ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন।

প্রতি ১০০ নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ১০৩ জন। পুরুষের সংখ্যা সাত কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৮৬ জন এবং নারীর সংখ্যা সাত কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার ৯৭৬ জন।

দেশে সাত বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে সাক্ষরতার হার এখন ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরুষের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ। নারীর মধ্যে এই হার ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০০১ সালে সাক্ষরতার হার ছিল ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশ। পুরুষের মধ্যে সাক্ষরতার হার ছিল ৪৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নারীর মধ্যে ছিল ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের অনুপাত বেশি তাই নয় কি?

২০১২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৯ লাখ ২৬ হাজার ৮১৪ শিক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩৯৫ জন ছাত্র এবং ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪১৯ জন ছাত্রী। কি ছেলেদের সংখ্যা মেয়েদের চেয়ে বেশি তাই তো , নাকি আমার হিসাবে কোথাও ভুল হচ্ছে। কিন্তু হায় ফটো সাংবাদিকদের কান্ডকারখানাতে মনে হচ্ছে এটি ঢাহা মিথ্যা।মনে হচ্ছে দেশে শুধু মেয়েরাই পাবলিক পরিক্ষা দেয়, চলুন না দেখি ফলাফল দেওয়ার পর কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত আনন্দে-উচ্ছল কিছু ছবি

প্রথমেই পয়লা আলো (প্রথম আলো) তে প্রকাশিত ছবিগুলো দেখি

এখানে ছেলে আছে বলে জানতাম কিন্তু ছবি দেখে কি মনে হচ্ছে?

তাই বলে মাদ্রাসায় ছেলে বাদ দিয়ে মেয়েদের ছবি তোলা হবে

কাদির মোল্লা কলেজ তো ছেলেদের ও কিন্তু হায় দেখা তো যাচ্ছে শুধু তারাই

এইবার চলুন সময়ের কন্ঠ( কালের কন্ঠ) থেকে প্রাপ্ত কিছু ছবি দেখি

হায় একি অবস্থা

ভিক্টোরিয়া কলেজ বলে কথা।

মেয়েরাই প্রথমে

এখানেও মেয়েদের আধিক্য

হাসিতে তাহার মুক্তা জড়ে

যুগান্তরের ছবিগুলো বাদ যাবে কেন

সত্যিই আজব

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আসা করি সবাই মজা পেয়েছেন। সাংবাদিকরা কি সত্য তথ্যই আমাদের তোলে ধরেছে !!!! তবে হা তাদের নৈতিকতা কোথাও লুকিয়ে আছে নাকি? রমণীদের প্রতি এত ঝোঁক? উল্লেখ্য সাংবাদিকদের সাথে কিন্তু আমার কোন শত্রুতা নাই।

এটি পূর্বে একই নামে আমার কন্ঠে প্রকাশিত।

পাঠক কিন্তু এই ব্যাপারটা দেখলে মন্তব্য ও শেয়ার করবেন আসা করি। দেখি কার মতামত কি?