ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনির বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমিতে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ, টেন্ডারে পার্সেন্টজ আদায় এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন( দুদক)। (খবর আমাদের সময়) । এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এমপি রনি ও তার স্ত্রী মোসা. কামরুন্নাহার রুনুর নামে শেয়ারবাজারে বিও হিসাবের মাধ্যমে যে সব শেয়ার কেনা হয়েছে তার তথ্য এবং বর্তমানে তার বিও হিসাবে কোন কোন কোম্পানির কি পরিমাণ শেয়ার আছে এবং তার বর্তমান মূল্য কত তা দুদকের পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আহসান আলীর কাছে পাঠাতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসিতে) চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। দুদক কার্যালয় থেকে গত মাসের ৩১ তারিখে এসইসিকে ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। (চিঠির স্মারক নম্বর-দুদক/সাজেকা/পটুয়াখালী/২০১২/৮৫১)।

পরবর্তীতে গত ১৩ আগস্ট সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সেন্টা্রল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পরিচালক মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে গোলাম মওলা রনির শেয়ার, ডিবেঞ্চার, মিউচুয়াল ফান্ড, বন্ড বা অন্য কোনও ধরনের সিকিউরিটিজ থাকলে তার সম্পর্কে তথ্যা পাঠাতে বলা হয়। ওই চিঠির স্মারক নং-এসইসি/এসআরআই/২০০৭-১৩/১১৭৩ /খন্ড-১০/৪৫৫।

ওই চিঠির তথ্য জানতে ২৬ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে সকল সদস্যদের কাছে মনিটরিং, ইনভেষ্টিগেশন অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাদের সহকারি মহাব্যবস্থাপক রুহুল খালেক একটি চিঠি ইস্যু করেন। ওই চিঠিতে ডিএসইর সকল সদস্যদের গোলাম মওলা রনির শেয়ার, ডিবেঞ্চার, মিউচুয়াল ফান্ড, বন্ড বা অন্য কোনও ধরনের সিকিউরিটিজ থাকলে তার তথ্য ডিএসইকে জানাতে বলা হয়েছে। ওই চিঠির স্মারক নং-(ডিএসই/২০১২/সদস্য/ইনভে/৬২৭০)।