ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জানুয়ারী ১৯৭২ দেশে ফেরার পর ঘোষণা দিলেন যে ( অন্য নেতাদের উদ্দেশ্যে ) তোমরা দেশ চালাও “আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না” যেমন উনি উনার ভাষণে বলেছিলেন এবং ১৯৭২ এর সংবিধানে যদি সংযোজিত হতো বাংলাদেশ হবে সীমিত ক্ষমতার অধিকারী প্রতীকী রাজা শাসিত দেশ আর শেখ পরিবার হবে বাংলাদেশর রাজ পরিবার । রাজ পরিবারের সদস‍্যদের অবদান স্বীকার করে রাজ পরিবারের সকল ব্যয় রাষ্ট্র বহন করবে আজীবন । বাংলাদেশের প্রথম রাজা হতেন শেখ মুজিবুর রহমান । রাজকুমার শেখ কামাল, রাজকুমার শেখ জামাল, রাজকুমার শেখ রাসেল, রাজকুমারী শেখ হাসিনা এবং রাজকুমারী শেখ রেহানা । পরবর্তী রাজা হতেন শেখ কামাল এবং ক্রমাম্বয়ে শেখ জামাল …। ২০১১ তে আমরা টিভি নিউজ পেতাম বাংলাদেশ এর রাজা শেখ কামাল এর প্রতিনিধি প্রিন্সেস শেখ হাসিনা জাতিসঙ্গ সাধারন পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন । ২০১০ এ আইন প্রতিমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কে রাজ-প্রাসাদে ডেকে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে সমাজে উত্তেজনা না ছড়ানর জন্য তাগিদ দিয়েছেন রাজা শেখ কামাল । বাংলাদেশের জনগন রাজ পরিবারের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত যে কোন প্রয়োজনে । গনভবন লিখে নেয়ার প্রয়োজন হতো না । কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য ১৯৭২ এ বঙ্গবন্ধু কে এমন একটি দূরদর্শী পরামর্শ দেয়ার মত নেতা যে ছিল ইতিহাস তা বলে না । যদি এমন হতো তা হলে বোধকরি এখন বাংলাদেশের রাজা থাকতেন (অনুমেয়) রাজা শেখ কামাল এবং রাজকুমারী/প্রিন্সেস হতেন শেখ হাসিনা/শেখ রেহানা আর বাফুফের প্রধান পৃষ্টপোষক থাকতেন প্রিন্স শেখ রাসেল । সম্ভবত প্রধানমন্ত্রি হতেন জিল্লুর রহমান । প্রধান বিরোধী দল জাসদ এবং বিরোধী দলীয় নেতা হাসানুল হক ইনু । খালেদা জিয়া নোয়াখালী বা বগুড়া জেলার কোন গ্রামের গৃহবধূ ।

কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী এমনটি না হয়ে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হয়ে চোরের খনি দিয়ে দেশ শাসন শুরু করলেন । বিরোধী মত সহ্য না করে দমন নিপীড়ন শুরু করলেন । ক্ষমতা লিপ্সা/ উচ্চাকাংখা সংবরণ করতে না পেরে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট হওয়ার মনোবাঞ্ছা পুরা করলেন । ক্ষমতা লিপ্সা এবং চাটুকারদের পরামর্শ কোন নেতা কে জনপ্রিয়তার কত নীচে নামিয়ে দেয় তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন । জনগন যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেলাম ।