ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

ইসলাম ধর্মে কেউ কারো প্রভু নয়,কারো ভৃত্য নয়। এই সমতার উপর ইসলামী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত। কোন রাজা বাদশার প্রতি নয় ,আল্লাহর প্রতি আনুগত্যই ইসলামের দাবি এবং তিনিই মানুষের জীবন রক্ষাকারী। পবিত্র কোরআন এর স্বাক্ষ্য বহন করে। আমাদের খলীফাগণ সাধারন মানুষের মতো জীবন যাপন করতেন। কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই পথে প্রান্তরে চলা ফেরা করতেন। অথচ এখন একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি বডি গার্ড ছাড়া রাস্তায় বের হতে ভয় পান। নেতা-মন্ত্রী হলে তাঁদের জন্য ভয় আরো বেশী। পুলিশ-বেষ্টনী ও নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দ্বারা পরিবেষ্টিত থেকেও তাঁরা নিজেকে নিরাপদ মনে করেন না। অর্থাৎ,জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও তাঁরা প্রকৃত অর্থে জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তি।এতে প্রমাণ করে,জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে সমভাবে সেবা করা ছাড়া শুধু নির্বাচনের মাধ্যমে কেউ নিজেকে জনপ্রতিনিধি বলে দাবি করতে পারেন না। ইসলাম ধর্ম মানুষকে এই শিক্ষা দেয়।

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও তদ্রুপ। আল্লাহর মনোনীত জীব হিসাবে তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী সর্ব স্তরের সাধারণ মানুষের প্রতি সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের মাধ্যমেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সঠিক কথা বলার. সঠিক কাজ করার ও সঠিক চিন্তা করার মতো ধর্মীয় অনুভূতি এবং নৈতিকতা সম্পন্ন নেতার। শুধু মাত্র সংগঠন দিয়ে জাতির ভাগ্য গড়ে তোলা যায়না। তার চেয়ে বেশী প্রয়োজন মানুষের ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও শক্তি। দূঃখ জনক হলেও বলতে হয় যে, এ দেশে এমন মানুষের এখন তীব্র অভাব। চলমান ব্যর্থ রাজনীতির মূল কারণ এটাই।