ক্যাটেগরিঃ ভ্রমণ

 

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিজবেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন অবতরণ করলাম তখন একটি নতুন দেশ দেখার আগ্রহ যেমন চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল তেমনই ভাইকে দেখতে পাওয়ার সুযোগটির জন্যও মনটি উতলা হয়ে উঠেছিল। ছোটভাই দেশ ছেড়ে সপরিবারে এদেশে মাইগ্রেট করেছে প্রায় আট বছর।

ভিসা নেয়ার সময় সাক্ষাতকার দিতে হয়েছে এবং ‘দেশে সম্পদ কী পরিমাণ আছে’ প্রশ্নটির মুখোমুখি হতে হয়েছে। অস্ট্রেলীয়রা সম্ভবত মনে করে থাকেন, দেশে তেমন বিত্ত না থাকলে তাদের দেশে গিয়ে আমরা বুঝি আর ফিরবো না। সন্দেহ হয়তো অমূলক নয়—তবুও কোথায় যেন একটু আঁতে ঘা অনুভব করেছিলাম। হেসে উত্তর দিয়েছিলাম, আমার কোন বিত্ত-সম্পদ নেই, আমার বাবা যা রেখে গিয়েছেন তা আমার মায়ের মালিকানায় এবং মা এখনও বেঁচে আছেন; চাকুরী করে কোন জায়গা-জমিন কিনতে পারিনি। তবে এতে ভিসা পেতে সমস্যা হয়নি। ভিসা কর্মকর্ত্রী জোড়া দেয়া ও ভিসা ভরা তিনটে পাসপোর্ট ঘেঁটে জিজ্ঞেস করলেন, এতবার বিদেশ গিয়েছ—সবই কি দফতরের কাজে? আমি কাজের কথা ছেড়ে সরাসরি বললাম, একবার ছাড়া অন্য সবগুলিই অফিসের দেয়া অর্থে।

এখানকার কাস্টমস বেজায় খুঁতখুঁতে। ফলমূল, চিড়া-মুড়ি, হলুদ-মরিচ তো বটেই, টের পেলে কাদামাখা জুতোটাও তারা রেখে দেয়। ওষুধ সাথে থাকায় ডিক্লারেশন ফরমে প্রথম দফাটিতেই ‘হ্যাঁ’ ঘরে ক্রসচিহ্ন দিয়েছিলাম। প্রথম দফাটিতে কেবল সম্ভাব্য নিষিদ্ধ ওষুধই নয়, নানা রকমের মাদক ইত্যাদি হরেক দ্রব্য জুড়ে দেয়া হয়েছে, যাদের বেশীর ভাগই সাথে রাখা সম্মানজনক নয়। অস্ট্রেলীয়রা প্রতারণার চেষ্টাকে খুবই মন্দ চোখে দেখে ও ডিক্লারেশন ফরমে কোনকিছু গোপন করার চেষ্টা ধরে ফেলতে পারলে বড় রকমের জরিমানা করে বসে—কাজেই ঝুঁকি নেয়ার কোন মানে হয় না। তারাও বেশ সোজা-সাপ্টা; কোনকিছুর বেআইনি হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে না পারলে ‘হ্যাঁ’ ঘরে ক্রসচিহ্ন দিন—এমন সরল উপদেশটিও সেখানে দেয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন কর্মকর্ত্রী কারণ জিজ্ঞেস করলে ওষুধের কথা বললাম। তিনি নানা অশ্রাব্য শব্দগুলোর মধ্য থেকে ‘মেডিসিন’য়ের নীচে দাগ দিয়ে ‘না’ ঘরে একটি মোটা দাগের ক্রসচিহ্ন এঁকে দিলেন।

অস্ট্রেলীয়দের একটি বিষয় প্রথমেই নজরে পড়লো। কি ইমিগ্রেশন, কি কাস্টমস অথবা কি শপ-কিপার—সকলেই স্পষ্ট, দীর্ঘ ও সহাস্য সম্ভাষণ করেছে। এখানকার ইংরেজিতে একটি ‘আয় আয়’ প্লাবন রয়েছে—‘ডে’ এখানে ‘ডায়’ ইত্যাদি। সাক্ষাতের সূচনায় বা বিদায়কালে তাদের কণ্ঠে এই ‘আয় আয়’ ভরা কথায় যে আন্তরিকতার স্পর্শ পাওয়া যায় তাতে মনে হয় আমি যেন তাদের কতদিনের চেনা, কতই না আপন। ইউরোপ বা কানাডাতেও কালো ত্বকের মানুষের প্রতি এতো অমায়িকতা কানে পড়েনি। তবে ১৯০০ সালের বর্ণবাদী ‘সাদা অস্ট্রেলিয়া’ নীতির প্রভাব এখনও কিছু মানুষের মধ্যে রয়ে গিয়েছে এবং চাকুরী ইত্যাদির ক্ষেত্রে অলিখিত বৈষম্য লালন করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ অভিবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া যায় না এমন নয়। সে যাই হোক, অস্ট্রেলীয়রা অত্যন্ত অমায়িক, সুভাষী, আন্তরিক এবং সর্বোপরি রসিক—এমন ধারণা নিয়েই আমাকে ফিরতে হয়েছে।

ব্রিজবেনে এখন শীত। আবহাওয়া খুবই সুন্দর। আধুনিক শহর। কিন্তু রাত আটটা-নটার মধ্যেই লোকজনের ঘরে ফেরা সারা। এরপর নিরিবিলি শহর। এখানকার ডলারের মান মার্কিন ডলারের চেয়ে সামান্য কম। কিন্তু ব্যাংকে বা মুদ্রা-বিনিময় দোকানে ডলার ভাঙাতে গিয়ে আমরা হাজারে মাত্র নয়শ চল্লিশ অস্ট্রেলীয় ডলার পেয়েছি—নানা রকমের ট্যাক্স/চার্জ এর কারণ। শুনেছি শহরটিতে এমন অল্প কিছু দোকানও রয়েছে যেখানে বিনিময় হার প্রায় সমান সমান; কিন্তু নতুনদের পক্ষে এগুলোকে খুঁজে পাওয়া সহজ নয়। অস্ট্রেলিয়াতে থাকা-খাওয়ার খরচও অনেক বেশী। ক্রেডিট কার্ড একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হয়ে দাঁড়াচ্ছে—এটি ব্রিজবেনে বুঝতে পেরেছি। ফেরার পথে জিএসটি’র টাকা কাগজের নোটে দিল না; নিজের ক্রেডিট কার্ড না থাকায় সহকর্মীর কার্ডে তা নিতে হলো।

ব্রিজবেনের যেখানে আমরা থেকেছি তার কাছেই একটি নদী রয়েছে। এক বিকেলে নৌবিহারে গেলাম। একটি প্রতিষ্ঠানের নৌযানগুলো কোন রকম পয়সা ছাড়াই যাত্রী নিয়ে নদীতে ঘুরে বেড়ায়, অন্যগুলো টাকা নেয়। আমরা বিনে পয়সার একটিতে উঠে গেলাম। এক যুবা বয়সী যাত্রী কথা বলার ছুতা খুঁজছেন—বুঝতে কষ্ট হলো না। কথায় কথায় জানা গেল তিনি নিউজিল্যান্ডার। প্রথমেই তিনি জিজ্ঞেস করে বসলেন, আমাদের দেশের আইন-কানুন কিরকম। তার মতিগতি পরে বুঝলেও শুরুতে আঁচ করতে পারিনি। আমাদের আইন-কানুন তো ব্রিটিশ আইন-কানুন, উপনিবেশ আমলের, যা নিয়ে এখনকার স্বাধীন দেশে বেশ বিতর্ক রয়েছে। একথা তাকে বললে তিনি কিছুটা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। তারপর হঠাৎ বলে বসলেন, তোমাদের নাকি হাজার হাজার ভগবান? এতে আমি আমাদের মুসলিম হবার কথা বললে তিনি আবার আইন-কানুনের কথা পেরে বসলেন ও সাথে জুড়ে দিলেন আমরা মেয়েদেরকে কেন চাবুক মেরে হত্যা করি—এই জিজ্ঞাসা।

আমার প্রথমে ধারণা হয়েছিল তিনি বুঝি নাস্তিক গোছের কেউ, কিন্তু ক্রমেই পরিষ্কার হয়ে গেল তিনি একজন কট্টর খ্রিস্টান ও ধর্মপ্রচারের সাথে তার সম্পর্ক রয়েছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় এই ঘটনা ঘটে, বাংলাদেশে, আফগানিস্তানে? তিনি এর কোন উত্তর দিলেন না। অর্থাৎ তিনি কেবল অভিযোগটিই জানেন, স্থান সম্বন্ধে তার কোন ধারণা নেই। এরই মধ্যে তিনি আমাদের বিরুদ্ধে পুরনো কালের ‘নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতা’ আধুনিক কালেও অনুসরণের অভিযোগ করে বসলেন। আমাদের পাশেই ছিলেন একজন টিনএজার শ্বেতাঙ্গ নারী। আমার কিছু বুঝে উঠার আগেই তিনি ভদ্রলোকের কথার তীব্র প্রতিবাদ করে বসলেন। তার কথা, তুমি এভাবে জেনারালাইজ করতে পার না, এটা ভারী অন্যায়। তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক, বেড়াতে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ায়। অন্য পুরুষ সহযাত্রীরা কেউ মুখ খুলেননি।

বিদেশের মাটিতে আমি সবসময় লক্ষ করেছি, মেয়েরা অত্যন্ত সহযোগিতা পরায়ণ। ব্যাংককে একবার এক ছেলেকে পথ জিজ্ঞেস করেছিলাম। ছেলেটি কিছু বুঝলেন না, বুঝতেও চাইলেন না। কিন্তু দোকানের ভেতর থেকে এক মেয়ে দৌড়ে বের হয়ে গন্তব্যস্থল জানতে চাইলেন এবং শুনে আমাদেরকে নিয়ে গেলেন মূল সড়কে এবং একটি বাসে তুলে দিয়ে কন্ডাক্টরের সাথে কথা বললেন। তারপর আমাদেরকে ভাড়ার পরিমাণটি জানাতেও ভুললেন না। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে তাকে বেশ হাঁটতে হয়েছিল ও বেশ সময় ব্যয় করতে হয়েছিল। প্যারিসের মেয়েদের, সিঙ্গাপুরের মেয়েদের বা কোরিয়ার মেয়েদের সম্বন্ধেও আমার এরকম ধারণাই হয়েছে। অস্ট্রেলিয়াও ব্যতিক্রম নয়। ক্রেডিট কার্ডে বিল পরিশোধ করতে গিয়ে আমাদেরকে হোটেলে বিপত্তিতে পড়তে হয়েছিল। প্রথমে হাজার ডলারের পেমেন্ট সফল হয়নি, পরে ছয়শ করা গিয়েছিল। কিন্তু আমার সহকর্মী ঠিকই মেইল পেলেন সেই হাজার ডলারের ট্রানসেকশন সম্বন্ধে। এটি নিয়ে হোটেলের পুরুষ কর্মীটির সাথে কথা বলে কোন সহানুভূতিপূর্ণ আচরণ পাইনি, কিন্তু নারী কর্মীটি ঠিকই সময় নিয়ে আমদেরকে আশ্বস্ত করলেন যে, যদি এমন হয়ে থাকে তবে টাকাটি সাতদিনের মধ্যেই তোমার জন্য আবার ছেড়ে দেয়া হবে। হাজার হোক, হাজার ডলার বলে কথা! আমাদের দুশ্চিন্তাটিকে নারীই ভালভাবে অনুভব করেছিলেন।

ব্রিজবেন শহরের নদীর পার সুন্দর করে সাজানো, স্থানে স্থানে চেয়ার বসিয়ে রেখেছে। এমন জায়গায় বসে থাকলে ব্যর্থ প্রেমিকের মনের গভীর দাগও শুকোতে বেশিক্ষণ লাগার কথা নয়। নৌযানটির চালক আমাদেরকে একটি টার্মিনালে নামিয়ে দিলেন ও পরে আরেকটি ফেরিতে উঠতে বললেন। নেমে দেখি একজন বসে আছেন একটি চেয়ারে। চোখাচোখি হতেই বললাম, তোমাদের দেশটি খুবই সুন্দর। এতে তিনি পরিতৃপ্তির সাথে মন্তব্য করলেন, এ-ই আমার দেশ। শুধু সুরে নয়, ‘আওয়ার’ শব্দের বদলে ‘মাই’ শব্দে তিনি যে সম্পর্কের প্রকাশটি ঘটালেন তা আমার মন ছুঁয়ে গেল। কোথায় যাবে? তার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, তাই তো! কোথায় যাব? যেখান থেকে ফেরিতে উঠেছিলাম তার নাম তো জানিনে! ভদ্রলোক রসিক। বললেন, তুমি এখান থেকে সাঁতরে যাওয়ার চেষ্টা করে দেখতে পার, যখন চেনা জায়গাটি আসবে তখন উঠে পড়তে পারবে। আমিও-বা কম যাই কেন! বললাম, আমি নদীর দেশের ছেলে, আমরা সাঁতার শিখি হাঁটতে শেখার আগে। কিন্তু তোমাদের পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে না তো? এবার তিনি বিকল্প ফন্দির কথা তুললেন, তুমি একটি বোট চুরি করে সেটি ব্যবহার করে দেখতে পার। এবার আমার মনটা দুঃখে ভরে গেল, আমি চুপ করে থাকলাম। কিছু বুঝতে না পেরে ভদ্রলোকও খানিকটা দমে গেলেন, বললেন, তুমি কি কষ্ট পেলে?

আটদিনের মধ্যে আমরা শনিবারের ছুটি পাইনি, পেয়েছিলাম কেবল রবিবারের। শনিবার বিকেলে তাই উড়াল দিলাম ছোট ভাইয়ের উদ্দেশ্যে, মেলবোর্নে। আমরা দুজন যে সারিতে বসেছিলাম তার পেছনের সারিতেই পাওয়া গেল দুই মাতালকে। দুঘন্টার যাত্রার একঘন্টাই গেল সেই মাতালদের উৎপাতে। কিছুই দেখছি না, কিছুই শুনছি না—এমন ভাব করে আমরা সময় কাটাতে থাকলাম। আশপাশের কেউই কিছু বলছে না, সবাই চুপচাপ—শুধু দুই মাতালের বিরক্তিকর, অপমানকর কথার চিৎকার। কেবিন ক্রুদের একজন ছিলেন বেশ সুদর্শনা নারী। তিনি কিছুক্ষণ পরপর এসে তাদের সাথে কথা বলে যাত্রার সময় পার করতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু কাঁহা তক কথা বলা যায়; তার তো আরও অনেক কাজ আছে। ফলে আমাদের আর নিস্তার পাওয়া হয়ে উঠছিল না।

ঘন্টাখানেক কোনরকমে এভাবে কেটেছে। এরই মধ্যে সেই বিমানবালা এসে আমাদের পাশে হাজির। জিজ্ঞেস করলেন আমাদের কোন প্রয়োজন আছে কিনা। আমি ও আমার সহকর্মী, দুজনই কিছুটা অবাক হয়ে পড়েছিলাম। তিনি এবার খুলে বললেন, তুমি কেবিন ক্র-কে কল করে উপরের বোতামটি চাপনি? আমাদের সাফ উত্তর, না। এবার তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে দুই মাতালকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা করেছ? তাদেরও সরল-সাফ উত্তর, না। এবার আমাদের ক্ষেপে যাওয়ার পালা। বিরক্তি ও রাগে ক্রু-কে জানালাম আমরা আর এখানে থাকতে চাই না, অন্য কোন সিট খালি থাকলে আমরা এখান থেকে সরে যাব। এতে তিনি আমাদেরকে পেছনে নিয়ে গেলেন। আমিও সমস্ত রাগ হ্যান্ডলাগেজ বিনের উপর ঝেড়ে লাগেজ নিয়ে রওয়ানা দিলাম। মাতাল দুটি এবার দুঃখের সুরে “হেই গাইজ, হেই গাইজ” বলে হৈ হৈ করে উঠল মাত্র।

ব্যাপারটা আমার কাছে যতটা অস্বস্তিকর, অস্বাভাবিক ও কষ্টদায়ক অনুভূত হয়েছে, অস্ট্রেলীয়দের কাছে কিন্তু তা ততটা নয়। দেশে তো নয়ই, এমনকি বিদেশেও আমি এর আগে এমন পরিস্থিতিতে পড়িনি। মাঝে মাঝে মনে ভয়েরও উদ্রেক হয়েছিল—মাতলামির বশে না জানি আর কী করে। নিরাপদ স্থানে আমাদের অন্তরিত হবার পর ‘তারা কি তোমাদেরকে মন্দ কিছু বলেছে’—বিমানবালার এই প্রশ্নের উত্তরে আমার মুখ নিঃসৃত ‘ফিয়ার’, ‘টেরর’, ‘টোটালি ইনসিকিওর্ড’ ইত্যাদি পশ্চিমা শব্দের বন্যার কবলে পড়ে তিনি কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। ভাইকে যখন ঘটনাটি খুলে বলেছিলাম তখন সে-ও তেমন রিয়েক্ট করেনি। তার কাছ থেকে যা জানলাম তা হলো, মাদকাসক্তি এদেশে একটি বড় সামাজিক সমস্যা। পুলিশও তেমন কিছু বলতে পারে না। এখানকার রাজস্বের একটি বড় অংশ আসে আঙ্গুর চাষ থেকে, যার আশি ভাগই মদ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। সব মিলিয়ে মাদক নিয়ে তারা সমস্যায় আছে মাত্র। আমিও বুঝতে পারলাম না-জানা থেকেই আমার সব ভয়ের উৎপত্তি, অস্ট্রেলীয়দের কাছে এটা সসহানুভূতি গা-সহা হয়ে আছে। আরও জানা গেল, এখানকার সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর সিংহভাগই মাতলামি থেকে সংঘটিত। সব সড়ক দুর্ঘটনাতেই রাস্তা দুদিক থেকে বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ভাবখানা এরকম, তোমরা যারা দুর্ঘটনার শিকার হওনি তারা ভাল আছ, কাজেই ঠায় দাঁড়িয়ে থাক, ততক্ষণে আমরা আহতদের সুব্যবস্থা করি।

n

আগের লেখা – কাঁচ ও ঝুনঝুনি

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচী