ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

এ সরকারের আমলে গুম হওয়া মানুষের কিছু চিত্র

গত মঙ্গলবার বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম হয়। এখন পর্যন্ত সরকার তাকে খুজে বের করতে পারে নাই। কিন্তু এর মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের দিকে এই বিষয়ে ইঙ্গিত করেছে। তিনি বলেছে,গুমের রাজনীতি বিএনপি আগে শুরু করে।

কিন্তু শেখ হাসিনার কি মনে নেই ,১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দেশে রক্ষীবাহিনী দ্বারা তার বাবা মুজিব শাসন করেছে। সে সময় হাজার হাজার বিরোধী নেতা কর্মীকে গুম হত্যা করেছে। সে সময় সিরাজ সিকদার কে হত্যা করে তারা বিরোধী মত দমনের চেষ্টা করে। কিন্তু স্বাধীনতার ৪১বছর পরে এসে কিভাবে হাসিনা বলে বিএনপি গুমের রাজনীতি শুরু করে।

হাসিনার অবগতির জন্য আমি আরেকটু জানিয়ে রাখি,,,,যে সময় আপনার বাবা গুমের রাজনীতি শুরু সে সময় বিএনপির জন্ম হয় নাই। বিএনপির জন্ম আরও পরে। তাই হাসিনা আপা আপনার মুখে এ কথা মানায় না। বাংলার মানুষ আজ বোকা নাই। তারা আজ বুঝতে শিখে। আপনি বাংলার মানুষদের ভয় পেয়ে ডিসিসি নির্বাচন পিছিয়ে দিয়েছেন। তাই আবারও বলতে চাই খুব তাড়তাড়ি ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দিন।

এই মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে গুমের পর গুম হচ্ছে মানুষ। তারা প্রথমে রমনা থানা বিএনপি সভাপতি চৌধুরি আলমকে গুমের মাধ্যমে গুমের রাজনীতি শুরু করে । এরপর নানা মানুষ গুমের শিকার হতে থাকে। এর দায়ভার কেই শিকার করতে চায় না। বিবিসির এক জরিপে গত তিন মাসে ২২ জন মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এর দায়ভার কেউ শিকার করেনি। এদের মধ্যে অনেকের লাশ পাওয়া গেছে। আবার অনেকের লাশ পাওয়া যায়নি। গুমের শিকার হওয়া বেশীর ভাগ মানুষ জীবিত ফেরত আসে নাই। শুধু মাত্র মুফতি ফজলুল হক আমীনির ছেলেকে এই সরকার ফেরত দিয়েছিলো। আর কাউকে ফেরত দেয় নাই। গুমের সর্বশেষ শিকার বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী।

পাঠকগন আপনাদের কাছে একটি বিষয় খোলাসা করছি তা হল,,যেদিন রেলের কালো বিলাই পদত্যাগ করলো সেদিন ইলিয়াস আলীকে গুম করা হল। তার মানে জনগনের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ফেরানোর জন্য। আর প্রধানমন্ত্রী যে কথা বল্লেন তাতে এই নেতাকে খুজে বের করতে আন্তরিক মনে হয়নি তাকে। তাই আমরা সকলে চাই ইলিয়াস আলীকে রাষ্ট্র জীবিত অথবা মৃত হাজির করুক।