ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি


আহত পুলিশ অফিসার , প্রথম আলো ………।

যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু হবার পরেই শুরু হয়ে গেছে জামাতের নোংরা রাজনীতির তোরজোর । পবিত্র ইসলাম ধর্মের নাম ব্যবহার করে জামাত এদেশের ক্ষমতা দখল করার পায়তারায় ছিল জিয়াউর রহমান কতৃক হালাল হবার পরই । জিয়াউর রহমান একজন ভাল প্রেসিডেন্ট হলেও সৎ রাজনৈতিক ছিলেন না । কেনানা, ক্যান্টনমেন্ট থেকে যারা রাজনীতিতে আসে তারা হয় দুই ধরনের । এক, জি হজুর, জি হজুর টাইপের অথাৎ হকুম শুনতে এবং হুকুম তামিল করতে । তাদের পক্ষে কখনও মূল রাজনীতির সঙ্গে সম্পিক্ত হওয়া সম্ভব নয় । কেননা তারা সব সময় এক ধরনের অস্থিরতা ভোগে, তাদের মধ্যে ক্ষমতা হারাবার এক ধরনের আতন্ক কাজ করে ।

জিয়াউর রহমান ও এর বাহিরে ছিলেন না । তিনি তার এই অস্থিরতা থেকে চেয়ে ছিলেন নিজেকে রাজনৈতিক ভাবে হালাল করতে, তাইতো জামাতকে এদেশে রাজনীতি করার অনুমতি দিয়ে ছিলেন । জামাত কিন্তু বসে থাকেনি – রাজনীতি করার অনুমতি পেয়েই লেগে গেছে নিজেদের পরিকল্পনা মাপিক কাজ করতে । জামাত মধ্যপাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ইসলামের নামে সাহায্য এনে গড়ে তুলেছে নিজেদের বিভিন্ন প্রতিস্টান । তার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক,হাসপাতাল,ইউনিভারসিটি উল্লেখযোগ্য ।এসব প্রতিষ্টানে নিজেদের কর্মীদের দিয়েছে চাকরী । কেননা জামাত ভাল করেই জানে, পেটে ভাত থাকলে পিঠে কিল সহ্য হয় । বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে কোরআন এর দোহাই দিয়ে – কিনে নিয়েছে তাদের আত্মা । অথাৎ জামাতের কর্মীদের খাদ্য,বস্ত্রের ব্যবস্থা জামাত নিশ্চিত করেছে বহু পূর্বেই । এবং তাদেরকেই ব্যবহার করছে রাজনীতির হাতিয়ার হিসাবে । জামাতের কোন কর্মী যদি মৃত্যু বরণ করে তা হলে তার পরিবারের অন্য সদস্যদেরকেও জামাত খাদ্য,বস্ত্রের ব্যবস্থা করার বিনিময়ে তাদের নোংরা রাজনৈতির সঙ্গে সম্পিক্ত করে । তখন জামাতের অন্যরা ভাবে, আহা, তাদের দল কতো মহান ।

কিছু দিন পূর্বে পল্টনে আমরা জামাতের যে , তান্ডব দেখেছি সেটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত । এবং আজকে যেভাবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্যের উপড় হামলা করা হলো, এটিও ছিল জামাতে পূর্ব পরিকল্পনার একটি অংশ । একটি কথা মনে রাখতে হবে, জামাত কখনও পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া কাজ করে না । জামাত এখন চাইছে – চোরাগুপ্তা হামলা করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক,সামাজিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলতে । তারা বুঝে গেছে- তাদের শেষ রক্ষা হবে না । যুদ্ধাঅপরাধীদের বিচার এদেশের মাটিতে হবেই হবে । গোলাম আযমকে আরো পূর্বেই গ্রেফতার করার প্রয়োজন ছিল ।

পরিবেশ গত ভাবে বাংলাদেশের মানুষ রুক্ষ প্রকৃতির নয়,ধর্মভীরু ,বন্ধু ভাবাপন্ন । তাই এ দেশটাকে কোন ভাবেই আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তানের মতো ব্যর্থ রাস্ট্রে পরিনত করা সম্ভব নয় । জামাতের বর্তমান তান্ডবের মূলে রয়েছে – তাদের অবৈধ অর্থ যা তারা মধ্যপ্রাচ্যসহ কয়েকটি রাস্ট্র থেকে এদেশের মানুষের সাহায্যের নামে নিয়ে এসে – ব্যবহার করছে নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে । তাই জামাতকে দূর্বল করতে হলে, তাদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিতে হবে । ইসলামী ব্যাংকসহ জামাতের প্রতিটি প্রতিস্ঠানের উপড় করা নজরদারী বাড়াতে হবে । প্রয়োজনে বন্ধ করে দিতে হবে এসব প্রতিস্টান । তা না হলে, এসব প্রতিস্টান থেকে সরবরাহ করা অর্থের মাধ্যমেই জামাত এ দেশে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাবে । তাই জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার সঠিক সময় এখনই । তা না হলে তাদের এধরনের কর্মকান্ড আরো বেড়ে যাবে এবং ক্ষতিগ্রস্থ হবে পুরো জাতি ।

জামাতের কর্মীদের তান্ডব ……….।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশের ওপর হামলা চালায়, ছবি প্রথম আলো