ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

হাজার হাজার কথার জন্ম দিলেন জনাব আবুল হোসেন মন্ত্রী সাহেব । বিতর্কিত করলেন নিজের দলের প্রধানকে-আবুল হোসেনের পক্ষে সাফাই গাইয়া নির্দোষ প্রমান করার কারনে, বিতর্কিত করলেন দলের সিনিয়র নেতাদেরকে -ওনারাও আবুল সাহেব দুর্নীতির করিনি এমন বিতর্কের জন্ম দেওয়ার কারনে,বিতর্কিত করলেন বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে- দুর্নীতির প্রমান পেশ করার পরেও দুর্নীতি কারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ার কারনে । আমরা আজ যদি বলি আবুল সাহেব দুর্নীতিগ্রস্ত ,তবে সরাসরি এমন বলাটা ভুল হবে ,কারন ওনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির যেই অভিযোগ উত্থাপন করা হইয়াছে সেটা শুধুমাত্র বিদেশ থেকে , আমাদের দেশের একটা স্বাধীন আইন- কানুন এবং বিচার ব্যাবস্থা আছে সেটার আলোকে তো আজও আবুল সাহেব দুর্নীতিগ্রস্ত প্রমাণিত হয়নি, সুতরাং ওনাকে এখনই দুর্নীতিগ্রস্ত বলতে পারিনা। তদন্ত সাপেক্ষে সবকিছু পরিষ্কার হবে ।

একটা নিউজের হেড লাইনে লিখেছে যে তথ্যও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেছেন ? অন্য আর একটা নিউজের হেড লাইন করেছে , মন্ত্রী সভার বৈঠকে আবুল হোসেন উপস্থিত হয়নি, কারন হিসেবে বলেছেন উনি সম্ভবত পদত্যাগ করেছেন । আরো অনেক রকম কথা বিভিন্নভাবে আসছে । আসল কথা যাহাই আসুক ,ঘটনা যদি এমন হয়েই থাকে তবে আর আগে কেন আমাদেরকে মুক্তি দিলেন না? আপনার পদত্যাগেই তো ছিল আমাদের মুক্তি । আপনি মন্ত্রী হয়েছেন ভাল কথা আমাদের কোন আপত্তি নাই , আপনি এই পদ না নিলেও কেউ কেউ না এই পদটি নিত, কিন্তু আমাদের প্রশ্ন হল আপনাকে ঘিরে দেশের ভিতর বিরোধীদলের যেমন আপত্তি ছিল ,আপনার দলেরও আপত্তি ছিল । অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের তো পুরা আপত্তি ছিল আপনার ব্যাপারে । সেই তখন যদি আপনি পদত্যাগ করতেন তবে আমাদেরকে দেশের ভিতর এত কাদা ছোঁড়াছুড়ি করতে হত না । নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার কথা বলে চাদা উত্তলন করার কারনে রাজশাহীতে যেই ছাত্রটি নিহত হল তার ক্ষতি পুরন কি আপনি দিতে পারবেন? এখন কোন ভাষা কি আপনার কাছে আছে যে নিহতর মা-বাবা আপনার সেই কথার কারনে সন্তানহারা সেই শোক ভুলতে পারবে ? জবাব হল, নিশ্চয় পারবেন না ।

যাক বাবা বাচা গেল দেরীতে হলেও , দেশ কলংকিত হওয়ার পরে হলেও যে আমাদেরকে মুক্ত করলেন এটাই আমাদের বড় বিজয়। আপনি সুখি থাকুন আবুল ভাই আর সময়ের অপেক্ষায় থাকুন