ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

আমি বিনুদুন পাইলাম।তবে সেটি অতি ব্যাপক! ওহ ম্যান আপনি তো আমারে একেবারে হিরো বানাইয়া দিলেন। আমাদের দেশে রাজনীতি নিয়ে একটি কথা আছে সেটি হোল- যত মার খাওয়া যায় আর যত পত্রিকায় আসা যায় দল ক্ষমতায় গেলে সে বড় পদ পায়। অর্থাৎ প্যাদানি খাইলেই বড় নেতা। যেমন বর্তমান ভিপি জয়নাল! আর ব্লগে ব্যাক্তি নিয়ে লিখলে সে হিট। ইতি মধ্যেই আমার বন্ধু আকাশের তারা তার কমেন্টে আমাকে হিরো বানাইয়া দিছে। মুই এহন কি করি?

এই ব্লগে সম্প্রতি ব্যাক্তি কেন্দ্রিক লেখা দেখলাম ২টি। মুশফিক ভাইকে নিয়ে আর ২ নাম্বার টি আমার আমি মোসাদ্দিক উজ্জ্বল কে নিয়ে। হায় আমারে নিয়ে ও ব্লগে কেউ লিখে! ওহ মাই গড! আগুন ভাইয়ের আম্মা আমার খালামনি প্রয়াত নিলুফার ইয়াসমিন এর একটি গান মনে পড়ছে আজ।

এত সুখ সইবো কেমন করে।

মুশফিক ভাই- কই আপনি?

আমার আদালতে আমি- বিচারক শামিম।আর উকিল আধারের বাসিন্দা!

দেখুন এই শামিম সাহেব কি বলে-

পৃথিবীতে কয়েকশত কোটি মানুষ। প্রত্যেকের চিন্তাধারা, জ্ঞান ভিন্ন ভিন্ন।তবে প্রতিটি মানুষ কিনা জানিনা আমার বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি পারি অন্যের সমালোচনা করতে। তাও যদি হয় গঠনমূলক তবে তা মানা যেত। হাদিসে আসে যে ব্যক্তি নিজের সমালোচনা করতে পারে সেই উৎকৃষ্ট ও বুদ্ধিমান। কিন্তু আমরা হয়ত উৎকৃষ্ট বা বুদ্ধিমান কোনটাই হতে চাইনা তাই অন্যের সমালোচনা করি।

এই বার দেখুন এই শামিম সাহেব কি লিখল-

বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, বাংলাদেশের আকাশে কালো ছায়া পড়েছে। দুঃখের বিষয় তিনি ছায়ার ব্যাপারটা ব্যাখ্য করেনি। কোন সে ছায়া একটু বলে দিলে ভাল হত না। তিনি সত্যি কথাই বলেছেন। এদেশের আকাশে আসলে ভারতীয় ছায়া পড়েছে।আর তাই বাংলাদেশের সব আলো নিভে যাচ্ছে।আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, দেশ চালাতে চালাতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা আজ ভারাক্রান্ত। তাই ভারতরূপী বটগাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।

কিছুক্ষণ আগে তিনি আমাকে কোরআন আর হাদিসের অমিয় বানী শুনালেন। “হাদিসে আসে যে ব্যক্তি নিজের সমালোচনা করতে পারে সেই উৎকৃষ্ট ও বুদ্ধিমান। কিন্তু আমরা হয়ত উৎকৃষ্ট বা বুদ্ধিমান কোনটাই হতে চাইনা তাই অন্যের সমালোচনা করি “

উনি অন্যের সমালোচনা করবেন না।উনি হাদিস কে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করলেন। যেটি দুর্বল চিত্তের মুছলমানরা করে থাকে। যেমন কুলাঙ্গার সাইদি তার পিরোজপুরের নির্বাচনী জনসভায় ভোটের আগে মুছলমানদের বলেন-

জামাতে ভোট দিলে জান্নাতের ভিসা পাওয়া যাইব।যারা শাখা সিঁদুর পরে যারা তারা আওয়ামীলীগকে ভোট দেয়। আর হিন্দু দের বলে জামাতে ভোট দিলে সংখ্যা লঘুদের ইজ্জত অক্ষুণ্ণ থাকবে।

আর আমার ভাই শামিম বললেন আগে নিজের সমালোচনা। কিন্তু উনি অর্থ মন্ত্রীকে সমালোচনা করতে ছাড়লেন না। মনের মাধুরি মিশিয়ে আজগুবি সমালোচনা করে গেলেন। কি বললেন? অর্থ মন্ত্রী বাংলাদেশের আকাশে ভারতীয় ছায়ার কথা বলেছেন। উনি তো বসুন্ধরার ৫ তলায় বসা জ্যোতিষী লিটন দেওয়ান কে হার মানালেন। লিটন সাহেব নাকি হাত দেখে অতীত- বর্তমান আর ভবিষ্যৎ বলে দেন। আর শামিম সাহেব অর্থ মন্ত্রীর কথা শুনেই বলে দিলেন তিনি কি ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন। আবারো বিনুদুন পাইলাম। তো জ্যোতিষী সাহেব আমার জন্ম ৭ই অগাস্ট। জন্ম সূত্রে সিংহ রাশির জাতক। যত দূর জানি আমার রুবি রত্ন ধারন করা উচিৎ। এটি কি ঠিক আছে জ্যোতিষী মহোদয়?

আমার ব্লগার বন্ধু তার লেখায় আমাকে নিয়ে বলেছেন-

উনার সম্পর্কে দুটি কথা না বললেই নয়- আমার লেখার উপর মন্তব্য করার পর আমি উনার প্রায় অনেকগুলো লেখা পড়লাম। আমার মনে হল আমি রবীন্দ্রনাথ বা নজরুলের কোন লেখা পড়ছি।তবে সত্যিই আমার গর্ব হচ্ছিল এমন লেখক আমাদের অহংকার।আমি মোসাদ্দিক উজ্জ্বল ভাইকে আমার সালাম জানাই। আমি উনার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ।আপনার মত লেখকের কোন পড়া পড়তে পেরে আমি স্বার্থক। আমার জীবন ধন্য হয়ে গেল।

জি বন্ধু। আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে রবি আর নজরুল এর লেখার সাথে আমি অর্বাচীন এর লেখা তুলনা করিয়া যেই ভুলটি করিলেন তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থি। আর শামিম সাহেব আপনি আমাকে যেই ছালাম দিয়াছেন তাহার উত্তর ও দিলাম ওয়ালাইকুম আস ছালাম। আমার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ হবার কোন দরকার নাই জনাব। আমি আপনার জন্য এমন কিছু করিতে পারি নাই। আপনার জীবন ধন্য হয়ে গেলেও আমার জীবন এখন ও ধন্য হচ্ছেনা যতক্ষণ না এই লেখাটি ব্লগে পোস্ট হচ্ছে।

আমার ব্লগার ভাই লিখেছেন-

আমি একজন ব্লগার হিসেবে কোন লেখার সমালোচনা করার অধিকার আমার আছে। আর সেই অধিকার থেকেই মোসাদ্দিক উজ্জ্বল ভাইকে নিয়ে কিছু লিখতে চাই। হয়ত বা মন্তব্যের নিচেও লিখতে পারতাম কিন্তু তা হয়ত সবেই পড়বে না। তাই নতুন লেখা দিলাম।

জি আমিও আপনার কমেন্টের ঘরে লিখতে পারতাম। প্রয়োজন মনে করিনি। তাই আপনার মতন ব্লগে সরাসরি লিখলাম।

আমার বন্ধু শামিম লিখেছেন-

প্রথমেই বলবো উনার আধ্যাতিক ক্ষমতা নিয়ে- একটি লেখা পড়েই যিনি বুঝে যান লেখকের বয়স কত, তিনি তরুন না উঠতি নাকি বয়স্ক। এধরনের উক্তি করা থেকে ভাইজান নিজেকে বিরত রাখলে নিজের ভাল দিক গুলো ফুটে ওঠে।

ব্যাপক বিনোদন আবারো পাইলাম। আমি কোথায় বলেছি আপনার বয়স কত? তরুন না উঠতি?

আমি কী বলেছি –

লেখক তো একেবারেই নুতন। মনে হয় লেখা লেখি ও তার সবে হাতে খড়ি। আমার ভুল ও হতে পারে। তবে এনার লেখার ভাব দেখলে এমন টি মনে হচ্ছে।

হাহা শুধু বিনুদুন আর বিনুদুন। বলি কি আর উনার স্বরচিত লেখা খানা বা কি? এইতো ব্লগ বুঝি জমে গেছে। হ্যাঁ আধ্যাত্মিক ক্ষমতা তো আছেই। তবে আমার চাইতে অনেক বেশি রয়েছে আপনার। আর এই কারনে তো আপনি আমাদের দাদু বয়সী অর্থ মন্ত্রীর কথা শুনেই বলে দিলেন উনি কি বলতে চায়। আবারো বিনুদুন পাইলাম। আর হ্যা আপনার লেখা পড়ে আমি বুঝে গেছি বিড়ালের গোঁফ আছে কিনা? কারন শিকারি বিড়াল গোঁফ দেখলেই বুঝা যায়।

উনি বলেছেন-

আপনি শুধু আপনাকে ছাড়া বিডি ব্লগের অনেককেই বলেছেন ‘খরগোশের প্রান ’।

যিনি অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করে থাকেন আসলে তিনি নিজেই কি তা নন? আমি জানি মোসাদ্দিক ভাই আপনি তা নন, কিন্তু লোকে তো তা মানবে না।

হাহা- আবারো বিনুদুন। এ যেন বিনুদুন আর বিনুদুন। আমি কি বলেছি-

আমি বীর নই তবে এও ঠিক খরগোশও নই। তবে আমাদের এই বিডি ব্লগে অনেকেই আছেন খরগোশ প্রান! কেঁপে যায়।

আমার এই লক্ষ্মী সোনা ভাইটি বলেছেন-

মন্দের সাথে আপনি কোনদিন আপোষ করেননি। কথাটি একদম ভুল। কারণ এটা যদি সত্য হত তাহলে আপনার 30 বছর বয়স অবধি আজ বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চেয়ারটা তো আপনার হত।আপনি এত বড় ব্লগার হয়েও মিথ্যা বলেছেন। আমরা হয়ত জানিনা, তবে নিজেকে একবার প্রশ্ন করুন আপনি একমুহুর্তের জন্য হলেও জন্মের পর আজ পর্যন্ত কোন কোন সময় মন্দের সাথে আপোস করেছেন। নিজ অথবা কোন প্রিয়জনের জন্য।আর তাই আমি মন্দের সাথে আপোষ করিনি না বলে বলুন আমি মন্দের সাথে আর আপোষ করতে চাইনা।

অনেকেই কথাটি বোধ হয় আমার ভাইয়ের চোখে পড়েনি। হাহা।

ঐ কথার মোজেজা ৬ই জুলাই যিনি নিবন্ধিত হয় তার বুঝবার ক্ষমতা নয়। ব্লগটিম, আইরিন সুলতানা, সত্য ভাষী, আমিন ভাই, সরকার, আজাদি, হেলজিনোম, আকাশের তারা, ফরাজি, শনিবারের চিঠি, শুভ্র রহমান, আসাদুজ্জামান, মহসিন, টুটুল, স্মিতা, এবং মুশ ফিক ভাই সহ অনেকের কাছ থেকে বুঝিয়া লইয়েন।

আমার ভাই শামিম বলেছেন-

আপনি বলেছেন, “শেখ হাসিনা- খালেদা জিয়া- এরশাদ আমাকে কোন মাসোয়ারা দেয় না যে আমি তাদের চামচামি করব”। আপনার উক্তি। আসলে চামচামি কেওই করেনা আপনিও না আমিও না আবার আমাদের ব্লগেরও কেউনা।আমাদের অনেকেই আছেন যারা হাসিনা খালেদার উত্থান ও পতন কামনা করেন। কোন স্বাভাবিক চিন্তার মানুষও যদি আপনার কিছু কিছু লেখা পড়েন তবে আপনাকে কিন্তু সরকার পক্ষের লোক বলে দাবি করতে ভুলবেন না। আমার লেখার উপর আপনার মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে আমিও তাই বলবো আপনাকে। আর এজন্যই আপনার ঐ উক্তিটি ভুল।

হাহা আবারো বিনুদুন। উনি বোধ হয় শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঠ্যাঙ্গানি মার্কা লেখা গুলি চোখে রেবন ব্রান্ডের কালো চশমা দিয়ে পড়েছেন। আর উনি আমাকে বলেছেন আমার লেখা গুলি পড়লে মনে হবে আমি নাকি সরকার পক্ষের লোক। ওরে আজকের ব্যানার লেখাটি ও আমার লেখা। দেখুন তো সোনা ঐ খানে কি লিখলাম আমি? আর আপনি তো নিজেকে দল বাজীর উর্ধে রাখতে চাইলেন। কিন্তু আপনার লেখা পড়লে কি মনে হবে? আপনি কোন পন্থী জনাব?

শামিম বলেছেন-

আপনি কোঠায় চাকুরি না নিয়ে নিজেকে যোগ্যতাসম্পন্ন দাবি করলেও আমরা কিন্তু দেখতে যাইনি আপনার ভাইবোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে সুবিদা ভোগ করেছেন কিনা। তাই এটা না বললেও পারতেন।

হাহা বোকা! আবারো বিনুদুন। আপনারে কে দেখতে কইল? একমাত্র ভাই অর্থনীতিতে ডি ইউ তে পড়ে। মেধা তালিকায় ওর স্থান রয়েছে। আর একমাত্র বোন ও পড়া লেখা শেষ করে এখন স্বামীর সংসারে গৃহিণীর কাজ সম্পাদন করতাছে। ঐ রাষ্ট্রের সুবিধার আমি গোষ্ঠী কিলাই আর আমি কে এইডা যানার দরকার নাই। চেনা বামনের পৈতা দরকার নাই

শামিম বলেছেন-

কিন্তু যারা আসলেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তারাও যদি মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় দেয় তবে তাদেরও আপনি কটাক্ষ করেছেন। কিন্তু আমার প্রান প্রিয় মোসাদ্দিক ভাই আপনি কিন্তু বর্ণনার ছলে বলে ফেলেছেন আপনিও একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা পিতার গর্বিত সন্তান। আপনি তাদের অনেক কটাক্ষ করেছেন যারা ব্লগারের পরিচয় দিয়ে সমাজে সাধু সাজতে চায়।

আবারো বিনুদুন। এই বার উনি আমাকে পেছন দিয়ে আক্রমণ করা শুরু করেছে। সেই সাথে আমার কিছু লেখা বিকৃত করে ব্লগার দের সিম্প্যাথি আনার এক হাস্যকর চেষ্টা করছে। হাহা আবারো অতি বিনোদন পাইলাম। আমি কাদের কটাক্ষ করলাম। লিংক দেন তো ঐ লেখাটির? আর ব্লগার পরিচয় দিয়ে যারা সাধু সাজতে চায় এই কথার মোজেজা বুঝতে হলে আগেই বলেছি কাদের সরানাপন্ন হতে হবে।

আমার শামিম বলেছেন-

কয়েকটি নামিদামি টিভি চ্যানেল ও প্রত্রিকার নামিদামি লোক যে আপনাকে চেনেন আপনি তা সগৌরবে বলেছেন বিডি ব্লগের এই সমাজে। “(আমাদের কোন তদবীর এর দরকার হলে আপনাকে জানাবো”। আপনার তো অনেক জানাশোনা।)

হাহা আবারো বিনোদন। আমি সবাইকে তদবির দেইনা।

এই ব্লগার শামিম বলেছেন-

মোসাদ্দিক ভাই আপনার বাবা যিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন বলে আপনি বলেছেন তিনি কি 1971 সালের আগেই বিয়ে করেছিলেন? নাকি পরে। তবে আপনার বয়স 30 বছর বলেছেন আপনি। তাহলে আপনার জন্ম 1981 সালে । আপনি কি জন্মানোর আগেই দেখেছিলেন একাত্তরের যারা ঘাতক ছিল তাদের অনেকেই বিডি ব্লগারদের বাবা ছিলেন। ও হে জ্ঞানী, আগে নিজেরটা দেখুন। আপনার বাবার মুক্তিযুদ্ধ কি আপনি দেখেছিলেন না কি শুনেছেন তিন ঘাতকবাহিনী ছিলেন না মুক্তিবাহিনী ছিলেন।

হাহা এইবার চরম ব্যাক্তি আক্রমণ! ওরে মশাই আমি যে ব্যাক্তি আক্রমনে কত ভয়ংকর হতে পারি সেটি এই ব্লগের সবার জানা। ইতিমধ্যেই অনেকেই জেনে গেছে। তবে আমাকে আক্রমণ না করলে আমি করিনা। তাই এই রমজানে মাথা ঠাণ্ডা রাখলাম।

শামিম বলেছেন-

আপনি বলেছেন আপনি অনেক আগে থেকেই টুকটাক লিখতেন। তো শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার আগে ঐসব ঘাতক বাহিনী নিয়ে আপনার লেখা থাকলে প্রকাশ করুন। নাকি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ ধরনের লেখা প্রকাশ করা শুরু করেছেন।

আবারো বিনুদুন। জুম্মায় জুম্মায় ৭ দিন ব্লগে আইসাই এই লোক আমার সম্পর্কে পুরাটা না জেনেই আমার পেছনে লেগেছে । ব্লগের সবাই কে হাসাচ্ছে। আমি কি লিখতাম ঐ গুলা বুঝতে আবারো ওদের কাছে যেতে হবে। ইতি মধ্যেই যাদের নাম আমি বলেছি।

আমার ভাই শামিম বলেছে-

একাত্তরের ঘাতক বাহিনী নিয়ে আপনার লেখা আমার ভাল লেগেছে। আমি কেন; সারা বাংলাদেশের মানুষ চায় তারা ধ্বংস হোক। তবে তা যেন কোন স্বার্থের বশবর্তী না হয়ে ঘটে। আমি কোন রাজনৈতিক দলকেই পছন্দ করি না। জামায়াত যুদ্ধাপরাধী অনেকেই জানে। কিন্তু এই জামায়াত যখন আওয়ামী সরকারের সাথে ছিল তখন তারা যুদ্ধাপরাধী ছিলনা। আওয়ামী লিগের সাথে থাকা অবস্থার ঐসব যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে যদি আপনি কোন লেখা দেখাতে না পারেন (ঐ সময় কার ) তবে আপনি এ বিষয়গুলো লেখা থেকে আপাদত বিরত থাকুন।

জামাত যখন আওয়ামীলীগের লগে পীরিত করেছিল সেইডা লইয়াও আমি আমিন আহমেদ এর লেখায় কমেন্ট করেছি। আমি আবারো বলছি ব্লগে আরও সময় নিয়ে আমাকে দেখুন। তার পর সমালোচনা করেন। এই সব লিখা কোন ফায়দা নাই। কেউ খাবেনা। বিশেষ কিছু শ্রেণী ছাড়া।

দেখুন ইনি শেষের দিকে লিখছে-

সর্বপরি অন্যের ভুল তো থাকবেই। সাথে নিজের ভুলটাও ধরতে চেষ্টা করুন। নিজের দোষগুলো শুধরানোর চেষ্টা করুন।

হাহা যার পুরো লেখাটি ই ভুলে ভরা, এক পেশে আর ব্যাক্তি আক্রমণ কেন্দ্রিক যার কোন সারমর্ম নেই সেই আজ আমার সমালোচনা করলো। কাল আজাদি ভাইয়ের একটি লেখায় কমেন্ট করেছিলাম ঠিক এই ভাবে-

সময় এখন বর্ষা কাল, ছুঁচো খোঁচায় বাঘের গাল! আসলে আজ বেশ হাসি পাচ্ছে। সেই গল্প আজ মনে পড়ছে এমবিবিএস ডাক্তারের কাছ থেকে এফ সি পি এস এর জ্ঞান নেবার গল্প!

মিঃ শামিম আমার আরও অনেক কথা বলার আছে। সঙ্গত কারনে আপনি ব্লগে নূতন। তাই ধরে নিচ্ছি আপনি এখনো কিছু বুঝে উঠতে পারেননি। উপরন্তু আপনি মিস গাইড হচ্ছেন অনেকের দ্বারা। সময় হলে বিষয় গুলি আরও বুঝতে পারবেন। আজ আর কিছুই বলতে চাইনা।
— শুভ কামনা।