ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে। আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি মূলত দুটি কারণে। এক. স্বাবলম্বী হয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা এবং দুই হচ্ছে অন্যকে একই পথে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করা। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কোন শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আলোকিত হব? শিক্ষা গ্রহণ শেষে অর্থ উপার্জনই যদি মূল লক্ষ্য হয়, তাহলে আমরা তো আর মানুষ থাকি না। আবার অর্থ ছাড়া জীবন অনর্থ। তাহলে? এই তাহলের উত্তরই দিচ্ছে আউটসোর্সিং।

মূলত ছাত্র জীবনে সামান্য অর্থকষ্টই মানুষকে পথভ্রষ্ট করে। আবার কেউ কেউ অর্থের অভাবে পড়াশোনায় ইতি টানতে বাধ্য হন। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে অসম্ভব আশা জাগানিয়া হতে পারে আউটসোর্সিং।
আসলে আউটসোর্সিং কী ? এককথায় অর্থের মাধ্যমে অন্যের কাজ ইন্টারনেটের মাধ্যমে করে দেয়া। আমাদের দেশে এই থারণা নতুন। অথচ পৃথিবীর ১ নম্বর দেশ ফিলিপাইন এবং এশিয়া শ্রেষ্ঠ ভারত এই কাজের মাধ্যমে আয় করছে কোটি কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ এই পথে নিয়মিত এগুলে নিশ্চিতভাবেই ঘটবে অর্থবিগ্লব। বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশ ঠাঁই পাবে অনলাইন আয়ের প্রথম সারির দেশ হিসাবে।
অনলাইন আয়ের একজন ছাএ হিসাবে বলতে পারি, বাংলাদেশে আন্তরিকতার সঙ্গে যে প্রতিষ্ঠানটি এই কোর্স করাচ্ছে- সেটি হচ্ছে বিআইডিডি। এখানে প্রতি সপ্তাহেই হচ্ছে ফ্রি প্রশিক্ষণ। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আউটসোর্সিং বিষয়ে প্রায় ১ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক শুরু করেছেন অনলাইন আর্নিং। বলাবাহুল্য, ছাত্র-ছাত্রীরা এই কাজ করে যে অর্থ আয় করবেন তাতে হেসেখেলে চলে যাবে তাদের পড়াশোনার খরচ। আর পেশা হিসাবে নিতে চাইলেও তা সম্ভব। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, একদিন অনলাইন আয়ে বাংলাদেশ হবে বিশ্বসেরা। এ বিষয়ে সরকারের আরো উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি, এই স্বপ্ন স্বার্থক হবেই।