ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

সচিবালয় আজই অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বললেন পদ্মা সেতুর নামে কাউকে এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়নি চাদা উত্তোলনের কাজে । যে বা যারা পদ্মা সেতুর নামে পদ্মা সেতুর নামে টাকা উঠাচ্ছেন এরা চাঁদাবাজ , এদেরকে পিটানো দরকার বলে অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন । গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পদ্মা সেতুর নামে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ চাদা উত্তল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য এম আব্দুস সোবাহান । তিনি ৫০০ টাকা দিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা করলেন এবং ছাত্রলীগ কর্মিরা মিছিল বের করেছেন , শ্লোগান ছিল আমরাই পদ্মা সেতু নির্মান করব । সারাদিন সাধারন ছাত্র, শিক্ষক , কর্মচারী সহ সকলের কাছে তালাবন্ধ বাক্স নিয়ে চাদা উঠাইয়াছেন । সন্ধ্যায় সেই উত্তোলিত টাকা নিয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সংঘর্ষে লিপ্ত হন ।

অর্থমন্ত্রীর বললেন এরা চাঁদাবাজ , এদেরকে পিটানো দরকার বক্তব্য , অর্থমন্ত্রী যদি আন্তরিকতা থেকে এমন কথা বলে থাকেন তবে আমরা দেশবাসী অপেক্ষায় থাকলাম ঐ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সরকার কি ধরনের ব্যাবস্থা নেন । এখানে তো চাঁদাবাজদের গোয়েন্দা দিয়ে চিহ্নিত করার প্রয়োজন নেই , এরা পরিচিত ,এদের নাম , পদবী ,অবস্থান সব কিছুই আপনাদের জানা আছে । আপনারা এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নিবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি , কারন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী যথেষ্ট অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যাক্তি। মনগড়া কোন বক্তব্য অবশ্যই দেন না বলে আমরা আশা করি ।

নইলে আমরা দেশবাসী কিন্তু বুঝে নিব যে লন্ডনের মাহফুজুর রহমানের বক্তব্যর পরেও সরকার তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়নি , অর্থ মাহফুজুর রহমান যাহা বলেছে তাহা সত্য । প্রধানমন্ত্রীকে বাচাল বলল ,আর সরকার তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা না নেওয়াটা কিন্তু প্রমান করে মাহফুজুর রহমানের বক্তব্য সত্য। আর রাজশাহীর চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যদি সরকার কোন ব্যাবস্থা না নেন তবে বুঝবো সরকারের অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ঠিক না ।