ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

এত ছোট একটা দেশ অথচ আমাদের দেশের মত সমস্যা সংকুল দেশ পৃথীবিতে খুব কম দেখা যায়। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। এই সমস্যা সমাধান কোথায়? কে করবে সমাধান?

একজন ডাক্তার: সমচেয়ে সামাজিক সেবা মুলক পেশা হলো ডাক্তারী। অনেকে ডাক্তার কে দ্বীতিয় ভগবান বলে থাকে। দেখুন আজ কোথায় সেবা, কোথায় তাদের সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা। কোন ডাক্তার আজকাল সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করে? কেউ নেই । সেদিন ইত্যাদিতে দেখলাশ একজন নিউজিল্যান্ড নাগরিক টাংগাইলে হাসপাতাল করেছে ব্যাক্তিগত উদ্যেগে। অথচ আমাদের ডাক্তার গন গ্রামে থাকতে চাই না শুধু মাত্র টাকা ইনকামের ধান্দাই। এমনকি হাসপাতালে রোগী এলে তাকে ভাগিয়ে নিয়ে চেম্বারে দেখার ব্যবস্থা করে। এরা কসাই বললে ভুল হবে। এরা আজকাল আবার রাজনীতি নিয়ে ব্যাস্ত থাকে । কি সুন্দর এরা। এদের কে দিয়ে দেশের উন্নতি কখনো আশা করা যাই না।

একজন শিক্ষক: যে কোন পেশার চাইতে সম্মানী পেশা । অথচ এই শিক্ষকরা (বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাইমারী স্কুল পযর্ন্ত) নিজেদের পেশাটাকে নোংরা করেছে। ভাবতে পারেন স্কুলের শিক্ষক কিভাবে কোচিং করাতে পারে? কোচিং করতে মানা নেই, শিক্ষকতা ছেড়ে দিক। এই শিক্ষকরা মেয়ে তূল্য ছাত্রীদের ধষর্ন করে। ছি এরা কি মানুষ আছে? এরা সরকার দেওয়া বই বাজারে বিক্রি করে। সরকারের দেওয়া উপবৃত্তির টাকা আত্তসাৎ করে। শিক্ষক আর শিক্ষক নাই , এরা আর মানুয় বানানোর কারিগর নয়। এরা দেশ কে এগিয়ে নিতে পারবে না।

একজন উকিলঃ ছোট বেলা থেকেই শুনতাম একজন উকিল তার মায়ের কেস চালাতে গেলেও নাকি মিথ্যা কথা বলে টাকা নেয়। তারা আজকাল কোটপ্রাংগন নোংরা করে। মারামারী করে, এদের কেস কে চালাবে?

একজন ইমামঃ ইমামকে সমাজে সবাই মান্য করে কিন্ত তারা কি আজকাল সত্য কথা বলে? নাকি যে যেদলের সমথর্ক সেই দলের কথাকে ধর্ম মতে স্বীকৃতি দেয়? বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে এরা এদের বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়েছে।

একজন ব্যবসায়ীঃ ব্যবসায়িকে এখন ভালো বলার দিন শেষ। তারা সিন্ডকেট করে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি করে। জিনিসে ভেজাল দেয়। মাছে, ফলে ফরমালিন মেশাই এরা মানুষের জিবনকে এক ফোটা দাম দেয়না। বড় ব্যবসায়ীরা শ্রমিকদের টাকাই বড়লোক হচ্ছে। গত তত্ত্বাবধায়ক আমলে নির্যাতিতদের অধিকাংশই ছিল ব্যাবসায়ী।

একজন ইঞ্জিনিয়ারঃ একজন একটা চোরের ইনিষ্টিউট। আমার ধারনা মতে শতকরা ৯৫% প্রকৌশলীরা চোর। পাক্কা চোর। এরা তো চোর বটেই এইসাথে যারা মিশে তাদের কেউ এরা চোর বারাই।
রাজনীতিবিদদের কথা উল্লেখ আর করলাম না। বাস, ট্রাক বা স্টীমারের ড্রাইভারের কথা নাই বা বললাম। এদের বদ চরিত্র কার না জানা আছে। সরকারী চাকুরীজিবীদের কথা অন্য দিন লেখা যাবে তাদের কে নিয়ে লিখতে গেলে আমার চরিত্রর খারাপ দিক আমাকেই বনর্না করতে হবে। আমার ভীষন খারাপ লাগবে।

আজকাল কৃষকদের মাঝেও রাজনীতি আছে । আওয়ামী কৃষক লীগ আর জাতীযতাবদী কৃষক দল। যারা যেই দল করে তারাই তার সরকারের আমলে ভিজিএফ কার্ড, সার, কীটনাশক, পন্যর দাম তারাই পাই।
কাকে ভালো বলাযাবে। কার দ্বারা এই দেশের উন্নতি হবে। এই অধপতন না ঠেকাতে পারলে একদিন একটা মিল্ক ক্যান্ডির দাম পরবে ৫০ টাকা। তখন একটাকা দুটাকা, পাচ টাকা, দশ টাকা বা বিশ টাকার নোট আর ছাপা হবে না। হয়ত সেদিন আর দুরে নেই।