ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

গত মঙ্গলবার দেশব্যপি জামায়াতের ডাকা সকাল সন্ধা হরতাল পালিত হল। অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে পুলিশের সতর্ক অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মত। তবে পুলিশের সাথে সবচেয়ে বেশি সতর্ক অবস্থানে ছিল যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। বিভিন্ন ইলেট্রনিক মিডিয়ায় তাদের সাহসী কান্ডের যে সব খবর দেখা গেল তাতে গভীর হতাশা আর দুঃখে বলতে হয় নতুন করে পুলিশলীগ নামক আরেকটি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী গঠন করলে মন্দ হয় না। দেশের বর্তমান পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে। পুলিশ আর পুলিশলীগ এক হয়ে যদি কাজ করে তবে জনগনই অবশ্যই শান্তি পাবে।

আইনের উর্ধে কেউ নয় এটাই তো আইনের কথা অথচ হরতালে ছাত্র ও যুবলীগ পুলিশের সামনেই পিকেটারদের বেধড়ক মারধর করে এটি কী আইন বিরোধী কাজ নয়? দেশের আইন শৃংখলা রক্ষা করার দায়িত্ব আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর। হরতালে পিকেটিং, রাষ্টীয় সম্পদ নষ্ট করা অন্যায় কাজ। তার জন্য দেশে বিচার আছে, প্রচলিত আইনে বিচার কাজও পরিচালনা করা হয়। দেশের আভ্যন্তরীণ শৃংখলা রক্ষার্থে রয়েছে পুলিশ বাহিনী। তবে কেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান দিয়ে অন্যায়ে লিপ্ত হবে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর আওয়ামীলীগের এক জনসভায় যুবলীগকে জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহবান জানান। একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে এধরনের কথা শোনার পর ছাত্র ও যুবলীগ আইন নিজ হাতে তুলে নেয়া কোন অস্বাভাবিক ব্যপার নয়। এটি অন্যায়ের প্রতি উৎসাহ প্রদান। শুধো মন্ত্রীই নয় বড় বড় নেতারা জোড় গলায় একই আহবান জানাচ্ছেন। যার ফলাফল দাড়াচ্ছে রক্তপাত।

দলের এ ধরনের কার্যকলাপ ও আচরন পরিবর্তন করে গণতন্ত্রের পথে হাটা উচিৎ।