ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

২০১০ সালে বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফ গুলি করে একটি মেয়েকে হত্যা করে। সে মেয়েটির নাম ফেলানি। কিন্তু বিএসএফ এর এই হত্যা কান্ড সারা বিশ্বের মানুষের মনে নাড়া দিয়ে উঠে। কারন: ফেলানিকে বিএসএফ মেরে কাটা তারের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছিলো। পানি পানি করে চিড়কার করে ভারতীয় নরপিচাশদের কাছে এক ফোটা পানিও পায়নি বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি। এই ফেলানিকে মারার পরে ভারতীয় রা বলেছিলো তারা আর কোন বাংলাদেশীকে সীমান্তে হত্যা করবে না। কিন্তু তে শোনে কার কথা । ধারাবাহিক ভাবে তারা বাংলাদেশীদের হত্যা করে। এমনকি অনেক লাশ তারা ফেরত দেয়নি।
ফেলানির মা, বাবা হত দরিদ্র। মা বাবা দিল্লির একটি ইট ভাটায় কাজ করত।ফেলানি ও মা বাবার সাথে ইটের ভাটায় কাজ করতে দিল্লি যান।কাজ করে কিছু টাকা জমিয়ে ছিলেন ফেলানির মা বাবা।এই জমানো টাকা দিয়ে ফেলানির বিবাহ দেবার কথা ছিল।বিবাহর উদ্দেশে গত ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম সীমান্ত পাড়ি দেয় ফেলানিরা।ভাগ্যর নির্মম পরিহাসে ফেলানি আটকে গেল সীমান্তের কাটা তারের সাথে।ফেলানির সাথের লোকেরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ওপারে এসে পড়ে।কাটা তারের সাথে ঝুলে থাকা ফেলানিকে গুলি করতে কষ্ট হয়নি ভারতিয় বর্ডার র্গাড বাহিনি বি এস এফ র।

বি এস এফ ঠাস ঠাস গুলি করে মারল বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানিকে।গুলি করার পর কাটা তারের সাথে ঝুলে থাকা অবস্থায় মারা গেল ফেলানি।পানি পানি চিৎকার করার পর ও কপালে জোটেনি এক ফোটা পানি।এবাবেই মারা যায় ১৫ বছর বয়সি বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানি।আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই ফেলানি মরার পরে ভারত বাংলাদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে ভারতীয় এক সচিব বলেছে আমরা সীমান্তে আর বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা করব না।আমরা বাংলাদেশীরা মনে করেছিলাম ফেলানি কে মারার পর যদি বি এস এফ বাংলাদেশী নাগরিক মারা বন্ধ করে তাহলে বলব ফেলানি তুমি মরে ধন্য।কিন্তু ভারতীয়রা ফেলানিকে মারার পরে অনেক বাংলাদেশীদের মেরে ফেলেছে। এমনকি অনেকের লাশও ফেরত দেয়নি।

তাই বাংলাদেশ সরকারের উচিত প্রতি বছরের ৭ ই জানুয়ারি ফেলানি হত্যা দিবস ঘোষনা করে তা পালন করা।তাই আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাবো ৭ই জানুয়ারী ফেলানি হত্যা দিবস ঘোষনা করুন।আশা করি বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছরের ৭ ই জানুয়ারি ফেলানি হত্যা দিবস ঘোষনা করবে এবং তা পালন করবে।