ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের নীচ তলায় ‘তালুকদার মানি এক্সচেঞ্জ’ নামক একটি দোকান থেকে গতকাল এয়ারটেলের ৫০ টাকার ২টি কার্ড কিনেছিলাম। প্রথম কার্ডটি স্ক্র্যাচ করে গোপন নাম্বারটি সেন্ড করতেই মেসেজ আসলো, ‘You have received 0 BDT’ যেখানে ৫০ টাকা রিচার্জ হওয়ার কথা। ভাবলাম, নাম্বার টাইপ করতে হয়তো ভুল করেছি। দ্বিতীয়বার সেন্ড করার পর মেসেজ আসলো, ‘This voucher has already been used by you.’ কি সমস্যা বুঝতে না পেরে দ্বিতীয় কার্ডটির গোপন নাম্বারটি সেন্ড করলাম। কিন্তু একই মেসেজ দেখাল, ‘You have received 0 BDT.’ দোকানদারকে এ কথা বলার পর উনি নিজেও বেশ কতক্ষন ধরে চেষ্টা করলেন কিন্তু আমার মোবাইলে কোন টাকা আসলো না যেখানে ১০০ টাকা ব্যালান্স থাকার কথা। এরপর আমি ওনার কাছে আমার টাকা ফেরত চাইলে দোকানদার বললেন যে এতে ওনার কিছুই করার নেই। উনি আমাকে অব্যবহৃত কার্ড দিয়েছেন এখন কার্ডে যদি সমস্যা থাকে অথবা যদি নকল হয় এক্ষেত্রে উনি কিছু করতে পারেন না। ১০০ টাকা গচ্চা দিয়ে চলে আসতে হল।

আমার মত এরকম অভিজ্ঞতা আর কারো হয়েছে কিনা তা জানিনা কিন্তু এয়ারটেলের এমন ভুয়া কার্ড হয়তো দেশের আরো অনেক জায়গাতেই ছড়িয়ে পরেছে। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে কোথাও থেকে আর কার্ড কেনা যাবে না, শুধু ফ্লেক্সিলোড করতে হবে। টাকা খরচ করে এয়ারটেলের সংযোগ নিলাম কিন্তু অনেক সময়ই নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, এখন টাকা খরচ করে কার্ড কিনলাম কিন্তু রিচার্জ হল না। “দেশের ৮০% মানুষ আমাদের নেটওয়ার্কের আওতায়ে”- শুধু এই মেসেজ দিলেই গ্রাহকদের বিশ্বস্ততা অর্জন করে নেয়া যায় না।

আমার এই লেখাটি পড়ে একজন মানুষও যদি উপকৃত হন, সেখানেই আমার সার্থকতা। সময় নিয়ে লেখাটি পরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।