ক্যাটেগরিঃ চিন্তা-দর্শন

 

পরিবর্তন জীবনের নিয়ম। পরিবর্তনই প্রাণের সূত্র। যারা কেবল অতীত বা বর্তমানের দিকে তাকিয়ে থাকে তারা নিশ্চিতভাবেই ভবিষ্যৎ হারায়। পরিবর্তন জগতেরও প্রাত্যক্ষণিক ধর্ম। কিন্তু পরিবর্তন শব্দটি জীবনের জন্য খুব জুতসই কিছু নয়; প্রকৃত বিষয় হচ্ছে উন্নতি সাধন। যদি উন্নতি সাধনেই জীবনের সাফল্যের মাত্রা নিহিত থাকে তবে বলা যায়, যারা পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি ও উদ্যোগ নেয় না, তারা নিজেদেরকে ধ্বংসের জন্যই প্রস্তুত করে। কিন্তু জীবনে উন্নতির লক্ষ্যে পরিবর্তন আনা যায় কিভাবে? বলা যেতে পারে, হাজার টাকার চাকুরী ছেড়ে যদি লক্ষ টাকার চাকুরী নেয়া যায় তবে উন্নতি হয়; যদি প্রমোশন হয়, সম্পদ বাড়ে তবে উন্নতি হয়। উন্নতির এগুলো হচ্ছে বড় বড় লম্ফমূলক পর্যায়। কিন্তু প্রতিটি পর্যায় বা স্তর নিজে যেন নিছক রুটিন ওয়ার্ক; বৃত্তের মতো—উঠ, যাও, ফেরো, ঘুমাও, আবার উঠ—একই কাজের ও অবস্থার পর্যাবৃত্তি। পরিবর্তনের এরূপ ধারণা অনুসারে, পরিবর্তনটা আসে স্তরের বিপুল কোয়ান্টাম শিফটের মাধ্যমে—কিন্তু সেখানে আবার নতুন পরিধির বৃত্ত। কিন্তু এই বড় বড় পরিবর্তনের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি আমাদের হাতে নেই—চাইলেই আমরা এমডি হয়ে যেতে পারি না, নতুন গাড়ি-বাড়ি কিনে ফেলতে পারি না, ইত্যাদি ইত্যাদি। যখন একই বৃত্তের মধ্যে আবদ্ধ থেকেই ঘুরে মরতে হয় তখন অলসভাবে বসে স্বপ্ন, শিল্পকলা, ক্রীড়া ও বিনোদনের মধ্যেই জীবনের সার্থকতা বা আনন্দ খুঁজতে সচেষ্ট হতে হয়। কিন্তু বড় মাপের পরিবর্তন অসাধ্য বা দুঃসাধ্য হলেও ছোট ছোট ক্ষেত্রগুলোতে সহজেই সাধনীয় পরিবর্তন ধারাবাহিকভাবে করতে থাকলে যদি নাটকীয় পরিবর্তন সম্ভব হয়, যদি একদিন তা বৈপ্লবিক পরিবর্তনে পর্যবসিত হয়, তবে কেমন হয়? এমনটা অসম্ভব নয়। ব্যক্তিজীবনেও আমরা কাইযেন’য়ের প্রধান নীতিগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে তা অর্জন করার চেষ্টা করতে পারি।

২। কাইযেন একটি বিরাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হয়ে উঠেছে, যা একাডেমিক গঠনের দিক থেকে মোটেই জটিলতা থেকে মুক্ত নয়, এবং যা প্রণীত হয়েছে বা হচ্ছে বড় বড় সব শিল্প ও দাপ্তরিক প্রতিষ্ঠানের জন্য। কিন্তু যদি ব্যক্তিজীবনকে একটি সংস্থা, তার আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে উৎপাদন, নিজেকে ও অন্যদেরকে ভোক্তা হিসেবে দেখা যায়, এবং পরিবারকে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা যায়, তবে কাইযেনকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের ছোট্ট পরিমণ্ডলেও প্রয়োগ করা সম্ভব। প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই স্বতন্ত্র, প্রত্যেকের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও অবস্থা স্বতন্ত্র। ব্যবস্থাপনা বা নৈতিকতা বিষয়ক উচ্চমার্গের সব সাধারণ তত্ত্বই ধারণার জগতে খুবই ইন্টারেস্টিং হলেও বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে কনক্রিট কোনো পথ-নির্দেশনা দেয় না। কিন্তু কাইযেনকে আমরা সহজেই প্রয়োগ করতে পারি ব্যবহারিক জীবনে, প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও কর্মপ্রক্রিয়ায় উন্নয়ন আনার উদ্দেশ্যে কার্যকর উপায় অন্বেষণে। আমি পরিবারের সাথে দফতরকেও ব্যক্তিজীবনের অন্তর্ভুক্ত করছি এ ধারণা থেকে যে, কেবলমাত্র ব্যক্তি-উদ্যোগে পরিবার ও দফতরের বহুবিধ পরিবর্তন আনা সম্ভব—এজন্য পরিবার বা দফতর প্রধানের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয়না বা এজন্য এমন টাকা-পয়সারও দরকার হয় না যা অন্যের অনুমোদন-সাপেক্ষ।

৩। ব্যক্তিজীবনে কাইযেন কিভাবে সম্ভব?—যেখানে ব্যক্তি নিজেই সংস্থা, নিজেই টিম লিডার, নিজেই একমাত্র টিম মেম্বার, নিজেই পণ্য, এবং নিজেই ভোক্তা! কাইযেন স্ব-শিক্ষা, স্ব-উদ্ভাবন, স্ব-নিরীক্ষা, স্ব-সংশোধন ও স্ব-উন্নয়নের চমৎকার দুনিয়া—সহজ কিন্তু যাদুকরী পন্থা। কাইযেন ব্যক্তিকে মুক্ত করতে পারে অতীতের ‘এনালাইসিস প্যারালাইসিস’ থেকে; তাকে স্বাধীন করতে পারে অন্যদের দ্বারা ঐতিহাসিকভাবে তৈরি হওয়া একস্তরবিশিষ্ট জীবনের অভ্যস্ত চক্র থেকে। এ চক্র ব্যক্তিকে আত্ম-অসচেতন করে রাখে, বাইরের দুনিয়াই তার সত্ত্বাকে নির্ধারণ করে। বিপরীতক্রমে, কাইযেন ব্যক্তিকে আত্মনির্ধারণের পথে চালিত করে; ব্যক্তির জন্য স্ব-ক্ষমতায়ন ও সৃজনী ক্ষমতার পথ উন্মুক্ত করে। আমাদের জীবন অনির্দিষ্টভাবে সীমিত, অর্থাৎ কখন মৃত্যু আসবে বা মানসিক-শারীরিকভাবে অসমর্থ হয়ে যেতে হবে তার নিশ্চয়তা নেই। যদি আমরা বিশ্বাস করি যে, এই অনিশ্চয়তাযুক্ত সময়সীমার মধ্যেই নিজেকে যথাসম্ভব বিকশিত ও স্ব-ক্ষমতাবান করে তোলা, এবং অন্যদের প্রতি সেবাযত্নে কাজে যথাসম্ভব বেশী পরিমাণে কাজ সম্পাদন করার মধ্যেই জীবনের সফলতা, তবে ব্যক্তিজীবনে কাইযেন খুবই উপকারী ও ফলপ্রসূ বলে বিবেচিত হবে।

৪। ব্যক্তিসত্তার উন্নয়ন বলতে কী বুঝায়? এই উন্নয়ন আসলে ক্রমাগতভাবে ‘হওয়া’ বা ‘হতে থাকা’। এই ‘হওয়া’র দুটি প্রধান দুনিয়া রয়েছে: চিন্তা ও কর্ম। হওয়ার অর্থ হচ্ছে স্বাধীনভাবে ও স্বপ্রণোদিতভাবে চিন্তা করা। এই চিন্তা নিজের জীবনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে—এবং মূলত—যুক্ত। এমনকি, যদি দুনিয়ায় কেবল আমিই থাকি তবুও আত্মোন্নয়নের লক্ষ্যে এই চিন্তা নিরর্থক হয়ে যায় না। ফলে চিন্তার একটি প্রধান অঙ্গন হচ্ছে নিজ জীবন সম্বন্ধে চিন্তা, যা একটি অভ্যন্তরীণ বা আধ্যাত্মিক বিষয়। আর কর্মের দুনিয়াটি হচ্ছে অন্যের সেবা ও যত্নের দুনিয়া, অন্যদেরকে নিজের ক্ষমতা ও সম্পদে অংশীদার করে তোলা। কাজেই নিজ জীবনে পরিবর্তন আনার, তথা উন্নতিসাধনের অর্থ দাঁড়াচ্ছে, প্রতিদিন অন্যের জন্য কিছু করার পরিমাণে বৃদ্ধি ঘটানো। কাইযেন অর্থই হচ্ছে ধারাবাহিক, নিরবচ্ছিন্ন, প্রাত্যহিক ছোট ছোট কিন্তু তাৎক্ষণিক সুফলপ্রসূ পরিবর্তন। তাই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক ও ‘আমল’গত উন্নয়নে কাইযেন ফলপ্রসূ হবে। যদি অপচয় কমিয়ে আনা যায়, অগ্রাধিকার ঠিক করা যায়, বাধাগুলো ক্রমেক্রমে দূর করা যায়, তবে কর্ম-সঞ্চয়ের পরিমাণ অল্প অল্প করে বাড়ানো সম্ভব। সহজেই অনুমেয় যে, সফলতার জন্য সময়-সচেতনতা, ডকুমেন্টেশন এবং দিনশেষে হিসাব করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও কাজ।

৫। নেতিবাচক বিষয়গুলো হচ্ছে অপচয় ও বাধা, যা ধারাবাহিকভাবে দূর করার জন্য যত্নবান হওয়া প্রথম প্রয়োজন। অপচয় ক্রমাগতভাবে হ্রাস করা কাইযেনে একটি মৌলিক, বটম-লাইন ও পরিমাপযোগ্য অবজেক্টিভ। সময়, শক্তি ও সম্পদে অপচয় ঘটে বেখেয়াল থাকার জন্য, অভ্যাসের বসে চলতে থাকার ফলশ্রুতিতে। ফলে অপচয়ের উৎসগুলো আদতে ‘ব্লাইন্ড স্পট’ হিসেবে বিদ্যমান থেকে যায়, যা নীরব ঘাতক হিসেবে ক্রিয়ারত থাকে। এগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য তাই ‘আউট অব দি বক্স’ ভাবার ও দেখার দরকার হয়। বিরামহীন বা নির্বিঘ্ন সরবরাহ আমাদেরকে অপচয়ে অভ্যস্ত করে তোলে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়, কলের বা চুলার মুখে পানি বা গ্যাস সর্বদা বিদ্যমান থাকে বলে আমরা পানি ও গ্যাসের অপচয় করি। একই কথা বিদ্যুতের বেলায়ও খাটে। বিনোদন-লক্ষ্য জীবন শক্তি ও সময়ের বিপুল অপচয় সাধন করে; তা চিন্তা করার আগ্রহ ও ক্ষমতাকে বিনষ্ট করে। উদ্দীপনা ও উদ্যোগের অভাব জীবনে গুণগত পরিবর্তন আনতে বাধা তৈরি করে। এসব অপচয় ও বাধা অপসারণ করতে মনের জোর ও অধ্যবসায়ও দরকার হয়।

৬। কাইযেনে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হচ্ছে ডকুমেন্টেশন। পরিবর্তনের বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করতে হয় এমনভাবে যেন সেগুলো কোয়ান্টিফায়েবল হয় এবং সেগুলো টাস্ক হিসেবে কাগজে লিখে রাখা যেতে পারে। কেবল তা-ই নয়, পরিবর্তনের পরিকল্পনা, প্রক্রিয়া ও অংশগ্রহণকারী সকলের (পরিবার ও দফতরের ক্ষেত্রে) ভূমিকাও সিনোপসিস আকারে কাগজে চিত্রিত করে রাখা যায়। কাজশেষে ফলোআপ করাও দরকার হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজগুলো সম্পন্ন করে নিজের অর্জনের হিসাব নিজেকেই করতে হয়। আল্লাহর সামনে হিসাবের জন্য দাঁড়ানোর আগে নিজেই নিজের হিসাব নাও—ওমরের এই পরামর্শ গ্রহণ করা কাইযেনে খুবই উপকারী।

৭। কাইযেনে কর্ম-পরিবেশের পরিচ্ছন্নতাকে উচ্চমূল্য দেয়া হয়েছে। আমরা জানি, পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। ঘরদুয়ার, অফিসরুম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন-গোছালো রাখাও কাইযেনের একটি বিশিষ্ট উপাদান। অগোছালো ও অপরিষ্কার থাকলে কাজের অনুকূল মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বিদ্যমান থাকে না। পরিচ্ছন্নতার অর্থ কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে অভিজাত পরিবেশ তৈরি করা নয়; যা আছে তা-ই নিয়মিত গোছগাছ করে রাখা, মুছে ঝকঝকে তকতকে করে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দূরে সরিয়ে রাখা। ক্ষীণ চিন্তার মতোই ক্ষীণ অঙ্গও কাইযেনের উপকরণ। যা আমাদের আদতে দরকার নেই তা সংগ্রহে ও সংস্থাপনে সময়, স্থান ও অর্থের অপচয় ঘটে। যা ছাড়া আমার চলে তা সংগ্রহ করার দরকার কী? কাপড়-জুতো বেশী হয়েছে বলে নতুন আলমারি না কিনে বরং কাপড়-জুতো অন্যকে দিয়ে দেয়া যায়। ‘হাউ মেনি থিংস আই ক্যান ডু উইদাউট’ নীতিটি খেয়ালে রাখা যায়। আমাদের একটি বড় অপচয় নিছক স্ট্যাটাস রক্ষা ও মিছে অহংকারের বশেই ঘটে থাকে।

৮। পরিবার ও দফতরের ক্ষেত্রে, অন্য সদস্যদের সাথে টিম-ওয়ার্ক নীতি প্রয়োগ করা যায়, তাদের সাথে আলোচনা-পরামর্শ করা যায়, তাদের মতামতকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে সর্বদা বিবেচনায় রেখে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। নিজের আবিষ্কার ও পন্থাটি অন্যদের কাছে সরবরাহ না করে অন্যদের কাছ থেকে সমাধান ও প্রক্রিয়া অন্বেষণ করা যেতে পারে। এতে অন্যরা উৎসাহের সাথে অংশ নিতে পারবে, নির্বাচিত কাজটি তাদের জন্য অসাধ্য বা অসহনীয় হয়ে উঠবে না।

৯। কাইযেনের সুফল:
# অপচয় কমিয়ে আনে।
# সময় ও স্থানের সদ্ব্যবহার বাড়ায় ও কাজের মান বাড়ায়।
# কর্মীদের উদ্দীপনা ও কর্ম-সন্তোষ বৃদ্ধি করে।
# কর্মীদেরকে দৈনন্দিন সমস্যাগুলোর সমাধানে দক্ষ করে তোলে।
# অপারেশনাল এফিশিয়েন্সি বাড়ায়।

১০। কাইযেনের বৈশিষ্ট্য:
# প্রয়োগযোগ্যতা ব্যাপক: ব্যবসা, শিল্প, অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সব ধরণের সংগঠন, পরিবার, এমনকি ব্যক্তিজীবন।
# বিদ্যমান মেথোড ও সিস্টেমের উন্নতি সাধন করে; কোনো আমূল নতুন মেথড বা সিস্টেম প্রবর্তনের দরকার হয় না।
# খুবই কার্যকর এবং ফলমুখী।
# একটি ধারাবাহিক ও সৃজনধর্মী শৈক্ষিক অভিজ্ঞতা।
# সমবায়মূলক ও সাধারণ মূল্যবোধের ভিত্তিতে কাজ করে।
# যারা প্রভুত্বকামী ও নিখুঁততায় বেশী মাত্রায় আগ্রহী তাদের নিয়ে কাইযেন করা দুরূহ।

১১। কাইযেনের পর্যায়গুলো:
ক. কাজ নির্বাচন;
খ. কাজের পরিকল্পনা;
গ. পরিকল্পনা বাস্তবায়ন; এবং
ঘ. ফলো-আপ।

১২। কাইযেনের উপাদানগুলো:
# টিম ওয়ার্ক, প্রত্যেকের মতামতকে মূল্যবান গণ্য করা হয় ও বিবেচনায় আনা হয়।
# মজবুত ব্যক্তিগত শৃঙ্খলা।
# উদ্দীপনা ও অধ্যবসায়।
# মানের উন্নয়ন চক্র।

১৩। কাইযেন করে আমরা ‘ইটের পর ইট মাঝে মানুষ কীট’ দশা থেকে উদ্ধার পেতে পারি; ব্যক্তি ‘জাস্ট এনাদার ব্রিক ইন দি ওয়াল’ মাত্র হয়ে থাকার দুর্ভাগ্য থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারে; নিজেকেই নিজের মাস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। ঈশ্বর ব্যতীত উপাস্য নেই—নীতিটির বাস্তব ও প্রায়োগিক অর্থ হচ্ছে, ব্যক্তি স্বাধীন এবং ব্যক্তিই তার মাস্টার। আমাদের মতো নন-এলিট, নন-সেলিব্রিটি সাধারণ মানুষের জন্য কাইযেন করাই এরূপ মাস্টারি অর্জন ও প্রয়োগের উপায়।

সমাপ্ত

আগের পর্ব: কাইযেন—জাপানি ব্যবস্থাপনা