ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

নিজের জীবনের ঘটনা দিয়েই আমি এই ক্রসফায়ার বিতর্কের সমাপ্তির পথ বের করতে চাই ।

২০০০ সালের ৫ই মে, শুক্রবার সকালে আমার দুইভাইকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয়। আমার দুইভাই খুন হওয়ার কিছুদিন পর ওই খুনির নামসহ তত্কালীন সরকার ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রকাশ করে । আমার দুই ভাইয়ের খুনির নাম কামাল পাশা। এই ঘটনার ২ বছর পর পরবর্তী সরকারের আমলে খুনি নিজে পুলিশের কাছে ধরা দেয় । কারন ততদিনে RAB তাদের Crossfire প্রকল্প শুরু করে দেয়। প্রানে বাঁচার জন্যই কামাল পাশা এই কাজ করে । ২০০৩-এ এই মামলায় কামাল পাশার ফাঁসির রায় হয় যা কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত । এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ আমার জানা নেই ।

তবে একটা ব্যাপারে আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই যে এটা যতটা না মানবাধিকারের প্রশ্ন, তার চেয়েও বেশি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার । ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে মানবাধিকার সুরক্ষিত হয় না । আমি চাই প্রত্যেক অপরাধীরই শাস্তি হোক আইন-অনুযায়ী ।