ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

কিছু দিন আগে আমার এলাকায় একটি লোক গাজা সহ ধরা পড়ে।সে গাঁজা শুধু খায়ই না বিক্রি করে। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সুপারিশে ছাড়া পায় সে।তার পরের দিন থেকে তার আর কোন খোঁজ নেই।হটাৎ একটি ছেলের মোবাইলে ফোন আসে নাটোর থেকে। হারিয়ে যাওয়া সেই লোকটি ফোন করে বলে ” তোর জন্য একটি চাকুরী দেখেছি।বিরাট আয়। তুই নাটোর চলে আয়,বলে ফোনটা সাই বাবার হাতে দেয়। সাই বাবা খুব আদর করে বলে বাবা আমাদের কম্পিউটর অপারেটর হিসাবে কিছু লোক লাগবে।ভালো বেতন দিবো।আপনি আসেন।ছেলেটি বলে এখন তো সম্ভব নয় কিছু দিন পর দেখা যাবে।কিছুদিন বাদেই সেই লোকটি ফিরে আসে।এসে বলে ,সে ফকিরি লাইসেন্স করেছে।এবং সে আরও বলে এখন থেকে প্রকাশ্যে গাজা বেচবো পুলিশের বাপ ও ঠেকাতে পারবে না কারন সে NSP থেকে লাইসেন্স করেছে। উৎসুক সকল লোকদের সাথে আমিও তার লাইসেন্স দেখলাম।এটা তাকে দিয়েছে nsp নামের একটা সংস্থা।যার কোন রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার তাতে দেওয়া নেই।সদস্য সংগ্রহ করছে টাকার বিনিময়ে।এই লাইসেন্সটি দিয়েই সে একটি ঘর নিয়ে গাজা বিক্রি ও সদস্য সংগ্রহ করার কথা বলল।এরা একটা লিফলেট দিচ্ছে, তাতে লেখা আছে আগামী ১১ ই আগস্ট নাটোর রাজ বাড়ী প্রধান মন্ত্রি আসছেন তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করতে।আরও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নেতা কর্মী সেখানে আসবে ।এভাবে তাদের তাদের এই চক্রে একটি বিশ্বাসযোগ্য সংস্থা হিসাবে পরিচিত করতে চাচ্ছে।এটা যুব সমাজ ও সামাজিক পরিবেশে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এদের মুখোশ খুলা দরকার।