ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

তৃতীয় বাংলাদেশী এবং প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার। আমরা বাংলাদেশী হিসেবে এবং ব্লগারদের পক্ষ থেকে তোমাকে জানাই অভিনন্দন। তুমি এভারেস্টে আরোহণ করে বাংরাদেশের ভাবমূর্তি পৃথিবীর বুকে আরও উজ্জ্বল করেছ।

বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর বুকে মডেল হিসেবে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের রপ্তানি শিল্প গার্মেন্টস পণ্য বিশেষ অবদান রাখছে। আর এ শিল্পে কয়েক লাখ নারী প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শুধু শ্রমিক হিসেবেই নয় রয়েছেন উদ্যেক্তা হিসেবেও। এছাড়া দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী দুই জনই নারী।

উন্নত দেশগুলোর ধারণা ছিলো বাংলাদেশের নারীর অবস্থা হয়ত খুবই দুর্বল। কিন্তু বাংলাদেশের নারী আজ ঘর থেকে বের হয়েছেন। অবদান রাখছেন বিভিন্ন সেক্টরে। বিশেষ করে নিশাত মজুমদার তুমি এভারেস্টে আরোহণ করে আমাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছ। তোমার এভারেস্ট আরোহণের খবরে বিশ্বমিডিয়াতেও আলোচিত হয়েছে। তুমি বাংলাদেশী নারী হয়ে বিশ্বকে বার্তা দিলে বাংলাদেশী নারীর যোগ্যতা ও সম্ভাবনা সম্বন্ধে। তোমার এ বিজয়ে বাংলাদেশী আরও অনেক নারী ও পূরুষই অনুপ্রাণিত হবে বলে মনে হয়েছে। ইতিমধ্যে আরেকজন বাংলাদেশী নারী ওয়াসফিয়া নাজনীনও এভারেস্টে বিজয়ে নেমেছেন।

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ২০১০ সালে এভারেস্টে ওঠেন মুসা ইব্রাহীম। এরপর বাংলাদেশের মুহিতও উঠেছেন এভারেস্টে। নিশাত একই কাজ করে দেখালেন আনুমানিক দুই বছরের মাথায়। তোমায় কাছে আমরা বাংলাদেশী হিসেবে ঋণী। তুমি আরও এগিয়ে যাও। এই কামনা রইল……..