ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

ভৌগলিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অনেক গভীর হবার সম্ভাবনা সৃস্টি হলেও শুধু মাত্র গুটি কয়েক মানুষের এক গেয়েমির জন্য বঞ্চিত হচ্ছে ভারত এবং বাংলাদেশের মানুষ । ঘোয়ার, মাথা মোটা আর অহন্কারের সকল সজ্ঞা ইতিমধ্যে ভেঙে ফেলেছেন- মুখ্যমন্ত্রী মমতা । কোলকাতার লোকজনই বলছে – ক্ষমতা পেয়ে মাথা খারাপ হয়ে গেছে মমতার । নিজেকে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী মনে করছেন ।

মাত্র বছর খানেকের মধ্যেই মমতা বিরোধী আন্দোলন চাঙা হয়ে উঠেছে । তাইতো ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারত জুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে । মোট ১০ দফা দাবিতে দেশের ১১টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ওই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ।

এরই মধ্যে একদল ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে কথা বলায় পুরো ভারতের মানুষ মমতাকে ছি : ছি: করছে । অনেকে আবার বলছে – সি পিএমই ছিল ভালো – মমতা তৃণমূল এসে একি জঞ্জাল বাঁধাল।

এই মমতার কারনেই বাংলাদেশর সঙ্গে ভারতের তিস্তা চুক্তি হয়নি । ভারতের কেন্দ্রিয় সরকারের আত্নরিক চেস্টা থাকার পর ও বাংলাদেশ ভারতের সর্ম্পক নস্ট হয়েছে । তিস্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার থেকে বারংবার উদ্দোগ নেওয়া হলেও মমতা তার অবস্থান থেকে এক চুল নড়েনি – উল্টো ফারাক্কা বাঁধের ফাটল নিয়ে – মনমহনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন ।

মমতার ধারনা ঐ ফাটল দিয়ে বাংলাদেশে বেশি পানি চলে আসছে । যে করে হোক ফাটল বন্ধ করতেই হবে ।

শুধু যে, বাংলাদেশের সঙ্গে মমতার এই রুপ তা নয় – নিজ দেশের বিরোধী দলের সঙ্গে মমতা আরো খারাপ ব্যবহার করছেন । দমন,পিরনে তিনি সর্বকালের রেকর্ড গড়েছেন। একেই বলে বড় দেশে ছোট মনের মুখ্যমন্ত্রী।

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে মমতা সত্যিই এক বিস্ময়ের নাম। এ রকম মুখ্যমন্ত্রী ভারতে আর কয়েকটা জন্মলে ভারতকে আর সামনে আগাতে হবে না চলে অনেক পেছনে। যেখান থেকে আর ফেরা যাবে না।