ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

আমরা যারা ডিজিটাল দেশের নাগরিক তাদের সকলের সাথে নিশ্চয় পরিমল বাবুর পরিচয় ঘটেছে। গোপালগঞ্জ জেলার এই প্রতিভাধর কূ-সন্তানের সু-মহান(!) অপকর্ম সম্পর্কে অবগত আছেন সকলে। তবে একটি বিষয় সকলকে ভীষন ভাবে ভাবিয়ে তুলছে যে বর্তমান সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কোন দ্বায়িত্বশীল ব্যক্তি এ ব্যাপারে কোন কথা বলছেন না। তাই আমাদের মনে প্রশ্ন উদয় হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রীদের দিয়ে জোর পূর্বক মনোরঞ্জনের ঘটনা এবং পরিমল বাবুর (সন্তান) ধর্ষন কি একই সূত্রে গাঁথা? আর ভিকারুননিসার সম্মানিত অধ্যক্ষ কি তথাকথিত সেই নেত্রীর ভূমিকা পালন করছেন?

আর একটি বিষয় বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত হয়েছে যে এই পশু পরিমল ২৯ তম বিসিএস এ প্রশাসন ক্যাডারে `বিশেষ কোটায়’ চাকরি পেয়েছে। যার অর্থ কিছু দিনের মধ্যে তাকে ম্যাজিষ্ট্রেট হিসাবে দেখা যাবে…….! ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়া ছাত্রলীগের ৯৫ জনের তালিকার (!) এক জন গর্বিত ব্যক্তি তিনি। সুতরাং তাকে গ্রেফতার কি একটি নাটক না এই নরপশুকে নির্দোষ প্রমানের বিশেষ মহড়া?

অবশেষে কি একজন ধর্ষক বিচারক হবে………? হতে……..ই পারে কারণ খুনের মামলার চার্জশিট ভুক্ত আসামীর মামলা প্রত্যাহার করে বিচারক নিয়োগ তো ডিজিটাল বাংলারই ……………………………..ঘটনা।

জয় ডিজিটাল বাংলার জয়
জয় পরিপশুর জয়…………..