারির জাহাজের খবর নিয়ে লাভ কি ? কিন্তু কথা হলো জাহাজে যদি নিজের শেষ সম্বল আদাটুকু থাকে তা হলে জাহাজের খবর না নিয়ে উপায় কি ?

প্রায় বিশ লাখ মানুষের টাকা শেয়ার কেলেন্কারীর মাধ্যমে খেয়ে ফেলা হয়েছে অথর্চ তাদের জন্য সরাসরি কোন প্যাকেজ না থাকায় সত্যিই হতাশ হয়ে পরছি । এতোই বোঝা যাচ্ছে কি অযোগ্য লোকবল দ্ধারা শেয়ার বাজার পরিচালিত হচ্ছে ।

নোট : ২০ লাখ বলছি এ কারণে যে, অনেক ভূয়া একাউন্ট হোল্ডার ও রয়েছে । এমন ও আছে যে একজন ৪০টা একাউন্টের মালিক ।