ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

সপ্তাহখানেক আগে এক লেখায় এমনই আশংকা করেছিলাম। বলেছিলাম, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার বিষয়টি না ধামা-চাপা পড়ে যায়। সামনে আবার কোন্ বিষয় আমাদের যন্ত্রণা দেয়? হলোও তাই। পরাধীন বাংলাদেশে যা হয়নি, প্রেসক্লাবের বাইরে এবং ভিতরে স্বাধীন বাংলাদেশে সেদিন তাই ঘটল। মুখোমুখি সাংবাদিককুল। পাশবিক আক্রমণ। কল্পনা করা যায়! আমরা কোথায় যাচ্ছি?

এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। কারণ, আমরা সবাই জানি। নতুন করে আবারো তিনি আলোচনায় এসেছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন ‘বাঁচাল’। আসলে তিনি কি সুস্থ্য আছেন? নাকি তার পারিষদদের দ্বারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন? যদি তিনি অসুস্থ্য থাকেন, তাহলে আবোল-তাবোল কথা না বলে বেশ ক’দিন বিশ্রাম নেয়া উচিত। আর যদি তিনি বলতেই থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি ‘গারল পারিষদ’ দ্বারা বেষ্টিত। খটকা লাগে তখন, যখন ভাবি, এটিএন বাংলায় তো আছেন- নওয়াজীশ আলী খান, সরকার ফিরোজ, সাইফুল বারী, ফকরুল আবেদীন দুলাল -এর মতো মিডিয়া অভিজ্ঞ মানুষ। তাদের পরামর্শেই কি মাহফুজুর রহমান এসব বলছেন? যদি তাই-ই হয়- তাহলে আমি দুঃখিত, বলতেই হচ্ছে- এতোদিন তারা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। তারা শ্রেফ গারল। মিডিয়া ছাড়া তাদের ন্যূনতম রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মেধা নেই। না হলে এটিএন বাংলাকে কেন্দ্র করে একের পর এক অঘটন ঘটেই চলছে। অথচ তারা মুখে কলুপ এঁটেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এমন দুঃসাহস মাহফুজুর রহমান কীভাবে দেখান? তার খুঁটির জোর কোথায়? নাকি তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন? কৌতুহল ঠেকাতে পারছি না। মনের ভেতর একটা খুঁতখুঁতানি লাগে। মাহফুজুর রহমান অভিসন্দর্ভ (থিসিস) লিখলেন কোন্ বিষয়ে? নাটক নিয়ে? নারী নিয়ে? নাহলে তিনি নামের আগে ‘ড.’ উপাধি কীভাবে পেলেন?