ক্যাটেগরিঃ প্রতিবন্ধী বিষয়ক

বিশেষ সেবার জন্য ইতিহাসের পাতায় আজীবনের জন্য স্থান দখল করে রেখেছেন ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, বর্তমান কিংবদন্তী মাদার তেরেসা। কাউকেই নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়া লাগে না। তাঁরা নিজেরাই পরিচয় হয়ে জ্বলজ্বল করছে ইতিহাসের পাতায়। তাঁদের কর্মকাণ্ডই তাদেরকে এই সম্মানের আসনে বসিয়েছে। ঠিক তেমনি এক মহতি উদ্যোগ নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমেছেন আমাদেরই বোন, আমাদের মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুল। যিনি ইতোমধ্যেই চাইল্ড সাইকিয়াটিস্ট হিসাবে বর্তমানে কর্মরত আছেন জাতিসংঘে।

তাঁরই উদ্যোগে বাংলাদেশে আজ শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অটিস্টিক সম্মেলন। এতে সোনিয়া গান্ধীসহ অন্যান্য দেশের বহু প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। গতকাল এটিএন নিউজ চ্যানেলে মুন্নী সাহা কর্তৃক পুতুলের নেওয়া সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনটি দেখেছি। মুগ্ধ হয়েছি- অটিজম সম্পর্কে পুতুলের সমৃদ্ধ জ্ঞানভান্ডার দেখে। মুগ্ধ হয়েছি বাংলাদেশের অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে তাঁর নেওয়া উদ্যোগ দেখে। আর তখনই আমার মনে পরে যায়- ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, মাদার তেরেসার কথা। এমন একটি মহান কাজে নেমেছেন আমাদের পুতুল। হোটেল রূপসী বাংলায় আজ শুরু হয়েছে তিন দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক অটিজম সম্মেলন। এতে প্রধান ভুমিকা থাকছেন আমাদের পুতুল। বাংলাদেশে অনুমান নির্ভর এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রতি ১০ লাখে ২৫০টি শিশু অটিজমের শিকার। আমাদের পুতুল কি পারবেন তাদের জন্য কিছু করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে? পুতুল কি পারবেন বাংলার ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কিংবা মাদার তেরেসা হতে? সেটিই এখন দেখার বিষয়। তাঁর জন্য শুভ কামনা রইল।