ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

প্রতিদিন পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যাচ্ছে পরকীয়ার টানে স্ত্রী হত্যা করছে স্বামীকে,স্বামী হত্যা করছে স্ত্রীকে , মা হত্যা করছে নাড়ি ছেড়া ধন সন্তানকে,পিতা হত্যা করছে প্রাণ প্রিয় কন্যাকে । বলি,আমাদের সমাজটা যাচ্ছে কোথায় ? নারী-পুরুষ,পিতা-মাতার লোভ লালসার কাছে বারবার পরাজিত হচ্ছে আমাদের ধমীয়,সামাজিক শিক্ষা ব্যবস্হা । হারিয়ে যাচ্ছে ফুটফটে শিশুরা । ঘুমন্ত একটি শিশুর মুখের দিকে তাকালে দেখা যায় তাবদ পৃথিবীর সৌন্দর্য । কি পরম নি:ভাবনার তারা পিতা মাতার আশ্রয়ে ঘুমায় । কে আর পারে পৃথিবীতে পিতা-মাতার মতো করে শিশুদের নিরাপত্তা দিতে ? সেই পিতা বা মাতার একজন যদি ভয়ন্কর হয়ে উঠে তা হলে এই সব নিস্পাপ মাসুম শিশুদের শেষ আশ্রয় টুকুও শেষ হয়ে যায়। তারা ঝরে পরে রিয়ার মতো । কি ভয়ন্কর,কি পাষান্ড এইসব হত্যাকান্ড ।

মৃত সন্তানের লাশ বুকে নিয়ে ক্রন্দনরত এক মায়ের মুখ দেখে নড়েচড়ে উঠে ছিল পুরো বাংলাদেশ। অথচ শেষে কী নিষ্ঠুর সত্য প্রকাশ পেল । একজন মা কি করে পারলেন এমন একটি জগন্য হত্যাকান্ড ঘটাতে ? তাহলে কি আবারও আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগ ফিরে আসছে ? আবারও কি ডুবে যেতে বসেছে সমাজ ব্যবস্হা অন্ধকারে?

বর্তমানে বাংলাদেশ এক চরম দূযোর্গের মধ্যে দিয়ে তার সময় অতিবাহিত করছে , স্বাধীনতার পর এতো কঠিন সময় এদেশের মানুষকে কখনও দেখতে হয়নি । একদিকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্ব গতি অন্যদিকে রাস্ট্রিয়, সামাজিক অবক্ষয় যেন প্রতিনিয়ত পুরো জাতিকে এক অন্ধকার জগতে টেনে নিয়ে যাচ্ছে । মানুষগুলো শরীরিক,জৌবিক চাহিদা পুরনে হয়ে উঠছে হিংস্র । তাদের কাছে ছেলে,বুড়ো, শিশু, আবাল,বনিতা বলে কিছু থাকছে না -যাকেই পথের কাটা মনে করছে তাকেই পথ থেকে সড়িয়ে দিচ্ছে ।

এই সব মানুষরূপি পশুদের জন্য চরম শাস্তির ব্যবস্হা করা হোক । প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বিচার কায্য সমাধা করা হোক। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, যেমন কুকুর তেমন মুঘুর । তাই যে কোন কারণে শিশু হত্যাকরারীদের, কিংবা শিশুদের উপড় অত্যাচারকরীদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক । মনে রাখতে হবে এরা সব সমাজের কিট এদেরকে প্রকাশ্যে ফাঁসির ব্যবস্হা করলে হয়তো আরো হাজার হাজার রিয়ারা বেঁচে যাবে ।