ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার শহর প্রপারে একটি ক্লিনিকের নাম দারুস সেবা। ক্লিনিকের এই নামটির অর্থ বিশ্লেষণ করতে গেলে হয়ত দু-এক দিন সময় লাগতে পারে।কিন্তু এখানে চিকিৎসা হয় না, হয় জীবাণু নিয়ে খেলা।এদের কমিশন ভাগের ভিত্তিতে ঠিক করা আছে অসংখ্য হাতুড়ে ডাক্তার।যারা ভালো সেবা দেওয়ার নামে এখানে রোগী নিয়ে আসে। চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছথেকে নেয় অনেক টাকা।এমনি একটি ঘটনা ঝিনাইদহের সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামে করেছে ডাঃ মোঃ ইসমাইল হোসেন।পাইকপাড়া গ্রামের মো শওকত আলীর স্ত্রী ৩ মাস আগে জরায়ু নাড়ীতে সমস্যা এবং এপেনডিসাইটিস চিকিৎসা নেওয়ার জন্য কালীগঞ্জ যেতে চাই। প্রাথমিক ভাবে তারা গান্না বাজারে বিভিন্ন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জন্য যাই।সেখানে ডাঃ ইসমাইল তাদের বলে তার সাথে দারুস সেবা ক্লিনিকে যেতে।মো শওকত আলী তার স্ত্রী কে নিয়ে দারুস সেবা ক্লিনিকে যাই। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে সার্জারি বাবদ ৪০০০ টাকা নেই। ঔষধ এবং অন্যান্য খরচ দিয়ে তাদের আরও ১০-১১ হাজার টাকা খরচ হয়। ৩ মাস পরেও সে এখনো সুস্থ হতে পারেনি। আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে দেখা দেয় যে, তার আসলে এপেনডিকস অপারেশনের জন্য পেট কাটা হয়েছিল সেটা আসলে কাটা হয়নি, সূতা দিয়ে বেধে দেওয়া হয়েছিল।এটা সেবার নামে মানুষ হত্যা ছাড়া আর কিছু নয়।

এলাকার মানুষ এই ঘটনায় ব্যাপক ভাবে বিস্মিত। জনগন এর বিচার চাই। লোকজন আরও বলছে এর আগেও এমন ঘটনা এই ইসমাইল ডাক্তার করেছে। সে যাতে এরকম আর না করতে পারে সে ব্যাপারে তারা উদ্গ্রীব।