ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি অনেক অমিমাংসিত বিষয়ের সমাধান করেছেন। এরমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধের বিচারসহ অনেক কাজ। কিন্তু নিজের দলের ছাত্র সংগঠনকে দমাতে পারছেন না। এতে আপনার অনেক সফলতার সমালোচনা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এতে সফলতা ঢাকা পড়ছে। আপনার ডিজিটালযুগের শাসনামলের চার বছরে ছাত্রলীগের হাতে ২৭ জন ছাত্র খুন হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিকরাও মার খাওয়া থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। অথচ শিা খাতে আপনার সরকারের আমলে সফলতা অনেক। জেএসসি, পিএসসির মতো পরীা আপনার সরকারই চালু করেছে। সারা দেশে আনন্দের সঙ্গে আমাদের বাচ্ছারা এসব পরীা দিচ্ছে। কিন্তু আপনার দলের ছাত্র সংগঠনের ছেলেরা নানা ধরণের অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। অনেক বাবাÑমার কোল খালি করে দিচ্ছে। তাদের দমান। তা না হলে মানুষ আপনাকে ভোটের মাধ্যমে জবাব দেবে।

এবার আসি আজকের এ লেখাটি কেন লিখতে বসলাম। আজ বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায়ের জন্য লিখব। কিন্তু প্রথম আলোর অন লাইনের একটি খবর আমার দৃষ্টি আকর্ষন করল। সেখান থেকেই এ লেখা। জানিনা, আপনার কাছে এ বার্তাটি পৌঁছাবে কি না।

আজ সোমবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের এক নেতার সামনে ধূমপান করায় স্থানীয় এক যুবককে মারধর করেছেন ওই সংগঠনের একাংশের নেতা-কর্মীরা। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ ঝুপড়িতে দায়িত্বরত পুলিশের সামনেই এ ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে স্থানীয় অধিবাসীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে বেলা একটা থেকে দুইটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ করে রাখে। খভর প্রথম আলো অন লাইন।

প্রত্যদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ক্যাম্পাসের পাশের ফতেপুর ইউনিয়নের ইয়াছির আরাফাত নামের এক যুবক তার বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়া বন্ধুর সঙ্গে কলা অনুষদ ঝুপড়ির দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় ধূমপান করতে দেখে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাকিব হোসেন তাদের বাধা দেন। একপর্যায়ে রাকিবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ১০-১২ জন কর্মী ইয়াছির আরাফাতকে মারধর করেন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মোস্তাফা সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান গিয়ে বিষয়টির সমাধান করেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার সোনার ছেলেদের অপকর্মে আপনার অনেক বড় সফলতা ঢাকা পড়ে যাবে। তাই দ্রুত তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিন। এতে ছাত্রলীগেরও সুনাম বাড়বে।