ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

গুগলে যদি সেশন জট লিখে সার্চ দেওয়া হয় তবে সবার আগে হাজির হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এটি একটি অন্যতম বৃহত্তম ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান হলেও এর বর্তমান অবস্থা হতাশাজনক। এ প্রতিষ্ঠানে অর্ন্তভুক্ত বিভিন্ন কলেজে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা জীবন নিয়ে চরম হতাশায় দিন অতিবাহিত করছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর মেয়াদী অর্নাস কোর্স সাত বছর সময় নেয়। বাড়তি তিন বছর শিক্ষা জীবন থেকে অযথা ব্যয় হচ্ছে। যা চাকুরি ক্ষেত্রে ঋনাত্বক প্রভাব ফেলছে।

শিক্ষার্থীরা এ থেকে পরিত্রান লাভের আশায় আন্দোলনও চালিয়েছে। এতে প্রশাসন সেশন জট নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটগুলো দুর করবেন, তিনিও তার কখা রাখেননি। মন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও ১২ লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন। বুয়েট,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের সময় শিক্ষামন্ত্রী সবচেয়ে বেশি বিচলিত ছিলেন এবং তা সমাধানে যথেষ্ট ভুমিকা পালন করেছেন। তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন বুয়েটের শিক্ষার্থীদের ১ ঘন্টা নষ্ট হওয়া মানে অনেক ক্ষতি হয়ে যাওয়া। অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ১ ঘন্টা নয় ৩ বছর বিনা কারনে নষ্ট হচ্ছে, এর জন্য কী কোন প্রকার ক্ষতি হচেছ না?

যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল তা কি সফল হয়েছে? হয়ত বা প্রশাসন বলবে শতভাগ সফল হয়েছে, কারন লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রী আজ উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে পারছে।
হ্যাঁ ঠিকই পারছে, তবে অসহ্য এক যন্ত্রনা আর হতাশা নিয়ে। যা অনুভব করার মত শক্তি ও সামর্থ্য প্রশাসনের নেই। তাই বার বার শিক্ষার্থীদের মিথ্যা আশার বানী শুনিয়ে যাচ্ছে আর সাধারন শিক্ষার্থীরা সেই বানী বুকে ধারন করে বসে আছে।