ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আমরা যা বলি তা করিনা। সবচেয়ে বেশী দেখার বিষয় হল বা মজার বিষয় হল আমরা লোক দেখানোর জন্যে করতে ভালবাসি। এই ধরুন না আমাদের আওয়ামী লীগের কথা। ২০০১ সালে নাকি আমেরিকা প্রস্তাব দিয়ে ছিল গ্যাস বিক্রয়ের , সেই প্রস্তাব নাকি আমাদের প্রধান মন্ত্রী ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তাই তো তিনি ক্ষমতায় আসতে পারেননি। যদি সত্য হয় তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি, জনগন কখনই ক্ষমতার উৎস নয়। ক্ষমতার উৎস আমেরিকা । আমার বিশ্বাস সেই কারনে এবার ক্ষমতায় থাকতে থাকতে টিফা চুক্তি কই করতে যাচ্ছে এই দলটি। আমার প্রশ্ন জাগে তাহলে ২০০১ সালে ক্ষমতায় না আসার এই কথা গুলো ২০০১ সালেই বলা ভাল ছিল কিনা? আজ ২০১২ সালে বলে বরং প্রধান মন্ত্রী বলতে চাইছেন জনগন ক্ষমতার উৎস নয়। আর টিফা চুক্তির মাধ্যেমে কি আগামীতে ক্ষমতায় আবার আসবেন?? নাকি এই কারনেই আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিশ্বাস করেনা?

বিএনপি বলে থাকে গত নিবার্চনে নাকি আওয়ামী লীগ প্রচুর টাকা নিয়েছে ভারত থেকে!! তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের কাছে যা চাইছে ভারত, আমরা তো সবই দিয়ে দিচছি দাদাদের। মনে হয় পরবর্তী নির্বাচনে দাদারা ক্ষমতায় আনবে। আমাদের দেশের উপদেষ্টারা কথা বলে দাদাদের উপদেষ্টার মত। নিশ্চত দাদারা পরবর্তী নির্বাচনে জেতাবে। তাহলে এই ক্ষেত্রেও আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করেনা জনগন সকল ক্ষমতার উৎস। দাদাই সকল ক্ষমতার উৎস।

গত বছর নারায়নগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আমাদের সমস্ত সুশীল সমাজ বলেছিল আইভি রহমান কে মনোনয়ন দিতে।। কিন্তু এই দল মনোনয়ন দিল শামীম ওসমান কে । যার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অনেক অভিযোগ আছে। তাহলে কি এই দল চিন্তা করেছিল সন্ত্রাস সমস্ত ক্ষমতার উৎস??? জনগন নয়।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে থাকেন গাদ্দাফী নাকি তাকে ফোন করে তার বাবার কোন এক জন খুনি কে ক্ষমা করা আবেদন করে ছিল। তাহলে তখল উনি কেন বললেন না। বললেন কখন যখন গাদ্দাফি মরতে বসেছে। যখন গাদ্দাফী প্রতিবাদ করতে পারবেনা। সময় মত বলতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভয় কী ছিল??? দেশে জনগন কি ছিল না?? তাকে রক্ষা করার মত??

তিনি আমাদের অনেক কিছু বুঝিয়ে থাকেন , আমরা বুঝি কিনা উনাদের বুঝাতে পারিনা।