ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

মানুষ যেকোন অপরাধে নিজেকে নির্দোষ ভাবে। মন থেকে সে কাউকে নিজের সমকক্ষ রাখে না। তার দৃষ্টিতে সে নিজেই হিরো। সে এমন কোন স্বপ্ন দেখে না যার মধ্যে সে মুখ্য নয়। প্রাচীন মানুষ গুলির স্বপ্ন চেতনা আজকের পৃথিবী। জঙ্গল,গুহা থেকে বেরিয়ে কংক্রিটের ব্লক দিয়ে আকাশ চুম্বী প্রাসাদ ,সময় পরিমাপ থেকে ন্যানো কম্পিউটর, এগুলি মানষের চেতনারই ফল। যৌন যোগের ফলে বংশ বৃদ্ধি, তা থেকে পরিবার,সমাজ, সভ্যতা, নগর,রাষ্ট্র, আধুনিক রাষ্ট্র,এগুলির পেছনেও আছে অনেক অনেক সময় ও উপযোগিতার তুলনা।ধরে নিচ্ছি মাত্র কয়েক বছর আগে মধ্যযুগ চলে গেছে। সেই আদি থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত মানুষের যে গুন গুলির মার্জন হয়েছিল। সেই গুনগুলি এখন মাইনাসের দিকে যাচ্ছে।মানুষ এখন পাড়ায় পড়ে থাকা লাশটি কার সেই খবর ও নিতে চাই না। তর্কে জেতার জন্য শাস্ত্র ঘাটে। নিজের ভালো দিকটা দিয়ে অন্যের সাথে তুলনা নয় অন্যের খারাপ দিকটার সাথে নিজের খারাপ দিকটার তুলনা করে [উদাঃ অমক রাস্তার ১ কোটি মেরে দিয়েছে আমি মারিনি]।

এখন সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতা খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর। কখনও বা কাউকে হাইলাইট করা হয় সেরে রেখে। কখনও আন্দলোনের জন্য সাজানো হয় অনেক বড় নাটক।আমাদের দেশের অনেক রাষ্ট্রপ্রধান আছেন যিনি “রাষ্ট্র” বানান করতে পারেন না।বলতে কষ্ট লাগে যিনি বেতন নিয়ে কাজ করেন তার থেকে সেচ্ছাসেবীর মূল্যায়ন কম হতে দেখে।৭১’ এর এক জন মুক্তিযুদ্ধাও বেতন নেননি। মেজর জিয়া ছিলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের এক জন বেতন ভুক্ত কর্মচারী।কর্নেল আতাউল গনি ওসমানী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী সরকারের প্রধান মন্ত্রি ,তিনিও স্বাধীনতার ঘোষনা দিতে পারেন নি ।স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিল কর্নেল আতাউল গনি ওসমানীর ১১ অধিনায়কের এক অধিনায়ক মেজর জিয়া। তিনি গর্ব ধরে রাখতে না পেরে লাফ দিয়ে গিয়ে বসলেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির সিংহাসনে।আমি তাকে ভালোবাসি মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে রাষ্ট্রপতি হিসাবে নয়।আমাদের দেশে কতিপয় লোক আছে যারা করতে নয় বলতে ভালোবাসে।তারা বলে দেশের জন্য এটা নয় সেটা ভালো, পত্র-পত্রিকায় লেখা-লেখি করে।আবার ভোটে অংশগ্রহন না করেই সরকার হতে চাই। এ দেশে বদলানোর কথা বলে শুধু তারাই বদলাই না।যারা সন্ত্রাস দমনের কথা বলে তারাই সন্ত্রাস সৃষ্টি করে। দেশের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে এদের দমন করা প্রয়োজন।এরা কোট টায়ে ঢেকে রেখে ভদ্র সাজতে চাই। এরা আয়নায় কখনও নিজেদের কে দেখে না ।শুটকির হাটে বসে বলে পেট্রলের দাম বাড়তে পারে।দর্পণের বিপরীতে নয় এক বার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে চিনতে চেষ্টা করুন।তার পর বলুন ” এক থেকে দশ,দশ থেকে দেশ হয়।