ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তুবা গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানা তাজরিন ফ্যাশনসে গত শনিবার অন্তত ১১০ জন নিহত হন। একই দিনে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার থেকে তিনটি কংক্রিটের গার্ডার ভেঙে পড়ে।

খবরে প্রকাশ, আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড এবং চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার ভেঙে প্রাণহানির ঘটনায় মঙ্গলবার জাতীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শোকদিবসে নিহত শ্রমিক এবং পথচারীদের জন্য শোক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো ছাড়া আমাদের মত ম্যাংগোজনতার আর কিছুই করার নেই।

গার্মেন্টস শিল্পের মালিকদের জন্য শুভ কামনা এবং দোয়া রইল যেন তারা ব্যবসায় দ্রুত উন্নতি লাভ করে আর সামনের দিনগুলিতে এভাবে আগুনে পুড়ে আবার যদি হতভাগ্য শ্রমিক নিহত হয় তখন যেন তারা(মালিকরা) নিহত শ্রমিকদের পরিবারে জনপ্রতি ১ লাখ টাকা করে ক্ষতিপুরন দিতে পারেন।

এদেশের পোষাক কারখানার মালিকরা খুবই শক্তিশালী এবং বিত্তশালী। তাদের কারখানায় নিয়োজিত শত শত শ্রমিক মারা গেলেও তাদের কিছুই যায় আসেনা। তারা আইনের ধরা-ছোয়ার বাইরে থাকেন সবসময়। কারন, বাংলাদেশের সংসদে অনেক গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী আইন তৈরী করেন সাধারন মানুষের জন্য। সাধারন মানুষের প্রতিবাদ আর শ্রমিকদের আন্দোলনে তাদের কিছুই হয় না।
বাংলাদেশে শক্তিশালী এবং বিত্তশালীরা সবসময় ঈশ্বরের কৃপা লাভ করেন আর অসহায় হতভাগ্যরা আগুনে পুড়ে মরে…!