ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাংলাদেশ আজ দুনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে নিঃসংগ দেশ। আমেরিকা, বিশ্বব্যাংক, আএমএফ, এডিবি ,ইউএনডিপি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ভারত সহ অনেক দেশ এই সরকারকে ক্ষমতায় আনার জন্য পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিল। এখন তাদের অনেকেই সরকারের কর্মকাণ্ডকে সংশোধনের প্রচেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে বিমুখ হয়ে গেছে , শুধু মাত্র ভারত এখন এই সরকারের পাশে আছে।

এই সংসদে কোন বিল উঠা মাত্রই তাহা পাশ হয়ে যায় ,এর অর্থ সরকারের ভিতর স্বাধীন কন্ঠশ্বর লোক নেই । এই সরকারের পা চাটা ভারত নীতির কারনে এদের সংগে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশই প্রতিদিন সেই দেশে কর্মরত শ্রমিকদেরকে ফেরত পাঠাচ্ছে ,তাতেও সরকার কোন বড় ভুমিকা নিচ্ছেনা।

শেখ হাসিনা অনেক হম্বিতম্বি করছেন যে ভবিষ্যতে আর যাতে কোনো অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় না আসতে পারে তার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যাবস্থা বাতিল করেছেন।

দেশের প্রায় সব সেক্টরেই আওয়ামী নেতাকর্মীরা লুট-পাট করছে ,সরকার চাইলেই সেটা চাপা দিতে পারতো, কিন্তু বাধ সাধল বিশ্বব্যাংক। প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের কোম্পানি ও দুই সচিব পদ্মা সেতুর নির্মান প্রক্রিয়ায় বিশাল দুর্নিতির প্রমান সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে। তারা সরকারকে বলল এই ৩ জনকে না সরালে পদ্মা সেতুতে কোন টাকা দিবে না। সংগে সংগে এডিবি, জাইকা,আইডিবি ও একযোগে সরকারকে জানিয়ে দিল একই কথা। সরকার বিশ্ব ব্যাংকের সেই কথা না মানাতে ,বিশ্ব ব্যাংক সহ এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক টাকা দেওয়ার চুক্তি বাতিল করেছে।

এই ঘটনায় সারা দুনিয়াতে বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে হৈছে পড়ে গেল। আশ্চর্যের বিষয় হলো যেই দিন বিশ্ব ব্যাংক তাদের সিদ্ধান্ত জানালো সেই দিন শেখ হাসিনা বলেছেন যে আওয়াল লীগ ক্ষমতায় এলেই কেবল দেশের উন্নতি হয় , আর বিএনপি এলে দুর্নীতি বাড়ে।