ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

দখলকৃত জমিতে নীর্মাধীন ঘর

“জমি আমার কিন্তু ঘর আমার নয়” এই কথাটি জমির মালিক মোকাদ্দস আলীর। মোকাদ্দস আলীর বাবা মৃত বজলু মৌ্লবি ২০-২৫ বছর আগে জমিটি কিনেছিল। বর্তমানে উন্নয়নশীল বাজারের জমির দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে।জমিটি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজারের জনতা ব্যাংক সংলগ্ন। মোকাদ্দস আলীর বসত ভিটা পাশের জমিতেই।এই জমিটির উপর সবার লোভ রয়েছে।এই জমিটি পাওয়ার আশায় কোটচাঁদপুরের ফাজিল পুর গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ৪-৫ বছর আগেই মোকাদ্দস আলীর পেছনে লাগে। যে কোন মূল্যে জমিটি জাহাঙ্গীরের চাই।

সে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে জাল দলিল তৈরীর কাজ চালাতে থাকে। কোর্টে অবৈধ ভাবে টাকা খরচ করে জাল দলিল তৈরী করে স্থানীয় প্রভাব নিয়ে জমি দখল করতে আসে। মোকাদ্দস আলী তার নামে ঝিনাইদহ কোটে মামলা করে। জাহাঙ্গীর ও টাকার জোরে মামলা চালাতে থাকে। যখন সে বুঝতে পারে সে মামলায় হেরে যাচ্ছে তখন সে স্থানীয় ডি,এস,বি তালিকা ভুক্ত সন্ত্রাসী মমিন এবং হক গ্রুপের ওয়াসার সুফলকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে মোকাদ্দস আলী কে চাপ প্রয়োগে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ করছে। জাহাঙ্গীর স্থানীয় আরও কিছু প্রভাবশালীদের টাকা দিয়েছে, টাকা দিয়েছে স্থানীয় ক্যাম্প ইনচার্জ কেও।বর্তমানে অসহায় মোকাদ্দস আলীর পাশে কেউ নেই। মোকাদ্দস আলী ঝিনাইদহ জেলা মানবাধিকার সংস্থা, প্রেসক্লাব, প্রশাসনে আবেদন করেও কোন সাহায্য পাচ্ছে না।সব জায়গাতেই যেখানে টাকা ছিটানোর ফাক আছে সেখানেই টাকা দিয়ে মুখবন্ধ করে দিয়েছে জাহাঙ্গীর।বাংলাদেশে এমন কেউ কি নেই যে বলতে পারে, ” মোকাদ্দস আলী এই জমি তোমার, এখানে ঘর বানানোর অধিকার শুধু তোমারই “।