ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

Prove where is the corruption in Padma Bridge ??

পদ্মা সেতু নির্মানে দুর্নীতি হয়েছে বলে বিশ্বব্যাংক যে ভাবে বাংলাদেশের দিকে আঙুল তুলেছে তাতে পুরো বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি যে মারাত্মক ভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না । বিশ্বব্যাংকের এই মন্তব্যে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ একটি দুনীর্তি গ্রস্ত রাস্ট্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে । কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে , কোথায় , কিভাবে দুনীর্তি হয়েছে – সে কথাটি বিশ্বব্যাংক পরিস্কার ভাবে কিছু বলেনি,বলছেও না বা সে সংক্রান্ত কোন রিপোটও প্রকাশ করেনি । বলার মধ্যে যেটুকু বলেছে তা হলো, বিশ্বব্যাংক নাকি কানাডা পুলিশের কানাডিয়ান একটি কম্পানী থেকে উদ্বার করা একটি অভিযোগের সূর্ত্র ধরে এ দুর্নীতির কথা বলেছে । আর তাতেই দুনীতির কথা রোটিয়ে তাদের দেওয়া সাহায্যের সকল প্রতিশ্রুতি বন্ধ করে দিয়েছে । শুধু তাই নয় – বিশ্বব্যাংকের এধরনের আচরন লক্ষ্য করে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বন্ধু প্রীতিম দেশ জাপানও তাদের দেয়া সাহায্য প্রতিশ্রুতি বন্ধ রেখেছে।
পুরো বিশ্বকে অন্ধকারে রেখে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের ভাবমূতি চড়ম ভাবে নষ্ট করেছে । কোথায় দূনীতি হয়েছে তা বিশ্ব ব্যাংকে প্রমাণ করতে হবে । তা না হলে বাংলাদেশের বাংলাদেশের ভাবমূত্তি নস্ট করার জন্য বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে আর্ন্তজাতিক আদালতে মামলা করা ছাড়া অন্য কোন পথ বাংলাদেশের জন্য খোলা আছে বলে মনে হয় না ।
ভেতরের কথা হচ্ছে, অধ্যাপক ইউনুস প্রসঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সর্ম্পক কিছুটা খারাপ হওয়ার ফলে হযতো আমেরিকান কোন কুট কৌশলে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুতে তাদের অর্থায়ন বন্ধ রেখেছে । ‌আরে বাবা, যেখানে এখন পযর্ন্ত বিশ্বব্যাংক কোন অর্থয়নই করেনি সেখানে কি করে তারা দুনীতি খুজে পেল ? তা আমরা জানতে চাই ।
এটি কোন দল বা মতের বিষয় নয় এটা পুরো বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থের বিষয় । আমাদের দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে কেউ পার পেয়ে যাবে তা হতে পারে না ।
মনে করলাম , পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে – কিন্তু সেটা কোথায় কিভাবে ? বিশ্ব ব্যাংক জবাব দিতে হবে । আমরাও দুর্নীতিবাজদের দেখতে চাই । প্রমান দিতে না পারলে বিশ্ব ব্যাংকের বিরুদ্ধে এখনই আর্ন্তজাতিক আদালতে মামলা করা উচিত । এটি কোন মামার বাড়ির আবদার নয় – অভিযোগ তুললে অভিযোগ প্রমান ও করতে হবে । সরকারের বসে থাকলে চলবে বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘে যাওয়া যেত পারে । শুধু মাত্র দূর্বল কুটনীর্তির ফলে বাংলাদেশ আজো বিষয়টি নিয়ে তেমন কিছু করতে পারছে না । বিশ্ব ব্যাংকের হাতে কোন প্রমাণ নেই । থাকলে তারা সেটি এতো দিনে প্রকাশ করে ফেলতো । আসুন দেশের স্বার্থে সবাই মিলে বিষয়টি নিয়ে আওয়াজ তুলি ।