ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

কি হচ্ছে দেশের শেয়ারবাজারে। মনে হয় অভিভাবক নেই। খোদ দেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পুঁজিবাজার যৌক্তিক আচরণ করছে না। কেন করছে না তা খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিন। তা নাহলে বিনিয়োগকারীরা আরও তিগ্রস্ত হবে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় গত কয়েকদিনে বাজারে অব্যাহত দরপতন হচ্ছে। পরিচালকদের শেয়ার ধারণ নিয়ে বেশ কিছু দিন অস্থির ছিল পুঁজিবাজার। বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায়ের পর স্বাভাবিক হবে বাজার কিন্ত তার কোনও লন দেখা যাচ্ছে না। আপাতত পুঁজিবাজারে নেতিবাচক কোন খবর নেই। বাজেটে নেতিবাচক পদক্ষেপ থাকছে না, এমন গোপনীয় বিষয় আগেই ফাঁস করেছেন অর্থমন্ত্রী তার পরও অস্বাভাবিক আচরণ বাজারের শুভ নয় বলে জানিয়েছেন বিনিয়েগিকারীরা। গতকাল বিক্ষোভও করেছেন তারা। তাদের দাবী কোর্টের রায় পে যাওয়ার পরও বাজারে স্বাভাবিইত আসছে না। এর পেছনে কোন কারসাজি থাকলে তা বের করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।

পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক ধর্ম সূচকের উঠা-নামা থাকবে। কিন্তু আমাদের বাজারে এসব কি হচ্ছে। গত দুই বছর ধরে চলছে নানা ধরণের খেলা। শেয়ারবাজারে খেলা চলবে। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রনের জন্য রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জ ও সিকিাউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। কিন্তু কই কেউ কি তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে।

উল্লেখ্য,গত বছর দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য সমালোনার মুখে পড়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সরকারি দলের সংসদ সদস্যরাও তার সমলোচনায় মুখর হন। এরপর গত বছরের ১৯ জুন মুহিত এক সভায় বলেছিলেন, আমি এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। কারণ আমি কথা বললেই বাজার পড়ে।

তবে এসইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ ও অর্থমন্ত্রণালয় বাজারের অস্বাভাবিক আচরণের দায়ভার এড়াতে পারেন না। এজন্য আপনাদেরই পদপে নিতে হবে। তা না হলে আবারও বিনিয়োগকারীরা তিগ্রস্ত হবেন। এজন্য বিনিয়োগকারীদের দিক বিবেচনা করে মনিটরিং করুন, কোথায় মূল সমস্যা………………..