ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা


হাই স্কুল লেভেলে পদার্থ বিজ্ঞানের টেক্সট বইতে পড়েছিলাম আমাদের চোখ কিভাবে দেখে তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। লিখা ছিল, আমাদের রেটিনায় বস্তুর যে ছাপটি পড়ে তা সংক্রান্ত তথ্য স্নায়ু দিয়ে মস্তিষ্কে যায়। এখানে উল্লেখ্য যে, এ ছাপটি আকারে অনেক ছোট এবং ছাপটি উল্টোভাবে রেটিনায় পড়ে। কোনোকিছুকে চোখের সামনে দৃশ্যমান করে তোলার জন্য মস্তিষ্ক অনেক কাজের সাথে আরও দুটি কাজ করে: (ক) রেটিনার ছবিটিকে উল্টানো, যেন দু’বার (একবার রেটিনায় ও একবার মস্তিষ্কে) উল্টানোর ফলে দৃশ্যটি ‘ভাও’ হয়, এবং (খ) বস্তুর প্রকৃত আকারে দৃশ্যটির পরিবর্ধন (ম্যাগনিফিকেশন) ঘটানো, যেন বস্তুটিকে তার নিজস্ব আকৃতিতে দেখা যায়।

এই (খ) এর ব্যাপারটি আমার কাছে দুর্বোধ্য। আমি তো চোখ মেলে সবসময় বস্তুটিকে ‘ম্যাগনিফাইড’ অবস্থায় দেখি—তথাকথিত ‘প্রকৃত’ আকারে বস্তুকে কখনোই তো দেখি না। তাহলে বিজ্ঞানীরা কেমন করে নিশ্চিত হলেন যে, এখানে ম্যাগনিফিকেশন ফ্যাক্টরের মান ১ (এক)? (বস্তুর দৃষ্ট আকার ও প্রকৃত আকারের অনুপাত বিবেচনায়।)

বিজ্ঞানীরা কি তবে চোখ সন্ন্যাসীদের মত বুজে বস্তুর প্রকৃত ‘আকার’ দেখতে পান!

n

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচী