ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

পদে পদে সরকারী দলের পেটোয়া বাহিনী,পুলিশ আর ছাত্র লীগের ক্যাডারদের বাঁধা দেয়ার পরেও পল্টনের বিএনপির জনসভা সফল । যদিও জামাতের ক্যাডাররা যে কোন তৎপরতার জন্য তৈরি হয়েই ছিল । একটু সমর্থন পেলেই তারা ঝাঁপিয়ে পারতো ।

বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানতে পেরেছি, কম করে হলেও ১০ থেকে ১৫ হাজার জামাতের সুইসাইড স্কয়ার্ডের সসস্ত্র ক্যাডাররা সমাবেশে উপস্থিত ছিল । যারা প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিল যে কোন বড় ধরনের নাশকতার সৃষ্টি করার জন্য । তাতে নিজের জীবনের পরোয়াও তাদের ছিল না । অনেকে নাকি নিজ নিজ পরিবার থেকে শেষ বিদায়ও নিয়ে এসেছিল । বিএনপির ছত্র ছায়ায় জামাত পূর্ণ ফায়দা লুটেছে । প্রকাশ্য মুক্তি চেয়েছে – গোলাম আযম,নিজামির ।

এতো লোকের সমাগমের পরেও বিএনপির জনসভা সাধারণ মানুষের সমর্থন প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত ছিল এবং সেটা ছিল শুধু এই জামাতের কারণেই । বিএনপি যদি তাদের জোট থেকে জামাতকে বাদ দিয়ে জনসভা ডাকে তা হলো কোন বাধাই আর জনসভায় লোক সমাগম আটকাতে পারতো না । সমাবেশে আরো অনেক বেশি লোকের আনাগোনা হতো । এবং তাতে সাধারণ মানুষও অংশ গ্রহন করতো ।

শুধু মাত্র যুদ্ধ অপরাধীদের প্রশ্নে বিএনপি সাধারণ মানুষের সমর্থন প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত হয়ে আছে । জামাতের সঙ্গে দলটি জোট বাধায় লাভের চেয়ে তাদের ক্ষতিই হচ্ছে বেশি । অন্য দিকে জোটের সমর্থনকে পূর্ণ কাজে লাগিয়ে জামাত তলে তলে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিত্রার্থ করে চলেছে ।

বিএপির অনেক নেতা, কর্মী জামাতকে নিজেদের সঙ্গে রাখতে পছন্দ না করলেও কেন্দ্রীয় নেত্রীতের বাহিরে যেয়ে কিছু বলতে বা করতে পারছে না ।

আপাত অবস্থা এমন হয়েছে যে, জামাত বিএপিকে যুদ্ধ অপরাধী, রাজাকার বানিয়ে ফেলেছে । বিএপির যেন কোন নেতাকে এখন মানুষে আর রাজাকার বলে গালি দিতে কুন্ঠা বোধ করেনা ।

তাই সরকারের জনপ্রিয়তা তলানিতে এসে ঠেকলেও শুধু মাত্র জামাতের কারণে কোটি কোটি মানুষের সমর্থন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিএনপি ।