ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

চিরদিন খালি রইল বৈরাগীর চালা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে বা প্রাচীন পাথরের অস্ত্র থেকেই প্রতীয়মান বাঙালিরা বহু পুরাতন জাতি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপনিবেশের কারণে আজ আমরা মিশ্র জাতিতে পরিনত হয়েছি।ভাত ও স্বাধীনতার জন্য আমাদের যুদ্ধ চিরন্তন।যতগুলো যুদ্ধ আমরা করেছি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৭৫৭, ১৯৪০, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯০, ২০০১-২০০৬। এগুলোর মধ্যে যতগুলোই আমরা হেরেছি তখন আমাদের বিরুদ্ধে ছিল হয় দাড়িওয়ালা মীর জাফর, নতুবা সাদা চামড়ার ঘষেটি বেগম। একজন নারীর যা থাকার নিয়ম তার তা নেয়। বর্তমান সরকারের সব চেয়ে বড় ভুল পাকিস্তানী উপনিবেশের রক্ত এখানে এখনও বাঁচিয়ে রাখা। বেগম খালেদার গায়ে পাকিস্তানী রক্ত না থাকলেও তার থেকে জন্ম নেওয়াদের মধ্যে মনে হয় আছে।আর মওদুদের খেলাফতিদের তো বাদই দিলাম।আমাদের এই ছোট্ট বদ্বীপ কে কারা ঠকায়নি। ইংরেজ, পাকিস্তানি, ব্রাম্মণ সমাজ,সবাই। নবাব সিরাজের সময় ছিল একজন হলওয়েল আর এখন, বাংলার রক্ত চুষে খেয়ে বেচে থাকা হাজার হাজার হলওয়েল রয়েছে এদেশে। হলওয়েল তো মাত্র কয়েক জনকে বানিয়েছিল ১৫০ জনের মত কিন্তু এরা কয়েক জনকে বানায় কয়েক হাজার জন, কয়েক লক্ষ জন।যারাই আমাদের উপর অত্যাচার করেছে তারা আমদের কে ধর্মের জন্য ছাড় দেয়নি।চিরকাল আমরা বাঙালি ছিলাম বাঙালিই থাকব। ৭১’এ পাকিস্তানের চেয়ে বাংলায় বেশি মুসলিম ছিল কিন্তু কোন মুসলিম রাষ্ট্রই আমাদের স্বীকৃতি আগে দেয়নি যুদ্ধের সময় কোন সাহায্য করেননি।তবে কেন তাদের কে আপন ভাবা হবে। কেন তাদের তুলনা আসবে। আজ আমাদের যত কলঙ্ক তা কোন সময়ের তা বোঝা উচিৎ। যে ভালো বাংলা বলতে পারত না সে কিভাবে বাঙালীদের ইচ্ছায় বাংলার প্রেসিডেন্ট হয় ? যে ছাত্রী কখনও বাংলায় পাশ করতে পারেনি সে কি করে বাংলার প্রধানমন্ত্রী হয়? যারা আমাদের স্বাধীনতা আজও মানতে পারেনি তারা কি করে সরকার নির্বাচনে অংশ নেয়?দেশের মানুষ কেন তাদের সাপোর্ট করে?

এটার দায় শুধু কিছু মিডিয়া কর্মীর। যারা চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়া কাহিনীকে অন্ধকূপ হত্যা নামে প্রচার করে।এরা প্রকৃত বাঙালীদের দিয়েছে লজ্জার পরিচয়। এদের আত্মহত্যা করা উচিৎ। কোন অধিকার নেয় এদের লাল সবুজের পতাকার নিচেই দাঁড়ানোর।