ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

মহাজোট সরকারের ভোট ব্যাংকে হানা দিতে বিরোধী দলের কার্যক্রম পরিচালনার কোনও দরকার নেই। বর্তমান সরকারের মুরব্বি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতই যথেষ্ট। ইতিমধ্যে কয়েক দফা মুহিত স্যারের বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সমালোচনার ঝড় উঠলেও সরকার নীরব। স্যারের বক্তব্যে বিরোধী দল নয় খোদ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-নেত্রীর মধ্যে রয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতা, মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতাকর্মীরা পর্যন্ত এখন ক্ষুব্ধ তার ওপর। বর্তমান সরকার আমলে বিগত সাড়ে তিন বছরে জাতীয় সংসদে ও নিজ মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীর নানা বক্তব্যে কেবল নেতাকর্মীরাই নন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিব্রত হয়েছেন। অর্থমন্ত্রী মহোদয় হল মার্কের ব্যাংক ডাকাতির বিষয়ে সামান্য দুর্নীতি উল্লেখ করেছিলেন। তিনি একজন সৎ মানুষ কিন্তু দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে এ ধরণের মন্তব্য দুর্নীতিকে উসকে দেওয়ার সামিল। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে নিঃসদের বিষয়ে তিনি ফটকাবাজ বলেছিলেন। আর গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, অল আর রাবিশ। এছাড়া নোবেল জয়ী ইউনুস স্যারের বিষয়ে খাম খেয়ালী বক্তব্য দিয়েছেন। তার মতো একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্যে সাধারণ ভোটারদের মনে কষ্ট দিয়েছে। মনে রাখা উচিৎ শুধু দলের ভোট নয়, সাধারণ মানুষের ভোটেই রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে। সাধারণ মানুষেরে যে ভোট ব্যাংক রয়েছে, অর্থমন্ত্রীর ওইসব বক্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগের ভোট কমবে বলে রাজনৈতিক ভাষ্যকররা মনে করেন। তাদের মতে, বিরোধী দলের কর্মসূচি নয়, মুহিত স্যারের বক্তব্যই ভোট ব্যাংক থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ!