ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

সম্প্রতি ভারত সফরকালে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চি রোহিঙ্গাদেরকে ‘বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী’ বলে উল্লেখ করেন। শান্তিতে নোবেল বিজয়ীনি গণতন্ত্রপন্থী নেত্রীর মুখে এ কেমন অমানবিক এবং সাম্প্রদায়িক কথা?

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শত শত বছর ধরে বাস করছে। কিন্তু মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠী এবং শাসকশ্রেনী সংখালঘু রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব স্বীকার করছে না। বিভিন্ন সময় মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক এবং জাতিগত দাঙ্গায় নির্যাতিত হয়ে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছে।

মিয়ানমারের আসন্ন সাধারন নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে খুশি রেখে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার জন্য অং সান সু চি’ ও রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব স্বীকার করছেন না-যা তার শান্তির জন্য নোবেল প্রাইজ’কেই বিতর্কিত করেছে।

পক্ষান্তরে, রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দেবার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেদেশ সফররত শান্তির জন্য আরেক নোবেল প্রাইজ বিজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। আমরা চাই, মিয়ানমার সরকার সংখালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদেরকে স্বীকৃতি প্রদান করুক আর তাদের উপর সাম্প্রদায়িক নির্যাতন বন্ধ হোক। নতুবা নিজ দেশে পরবাসী রোহিঙ্গাদের উপর এমনি করে একের পর এক নির্যাতন চলতেই থাকবে- যা পুরোপুরি মানবতা বিরোধী।