ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

জামাত বি এন পি কে গিলেছে! ক্ষতি টি আসলেই বি এন পির।

মাত্র ৭ দিনের ব্যাবধানে আবার ও হরতাল! তবে এবার আর ২৪ ঘণ্টা নয়। পিক আপ একটু বেড়েছে ৩৬ ঘণ্টা! ৫ তারিখের হরতাল সফল হবার পর (বি এন পি ও জামাতের দাবি!) এবার তারা আবারো সফল হবার জন্য লাগাতার আন্দোলনের কর্ম সূচি হিসাবে হরতাল এর এলান ঘোষণা করেছেন। জাতীর উদ্দেশে এক ফরমান জারি করেছেন মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর “জনগণের ইচ্ছা ও আকাঙ্খা অনুযায়ী আমরা এই টানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।” তিনি আরও বলেন “’একতরফাভাবে’ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সিদ্ধান্ত, সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস মুছে ফেলার সুপারিশ, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্কের ধারা বিলুপ্তির অপচেষ্টা, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সঙ্কট, পুঁজিবাজার ধ্বংস রোধে সীমাহীন ব্যর্থতা এবং ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর অর্থ লুণ্ঠনের প্রতিবাদে এই হরতাল।সাবাস ফকরুল, জনগনের ইচ্ছা ও আকাঙ্খা অনুযায়ি আপনারা যদি হরতাল ডেকে থাকেন তবে সেই জনগনের একজন আমি। তাই আমার পক্ষ থেকে আপনি অভিনন্দন গ্রহন করুন!

মির্জা ফকরুল, অত্যন্ত ক্লিন ইমেজের একটি মানুষ আপনি ছিলেন। বি এন পিতে হাঁতে গোনা যেই ক জন ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব হিসাবে সবার নিকট গ্রহন যোগ্য, স্বীকৃত আপনি তাদের মধ্যে অন্যতম। যেমনঃ সাইফুর রহমান, ডঃ মইন খান, মান্নান ভুইয়া, ডঃ ওসমান ফারুক, অলি আহমেদ মোরশেদ খান,।এদের মধ্যে আপনি ও ছিলেন। কিন্তু সেই আপনি ভারপ্রাপ্ত মহা সচিব হয়ে কি সব হাবল তাবল বকছেন? জানি দল চালাতে গেলে যত বেশি আঁতলামি, যত বেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দেওয়া যায় তত নেত্রীর কাছা কাছি যাওয়া যায়। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে সব চাইতে বড় মন্ত্রনালয় এর দায়িত্ব পাওয়া যায়। কিন্তু হাবল তাবল বকলে আওয়ামীলীগের আব্দুল জলিল সাহেবের মত আবার ব্যাক ফুটে চলে ও যেতে হয়। আব্দুল জলিল কিন্তু নিজে বলতেন না। তাঁকে দিয়ে বলান হোতো। যেমনটি বলছেন আপনি। যাই হোক আপনি সেই ক্লিন ইমেজ এর লেবাস হারিয়ে ফেলেছেন অনেক খানি।

মির্জা ফকরুল, আপনার কথার কিছু জবাব আমি দিতে চাই। আপনি বলেছেন “জনগণের ইচ্ছা ও আকাঙ্খা অনুযায়ী আমরা এই টানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছি” আচ্ছা ফকরুল সাহেব এই দেশের জনগন আসলে কারা? যারা বি এন পি জামাত করে তারা ই কি কেবল জনগন! নাকি আমরা সাধারন মানুষ যারা রাজনীতি করিনা তারা জনগন? গত ৫ ই জুন যেই হরতাল আপনারা দিলেন তাতে বি এন পি, জামাত গং ছাড়া আর কোন জনগন কি ছিল আপনাদের সাথে রাজপথে? টি ভি, প্রিন্ট মিডিয়া, যেখানে ই দেখলাম কোন মিছিলে ই ২০ জন এর বেশি জনগন আপনারা দেখাতে পারেননি! তবে ১৫ কোটি জনগন গেল কই? বলবেন পুলিশি এ্যাকশন এ আমরা রাজপথে বের হতে পারিনি। পুলিশি এ্যাকশন আমরা দেখেছি, পুলিশ কাদের উপর এ্যাকশন চালিয়েছে, বি এন পি জামাত কর্মী দের উপর না জনগন এর উপর! এই জনগন কারা! সব কিছু যদি জনগনের উপকারের জন্য করে থাকেন তবে ১৫ কোটি জনগনের অন্তত এক কোটি জনগন আপনাদের সাথে রাজ পথে থাকা উচিৎ ছিল নয় কি?

আপনি বলেছেন, “’একতরফাভাবে’ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সিদ্ধান্ত, সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস মুছে ফেলার সুপারিশ, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্কের ধারা বিলুপ্তির অপচেষ্টা, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সঙ্কট, পুঁজিবাজার ধ্বংস রোধে সীমাহীন ব্যর্থতা এবং ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর অর্থ লুণ্ঠনের প্রতিবাদে এই হরতাল”

“একতরফাভাবে’ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সিদ্ধান্ত”
আপনাদের কত বার ডেকেছে সংবিধান সংশোধন কমিটি, আপনারা সেইখানে যান নি কেন প্রথমে। আপনারা আপনাদের মতামত কেন জানান নি? জনগন ভোট দিয়েছে কি জালাও পোড়াও করার জন্য? সংসদে কেন গিয়ে আপনাদের দাবি জানাননি? আপনাদের নেত্রীকে একাধিক বার ডেকেছে কমিটি, কই আপনারা তো কিছুই বলেননি।এখনও বলা হচ্ছে আপনারা ফর্মুলা নিয়ে আসুন।আরে বাবা আগে তো যান। কিন্তু যাননি। তবে কি ইস্যু বানানোর জন্য ই আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন?


“সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস মুছে ফেলার সুপারিশ”
ধর্ম নিরপেক্ষতা আর রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম এইটা একে অপরের সাংঘর্ষিক এটি আপনার মন্তব্য। সংবিধানে আল্লার নাম থাকতে হবে নইলে আমরা মুনাফিক,কাফের, অমুসলিম হয়ে যাব কোরআনের কোন সুরায়, কোন আয়াতে, কোন হাদিসে, এই কথা বলা আছে? পৃথিবীর কোন সংবিধানে এই রুপ আছে? আপনি ও কি শেষ পর্যন্ত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি শুরু করে দিলেন? দিতেই পারেন। “সংঘ দোষে লোহাও ভাষে”। জামাত আপনাদের গিলে ফেলেছে। তাই ধর্ম ব্যবসায়ি বনে গেছেন খুব তাড়া তাড়ি।


“মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্কের ধারা বিলুপ্তির অপচেষ্টা”
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আশার পর কোন ইসলামি বন্ধু প্রতিম দেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে বলুন তো একবার? তবে কি পাকিস্তানের সাথে যেই শীতল সম্পর্ক আমাদের, সেইটাকে দহরম মহরম করতে হবে? আজও দেখলাম এ টি এন নিউজ এ দিনে দুপুরে সবার সামনে সামরিক বাহিনী সাধারন জনগন কে দাড় করিয়ে ওপেনে গুলী করে মারছে। তাদের সাথে আন্তরিকতা ,না কক্ষনো না।


“দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সঙ্কট”
দ্রব্য মূল্যর লাগাম ছাড়া ভাব আপনাদের সময় থেকে শুরু, বর্তমান সরকার এইখানে ও সম্পূর্ণ বার্থ। আপনারা যেটি পারেননি, সেইটা বর্তমানের কাছে আশা করেন কেমন করে? আইন শৃঙ্খলার অবনতি, আমরা কি ভুলে যাই গা শিউরে ওঠা বীভৎস সেই সব দিন গুলির কথা? সারা দেশে সংখা লঘু নির্যাতন, সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি, জঙ্গি বাদ আপনাদের সময়ের জন্ম। কিরবিয়া সাহেবকে মারেন, আহসান উল্লাহ মাষ্টারকে মারেন, শেখ হাসিনার জনসভায় বোমা মারেন। জঙ্গি মদদ দেয় আপনাদের সময় এর মন্ত্রিরা,ধর্ষণ,গন শৌচাগার পর্যন্ত দখল, ভুতের মুখে রাম রাম! লজ্জা লাগে না আপনারা যেইটা পারেননি, সেইটা আশা করেন কী ভাবে? গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি।আজ যখন বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলেন খুব হাসি লাগে।আওয়ামীলীগ সরকার রেখে গেল ৪৩০০ মেগা অয়াত।আর আপনারা এসে চলে যাবার সময় রেখে গেলেন ৩১০০ মেঃ ওয়াট! হাজার হাজার কিলোমিটার খাম্বা পুঁতেছেন শুধু মামুন-তারেকের খাম্বা বিক্রি করার জন্য! এক চুল বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারেননি আপনারা, শধু মামুন তারেক খাম্বা ব্যাবসা পরিচালনার জন্য খাম্বা মেরেছেন রাস্তায়। আপনাদের সেই জঞ্জাল আমরা এখন ও ভোগ করি। বিদ্যুৎ সমস্যা এখন আপনাদের তুলনায় অনেক টি ভাল। আমরা তো নিজের চোখেই দেখছি।


“পুঁজিবাজার ধ্বংস রোধে সীমাহীন ব্যর্থতা এবং ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর অর্থ লুণ্ঠনের প্রতিবাদে”
পুজি বাজার যখন একেবারে ক্রাশ করলো, জানুয়ারী মাসে তখন লাখ লাখ বিনিয়োগ কারি বলেছিলেন বি এন পি এখন একটি হরতাল দিলে রাজ পথে ৩৩ লাখ বিনিয়োগ কারি তাদের পাশে থাকবে। কিন্তু সেই টি করলেন না। আজ যখন বাজারটা ক্রমে স্ট্যাবিলিটির দিকে যাচ্ছে, যখন পুঁজি বাজার বান্ধব একটি বাজেট ৩৩ লাখ বিনিয়োগ কারি দেখতে পেল তখন কেন এই ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীদের জন্য এমন মায়া কান্না শুরু করে দিলেন? এত দরদ আগে ছিল কোথায়? আন্দোলন, হরতাল দিলে টার্ন ওভার কমে যাবে, বাযার আবার খারাপ এর দিকে যাবে। আর ঘোলা পানিতে মাছ স্বীকার করবেন আপনারা। ইস্যু বানাতে সুবিধা হবে তাইনা।

বর্তমানে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ কিছু কিছু কর্মকাণ্ড কোন সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ খুব ভাল ভাবে মেনে নিতে পারবেনা। আজ যদি বঙ্গবন্ধু এই অবস্থা দেখতেন, তিনি নিজেই বলতেন হয়তো বা এই কি আমার আওয়ামীলীগ? তাদের নির্বাচনী এজেন্ডা বাস্তবায়নে সফলতা ৫০ ভাগ এখন ও অতিক্রম করতে পারেননি। তাই আমি তাদের কে “সোয়া চান পাখি” বলে চুমা খেতে পারবো না। অসংখ্য ব্যর্থতা। তবে আজ যেই ইস্যু গুলী নিয়ে হরতাল এর পেছনে যেই যুক্তি দেখাল বি এন পি জামাত গং, প্রকৃত পক্ষে সেই গুলী কোন যুক্তি নয়। জনগনের তোপের মুখে এই যুক্তি টিকবে না। এক গভির ষড়যন্ত্র চলছে। জাতীর সামনে অনেকটা পরিস্কার এটি।

কী এই ষড়যন্ত্র?
আমরা জানি, বি এন পি জামাতের ছায়া থেকে কোন ভাবেই বের হতে পারছেনা। গেল নির্বাচনে জামাতের ভরাডুবি তে বি এন পি ব্যাথিত হয়েছে জামাতের চেয়েও বেশী! জামাতের একটি রিজারভ ভোট রয়েছে। কারন রাজাকার এর সন্তান,সন্ততি,পরিবার, পরিজন তো আর রাজাকারের লেবাস ছেড়ে বের হতে পারবেনা? মুক্তি যুদ্ধ সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম গেল নির্বাচনে জামাত সম্পর্কে এমন প্রচারণা চালিয়েছে যে ওদের আর গ্রহন যোগ্যতা নেই কেবল মাত্র ওদের পেতাত্তা ছাড়া। নুতন প্রজন্মের ৩০ ভাগ ভোটার ওদের ঘৃণা করে। সেই দোষে বি এন পি ও দোষী ওদের মদদ দেবার কারনে। আসশে নির্বাচনে বি এন পি কি পারবে একা লড়তে? না পারার একটি ভয়, সংকা! তবে কি হবে? এরূপ একটি হতাশা থেকে জামাতকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করার জন্য মরিয়া বি এন পি। সারা দেশের মানুষ আজ যুদ্ধ অপরাধী দের বিচারের দাবিতে সোচ্চার। ওদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেসে।ইনশাআল্লাহ্‌ শেষ ও হবে। তবে বি এন পির কি হবে? মহাজোট এখন পর্যন্ত যেই অবস্থা তাতে আর ভাংছে না। যদিও এরশাদ মাঝে মাঝে একটু ফালা ফালি করে ওঠে, ঠিক তখনই শেখ হাসিনা টনিক দিয়ে দেয়। ব্যাস! এরশাদ চুপ! বাম দলগুলো তো আর জামতের সাথে হাত মেলাবে না। কাজেই মহাজোট থাকছে। কিন্তু ৪ দল? জামাত ছাড়া চার দল কি পরিপূর্ণ? আগামী নির্বাচনে জামাতের ভোট গুলী জে বি এন পির বড় দরকার। নইলে পর্যন্ত যে অনিশ্চিত! তাই জামাতকে আবারো লাইম লাইটে নিয়ে আসতে হবে। এই রকম একটি মানসিকতার মধ্যেই আজকের হরতাল!

কী ভাবে?
দৃষ্টি ভঙ্গি সবার যুদ্ধ অপরাধীদের দিকে। বিচার তো শুরু। এহেন অবস্থা চলতে থাকলে শেষ পর্যন্ত জামাতের অস্তিত্ব কি আর থাকবে? রাজপথে জামাত কোন ভাবেই দাড়াতে পারছেনা। গণহারে নিজামি, মুজাহিদ, সায়িদি, কামরুজ্জামান, কে যেই ভাবে সরকার থাবা দিয়ে ধরল, মনে হল শিয়াল মুরগী ধরছে! একটু টু শব্দ টি ও করার সাহস পায়নি জামাত। আন্দোলন তো দূরে থাক, চাচা আপন প্রান বাচা অবস্থা! সেই জামাত, বি এন পি তাদের কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন এ হরতাল ডাকার ৩০ মিনিট এর মধ্যে, মগবাজারে দলীয় কার্যালয় এ হরতাল এর ডাক দেয় কোন সাহসে? কে তাদের শক্তির যোগানদাতা? এত শক্তি আগে ছিল কোথায়? দলের সভাপতি,সম্পাদককে গ্রেফতার করা হল কোন শব্দ করল না জামাত। সেই জামাত কি এত মহা শক্তিশালী হয়ে গেল মাত্র এক বছরের ব্যবধানে? সবার চোখ ঘুরাতে কি তবে এই হরতাল নামের নাটক? বি এন পি এই মুহূর্তে চাইবে হরতাল, একের পর এক লাগাতার কর্মকাণ্ড দিয়ে সরকারকে ব্যাস্ত রাখতে চাপে রাখতে। রাজনীতির মাঠ গরম করতে এক সময় আওয়ামীলীগ ও মাঠে নামবে বি এন পি কে প্রতিহত করতে। সঙ্গত কারনে এই সময় ক্ষমতাসীনদের চোখ থাকবে বিরোধী দল এর উপর । যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার কাজ ব্যাহত হবে সঙ্গত কারনে ঐ সময়টিতে। আর এই রুপ যদি আর ২ টি বছর চালানো যায়, কেল্লা ফতে। বিচার আর এই সরকারের অধীনে হলনা। জনগনের সামনে বলার সুজগ পাবে জামাত- বি এন পি। তারা তখন বলবে “ কোন ব্যাক্তিকে আদালত কর্তৃক অপরাধী সাব্যস্ত না করা পর্যন্ত তিনি অপরাধী নন” হায়! একি হবে? হবেনা কেন? এদের পক্ষে কি না সম্ভব?

তার পর কোন ভাবে ক্ষমতায় আসলে সেই জিয়ার কুখ্যাত ইনডেমনিটি এর আদলে আর একটি আইন করে ওদের মাফ করে দিলেও জাতীর অবাক হবার কিছু ই থাকবেনা।