ক্যাটেগরিঃ মতামত-বিশ্লেষণ

আজকে ১০.১০ তারিখ । মানে আন্তর্জাতিক মৃত্যুদন্ড প্রতিরোধ দিবস। দিবসটার সাথে মিলে একটা অনন্য ঘটনা গত শুক্রবার আমাদের মুসলিম উম্মাহ সৌদি আরব ঘটিয়ে। এক সাথে ৮জন মানুষকে শিরচ্ছেদ করেসে। (বাংলাদেশি বললাম না, তারা আগে মানুষ তারপরে বাংলাদেশি)

আল কুরআনের সূরা মায়িদাহর ৩২ নং আয়াতে আছে, ” এ কারণেই আমি বনী-ইসলাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে।”

এখানে লক্ষ্যনীয় “যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। ” লাইনটিতে সরাসরি মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে বলা হয়েছে।
আর আমরা এখন দেখি ইসলামের তথাকথিত বাহক ও মুসলিম উম্মাহর কেন্দ্র সৌদি আরবে তলোয়ার দিয়ে মানুষের শির:চ্ছেদ করা হয়।

আপনি জানেন কি, সৌদি আরব আদৌ কোন ইসলামী প্রজাতন্ত্র নয় ? ইসলামে নিষিদ্ধ রাজতন্ত্র দ্বারা দেশটি পরিচালিত ? যে রাজতন্ত্র নিশ্চিহ্ন করার জন্যে নবীজীর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন কারবালা প্রান্তরে শাহাদাত বরন করেছিলেন।

নবীজীর দেয়া নাম ‌‌আল-হিজাজ’ নামটি পরিবর্তন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সৌদ পরিবার পুরো দেশের নাম তাদের পরিবারের নামে নামকরণ করেছে, যা ইসলামের দৃষ্টিতে নাজায়েজ ?
কি বিভৎস্য! ইসলামের ধারক বাহকেরা আজকে আল কুরআন মানে না???১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আমাদের মুসলিম উম্মাহ সৌদি আরব। তার আগে ইসলাম কই ছিল??সারা পৃথিবীর যেইখানে নির্যাতন বেশি সেই খানেই আজ ইসলাম বেচে আছে। বসনিয়া, ফিলিস্তিন দেখলেই বুঝা যায়।নবীজী (সা:) কি রাজতন্ত্রের সমর্থক ছিলেন????তার পরে তো খলিফা হন আবু বকর (রা:), নবীজীর পরিবারের সদস্য হযরত আলী (রা:) তো অনেক পড়ে খিলাফতে আসেন!!! তাইলে মুসলিম উম্মাহর সৌদি রাজতন্ত্র চালানোর ভিত্তি কই????নবীজীর মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর হাদীস সংগ্রহ হয় এবং ৩০০-৪০০ বছর পর ইসলামী আইন নামক কিছু নিয়ম নীতি প্রনয়ণ হয়। এত জিহাদ জিহাদ করে যারা, সেই সমর্থকদের প্রিয় জায়গা সৌদি আরবে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ৫ হাজারের অধিক মার্কিন সৈন্য ছিল। এখন আনঅফিসিয়ালি ১০০+ ইউএস বিমান সৌদি আরবে আছে। লিংকটা দেখেন (http://www.foxnews.com/story/0,2933,85446,00.html) । শেষের দিকে আছে, “সৌদি যুবরাজ ইরশাদ করেছেন::: ১৯৯১ সালের যুদ্ধের পর থেকে দুই ভাতৃপ্রতিম(!!) দেশের সহযোগিতা ইরাক যুদ্দের পরও চলতে থাকবে।” নীচের লিংকে আরব-সৌদি সর্ম্পকের একটা বিশ্ববিদ্যালয় থিসিস দেখতে পারেন। (http://www.news.cornell.edu/stories/April09/PrinceTurkiCover.gl.html )

সবার এটা জানা বাকি নয় যে বিন লাদেন ১৯৭৯ সালে সিআইএ ও পাকিস্তানের আইএসআই এর সরাসরি অর্থ নিয়া আফগানিস্তানে সোভিয়েত অগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। আমি বোকা তাই এখানে একটা প্রশ্ন জাগে “আফগানিস্তান তো শতাব্দী প্রাচীন কোন ইসলামি ঘাটি ছিল না। বরং সেখানে ৯ম শতক পর্যন্ত বৌদ্ধ সভ্যতার বিশাল চারন ক্ষেত্র ছিল। বিন লাদেন কি ইসলামের ভুমি রক্ষা করতে চাইছিলেন? জিহাদী তালেবানদের ঈমান নষ্টু হবে বলে ২০০১ সালে তার অনেক মুর্তি ধ্বংস করে। যে নবীজি মসজিদের নববীতে একদিকে নিজে নামাজ পড়তেন অন্যদিকে ইহুদিদের প্রার্থনা করার সুযোগ দেন , আর তার উম্মাতের এই অবস্থা!!!

১৯৮৮ সালে বিন লাদেন সিআইএর টাকা দিয়ে আইএসআই এর সামরিক প্রশিক্ষনে আল কায়েদা প্রতিষ্ঠা করে। এরা নাকি দুনিয়াতে ইসলাম রক্ষা করবে!! শেষ জামানায় ইসা নবী কি আল কায়েদার সদস্য হিসেবে আবির্ভূত হবেন?!ইসলামের প্রচার নিয়া যারা চিন্তিত তাদের একটা অপ্রয়োজনীয় তথ্য দেই। এই ইসলাম কে কারা নবীজি পরবর্তী যুগে বেশি ছড়াই দিছিল বলেন তো?!!! নবী (সা:) দৌহিত্র্যদের হত্যা কারী মুয়াবিয়ারাই তো পরে ইসলামের প্রচারে কান্ডারি ভূমিকা পালন করে। মুয়াবিয়া যে নবী (সা:) শ্যালক ছিলেন, এটা কত জন জানেন? তার শাসন আমলেই ইসলাম ইস্তাম্বুল পর্যন্ত বিচরন করে। তার ছেলে ইয়াজিদ তো কি করসে তা প্রায় সবাই জানে। হাজাজ বিন ইউসুফ কে অনেকে কুরআনে হরকত ব্যবহার করা শুরু করেন বলে অনেক ভাল বলে জানেন। কিন্তু ৮ম শতকে বাগদাদ নগরীকে ধ্বংস করেছিল জানেন? লিংকটা দেখুন (http://en.wikipedia.org/wiki/Al-Hajjaj_ibn_Yusuf ) । আমরা এত উম্মাহ উম্মাহ করি সেখানে সৌদি আরব ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় ইরাক যুদ্ধে তার ভূমি ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এটা কি ইসলামের বিরুদ্দে কিছু করা না????আবার ফিলিস্তিনকে সমর্থনের নামে আরবরা নিশ্চুপ। কেন?????

সৌদি নাকি ইসরাইলকে সাপোর্ট করে না। স্বীকৃতি দেয় না। কিন্তু টাইমসের গোপন প্রতিবেদন বলে ইরান আক্রমনের জন্য সৌদি তার আকাশ ইসরাইয়েলকে ব্যবহার করতে দিবে। জুন ২০১০ এর খবর। (http://www.timesonline.co.uk/tol/news/world/middle_east/article7148555.ece)

বর্তমানে সারা বিশ্বে আমেরিকার একটা চাপ আছে রাশিয়ার বিছিন্নতাবাদী মুসলিম অধ্যুষিত কসোভোকে স্বীকৃতি প্রদানের। বাংলাদেশ মুসলিম দেশ হয়েও এখনো সাপোর্ট করে নাই। আর সৌদি আরব আরব দেশেরে মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।( http://www.kosovothanksyou.com/news/?p=399)

উইকিলিকসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১০ সালে সৌদি বাদশা ইরানের পরমানু কেন্দ্র ধ্বংসের জন্য যুক্ত রাষ্ট্রকে আহ্বান করেন। ( http://articles.chicagotribune.com/2010-11-29/news/ct-edit-wiki-20101129_1_iran-s-arab-nuclear-program-diplomats) মিশরীয় স্বৈরাচার হুসনী মুবারককে সৌদি বাদশাহর সমর্থন ছিল।

আশা করি সবার মুসলিম উম্মাহর প্রতি একটা ছহি ধারনা হয়েছে!!এবার আসি আমাদের দেশের ভিতরে।

১৯৭১ এর পর সবাই যখন একে একে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিচ্ছিল তখন পাকিস্তান আর চীন আর সৌদি আরবের স্বীকৃতি সবার পরে ১৯৭৫ সালের আগষ্টের পর আসে। লিংকটা দেখেন। (http://www.bdsdf.org/forum/index.php?showtopic=3072) এখানে শেষে বলা আছে, সৌদি রাজের বিশ্বব্যাপী প্রচার ছিল ” হিন্দুবাদী ভারতের জন্য ১৯৭০ এর দশকের বৃহৎ মুসলিম দেশ পাকিস্তান দুভাগ হয়ে যায়। “”

সৌদিরা তথা মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানরা এত খারাপ যে প্রেসিডেন্ট জিয়া একবার তার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. শাহিদুজ্জামানকে বলেছিলেন “এত বদজ্জাত জাতির জন্যই আল্লাহ এত নবী রাসুল পাঠাইছে।”
আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব (!) নিজামী, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, মুজাহিদ, বাংলা ভাই, চরমোনাইয়ের পীর, জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ, মুফতি আমিনী আরও কত জন ইসলামি পন্ডিত বাংলাদেশে সৌদি পদ্ধতিতে ইসলামী শাসনের বাস্তবায়ন করতে চান!!তাদেরকে সমর্তন দিছেন আমাদের আরেক প্রাণপুরুষ হু মু এরশাদ। ১৯৭৭ সালের সংবিধানে মুসলিম উম্মাহর সমর্থনের কথা সংবিধানে যুক্ত করা হয়। ১৯৮৮ সাল থেকে আমরা জাতি হিসেবে মুসরমান। আমাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম।নবীজির সময়েতো রাষ্ট্র দর্ম ইসলাম বলে কিছু ছিল না।!

ইদানীং পত্রিকার পাতা কিংবা টিভির সংবাদে প্রায়শই যে সংবাদ টি আমাদের বিবেক কে কাদিয়ে যায়, আমাদের কে ভয় পাইয়ে দিয়ে যায় তা হলো ফতোয়া সন্ত্রাস।আর ঠিক সেই সময়ে যে খবর টি আমাদের অস্থির করে রাখে তা হলো এক দল দাড়ী-টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত হায়েনার মিছিল-সমাবেশ। এরা নাকি ইসলামি আইন ( ফতোয়া ) রক্ষার আন্দোলন করছে। সৌদি শাসনের অনুরুপ দেশ পরিচালনার আইন চালু করবে!!! এর মধ্যে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী দল জামায়াতে ইসলামী। নিবন্ধন পাবার জন্য যাদেরকে দলের নামও পরিবর্তন করতে হয়েছে। আগে ছিলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। আর এখন হয়েছে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী।

ধর্মভিত্তিক আরেকটি রাজনৈতিক দল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। চরমোনাই পীরের এই দলটি জন্মের পর থেকে এ যাবৎ ১৯৯৬ সালে ১টি এবং ৯১ সালে ১টি, মোট দুটি আসন পেয়েছিলো। অথচ দেশে চরমোনাই পীরের মুরিদ আছেন কয়েক লাখ। মুরিদরাও নিজের পীরের মার্কায় ভোট দেন না, এ এক বড় ট্র্যাজিডি। আরও বড় ট্র্যাজিডি হলো এই দলটি এখন আর নেই। বরং ইসলামি ঐক্যজোটের সঙ্গে মিশে গেছে।

চরমোনাই পীরের চেয়েও বড় পীর আটরশিতে আছেন। এই পীরের দলের নাম জাকের পার্টি। জাকের মানে যিনি জিকির করেন অর্থাৎ আল্লাহকে স্মরণ করেন। বাস্তবতা হলো, ভোটের সময় এই পীরের মুরিদরা আল্লাহর নাম স্মরণ করলেও তাদের পীরকে বা পীরের দলের প্রতীক গোলাপ ফুলকে স্মরণ করেন না। তারা ভোট দেন নৌকা বা ধানের শীষে। এটাও এক নির্মম বাস্তবতা। পীর সাহেবরা কেন যে তাদের মুরিদদের মাথায় ফুঁ দিয়ে তাদের প্রতীকে ভোট নিতে পারেন না, এটা একটা প্রশ্ন বটে।

প্রতি বছর আটরশির পীরের ওরসে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। কিন্তু নির্বাচনে তাদের ভোট প্রাপ্তির সংখ্যা খুবই নগণ্য। গত জাতীয় নির্বাচনে এই দলটি ৩৬টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলো। কিন্তু একটি আসনেও জেতেনি। সারা দেশে তারা ভোট পেয়েছে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ২৮৯ ভোট।একইভাবে গত নির্বাচনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ১৬৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একটি আসনও পায়নি।বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির আইনগত ভিত্তি রচনা করতে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের গণপরিষদ একটি সংবিধান গ্রহন করে। সেই সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী ( ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল ) এবং এরপর ৮ম সংশোধনীর ( ১৯৮৮ ) মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান কে মুসলমানী করন করা হয়।

বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থায় একমাত্র কওমি মাদ্রাসা সমুহে ইসলামী আইন বা ফতোয়া বিষয়ে পড়ার ব্যাবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের ১৫২৫০ টি কওমি মাদ্রাসার মধ্যে গুটি কয়েক মাদ্রাসায় এ সুযোগ বিদ্যমান। এ সকল মাদ্রাসার শিক্ষকগণ সময়পোযুগি নন,তাদের নেই কোন প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা,নেই কোন গবেষণা সুযোগ, প্রচলিত বিচার ব্যাবস্থা সম্পর্কে নেই কোন অভিজ্ঞতা। মাদ্রাসাগুলো থেকে বের হওয়া আলেমগণ সমাজে সম্মানিত, এরা ব্যাক্তি জীবনে মসজিদে ইমামতি, মাদ্রাসার শিক্ষক হিসাবে কাজ করে থাকেন। বাংলাদেশে ২৫০৩৯৯ টি মসজিদ রয়েছে, অর্থ্যাৎ ঠিক সম পরিমান ইমাম রয়েছেন। এই বিশাল সংখ্যক লোকজনকে নিয়া গোলাম আজমদের আগামী জাতীয় সংসদে দেখা গেলে এদেশে মুসরিম উম্মাহ সৌদি আরবের মত শিরোচ্ছেদ করা হতে পারে। খালেদা কিছুদিন আগে সৌদি গেলেন। সেই শিরচ্ছেদ করা শ্রমিকদের জন্য কিছু করেছেন??হাসিনা জাতিসংঘে ঘুরে আসলেন! কিছু হইল!! সাউথ সাউথ পুরষ্কার নিয়া বিজয় স্মরনীর মোর ঢেকে দিছে তথ্য মন্ত্রণালয়। অথচ এই শ্রমিকের এই ঘটনা ২০০৭ সালের!!

নীচের লিংকটা দেখুন (http://www.gulf-times.com/site/topics/article.asp?cu_no=2&item_no=462796&version=1&template_id=44&parent_id=24)। সেখানে বলা হয়েছে সৌদি ইতিহাসে নাকি ইহা সর্বোচ্চ সংখ্যক শিরোচ্ছেদ। এবং তা নাকি পাবলিকলি করা হয়েছে। শুক্রবারে করা হইছে, তাইলে তারা বেহেশতে যাবে?!সর্বশেষ ফারুক ওয়াসিফ ভাইয়ের একটা ব্লগের লিখা দিয়া শেষ করি।”বাংলাদেশ যদি স্বাধীন হতো তাহলে সৌদিরা আমাদের জবাই করতে পারতো না, ভারত আমাদের ভেতরে ঢুকে মানুষ ধরে নিতে পারতো না, মিয়ানমার সমুদ্র দখল করার সাহস করতো না, আমেরিকানরা ফোর্ট উইলিয়াম বসিয়ে রাজনীতি চালাতো না, কেবলই লাশ পড়তো না আমাদের, নিখোঁজ হতো না অনেক মানুষ, আমাদের নামেই পাহাড়ি মানুষদের ওপর চলতো সেনাজুলুম। জাতীয় সব সম্পদ বেহাত হতো না। রাষ্ট্র নাই নৈরাষ্ট্র আছে, আমরা তার নৈ-নাগরিক। চারদিকে বাঘের থাবা, ষোল কোটি মানুষ বাঁচবে কীভাবে?”

(লেখাটা বর্বর আরবদের বর্বরতার বিপক্ষে লেখা)(ভিডিও লিংকটা দেখবেন? মানুষের মাথা কত সুন্দর করে সৃস্টিকর্তা ব্যতীত শরীর থেকে আলাদা হতে পারে তার নমুনা দেখুন:

http://www.youtube.com/watch?v=lKyU6dqrbWE&feature=player_embedded )

(লেখাটাতে ইসলাম ধর্ম বা কোন ধর্মকে নিয়ে কোন ধরনের প্রশংসা বা সমালোচনা করা হয় নাই। শুধু আর্ন্তজাতিক প্রেক্ষিতে একটি দেশের কৃষ্টি তুলে ধরা হয়েছে।)

***
মূল লিংক