ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

সাংবাদিক জ ই মামুন আপনাকে স্যালুট। সাহসী বক্তব্য দেওয়ার জন্য আপনাকে স্যালুট। দেশ-বিদেশের সাংবাদিকদের পাশাপাশি সারা দেশের মানুষ যখন সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুণির হত্যার বিচারের দাবীতে সোচ্চার ঠিক সেই সময়ে বেসরকারি টেলিভিমন চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান লন্ডনে এক বক্তৃতায় বলেন, সাংবাদিক দম্পতি ‘সাগর-রুনি পরকীয়ার বলি’। তার এমন বক্তব্যে সারা দেশব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠেছে। একইসঙ্গে সব মহলের দাবী, তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেওয়ার।

এটিএন বাংলার বার্তা বিভাগের প্রধান জ ই মামুন বলেন, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডে নিয়ে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত বক্তব্য। তার এই বক্তব্য এটিএন বাংলায় কর্মরত সাংবাদিকদের বক্তব্য নয়। তিনি আরও বলেন, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের পর আমরা বার বার অনুরোধ করেছিলাম, যে মানুষ দুটো খুন হয়েছে তাদের চরিত্র হরণ হয় এমন কোনো বক্তব্য দেবেন না। কিন্তু এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা চরিত্রহরণের সামিল।

জ ই মামুন আপনার এই সাহসী বক্তব্যের জন্য আপনাকে স্যালুট—–স্যালুট—–স্যালুট। নিজ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের এমন চরিত্র হননের মতো বক্তব্যে ঘরে বসে না থেকে সাহসী বক্তব্যের জন্য শুধু আমি নই, সব সাংবাদিকই আপনার এমন বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন। আমরা সবাই চাই সাগর-রুণির হত্যার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক। কিন্তু মাহফুজুর রহমানের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ ভ্যক্তির কাছ থেকে এমন চরিত্র হননের মতো কুরুচি সম্পন্ন বক্তব্য আশা করিনি।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মাহফুজুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদে সমাবেশে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা জড়ো হয়েছিলো, তারা সবাই জ ই মামুনের বক্তব্যকে সাধৃবাদ জানিয়েছেন।

আমরা সাংবাদিকরা আর অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে চাইনা, আমরা ন্যায়ের পথে, সত্যের পথে, এ ন্যায় ও সত্যের পথে অগ্রসর হতে যে কোন ধরনের বাধা পেরিয়ে যেতে চাই। তাই জ ই মামুনের মতো সাহসী সাংবাদিকদের আজ বড়ই প্রয়োজন।