ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আমরা সব সময় বলি ভারত আমাদের প্রতিবেশী এবং সবচেয়ে বন্ধু প্রতিম দেশ। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভারত সরকারের কর্মকান্ডে বন্ধুত্বের কোন চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। এর কারন ভারতের কাছে বাংলাদেশ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি। ভারতের কাছে বিভিন্ন প্রকার দাবী দাওয়া আদায়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সর্ম্পূন ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি না হওয়া এবং টিপাইমুখ বাঁধ তৈরি বন্ধ করতে না পারা। এর একমাত্র কারন নতজানু পররাষ্ট্রনীতি। সামপ্রতিক সময়ে ভারতীয় সীমান্ত- রক্ষী বাহিনী (বি.এস.এফ) র্নিবিচারে বাংলাশের জনগনকে হত্যা করছে এবং প্রতিনিয়ত এই হত্যাকান্ড চলছেই। দুই দিন আগেই ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশী নাগরিক এক গরু ব্যাবসায়ীর উপর পাশবিক নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। এবং এ ঘটনার পর পরই তারা বাংলাদেশী সীমান- রক্ষী বাহিনী বিজিবির অপহরন করে ধরে নিয়ে যায়। এ নিয়ে বাংলাদেশী মিডিয়াতে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। সামগ্রীক পরিসি’তি নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন- ‘‘ সীমান্তের ঘটনায় রাষ্ট্র চিন্তিত নয়”। এথেকেই বোঝা যায় সরকার কতটা দ্বায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে!!!! আমরা ভারতের কাছে এতটাই মাথা নিচু করেছি যে প্রতিবাদ করার মত সামর্থ্য আমাদের নেই। আমাদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারনে ভারতীয় সরকার এদেশ থেকে বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধা আদায়ে সচেষ্ট রয়েছে। এবং আমরাও তা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা শুধু ভারতকে সুযোগ সুবিধা দিয়েই যাচ্ছি কিন’ আমরা তার বদলে পাচ্ছি সীমানে- বাংলাশেীদের বিনা কারনে হত্যা ও নির্যাতন। এত কিছুর পরও আমাদের সরকার চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে এর যথাযথ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

ভবিষ্যতে ভারতের কাছে বাংলাদেশ সরকারের এই নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কোন রুপ পরিবর্তন না হলে এর পরিনাম দেশের জন্য ভাল হবে না।