ক্যাটেগরিঃ সুরের ভুবন

 

১। এ্যাবা : সোলজার্স

সুইডিশ দুই নারী ও দুই পুরুষ। চারজনের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে এ্যাবা নামের গানের ব্যান্ড গঠন করেছিলেন ১৯৭২ সালে। স্টকহোমে। সারা দুনিয়া মাতিয়ে রেখেছিল ১৯৭৫ থেকে ১৯৮৫ তক। ১৯৮১ সালে দি ভিসিটরস এ্যালবামটি প্রকাশিত হয়। এর অন্তর্গত সোলজার্স গানটি, কারও মতে, নাজিদেরকে নিয়ে। তবে অতীতের এক যুদ্ধের ইতিহাস যেন ভবিষ্যতের আরেক যুদ্ধের প্রফেসি।

২। এনিগমা : সাইলেন্ট ওয়ারিয়র

এনিগমা ঠিক প্রথাগত গ্রুপ বা ব্যান্ড নয়। একটি মিউজিক্যাল প্রজেক্ট। মাইকেল ক্রেটু যার স্থপতি। তিনি নিউ এজ ক্যাটাগরির সংগীত সৃষ্টি করে থাকেন। ১৯৯০ সালে এটির প্রতিষ্ঠা। ক্রেটু জন্মেছিলেন রোমানিয়া’তে, প্রজেক্টের ধারণাটি তার মাথায় আসে যখন জার্মানিতে কাজ করছিলেন, কিন্তু স্টুডিওটা বসিয়েছেন স্পেনে। অনেক গানে তিনি নিজে কণ্ঠ দিয়েছেন। অনেক গানই আবার গেয়ে দিয়েছেন তার একসময়ের স্ত্রী, নিজ গুণে-নামে প্রতিষ্ঠা পাওয়া গায়িকা স্যান্ড্রা। ১৯৯৩ সালে দি ক্রস অব চেঞ্জেস নামের এ্যালবামটি বের হয়। এর অন্তর্ভুক্ত একটি গানের নাম সাইলেন্ট ওয়ারিয়র

৩। উই হ্যাভ ব্যান্ড : হোয়ের আর ইওর পিপল

উই হ্যাভ ব্যান্ড ম্যানচেস্টার ও লন্ডন থেকে আসা তিন সদস্যের একটি ইলেকট্রনিক মিউজিক গ্রুপ। এযাবতকালে তারা মোট তিনটি স্টুডিও এ্যালবাম বের করেছেন। যাদের প্রথমটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১০ সালে এবং শেষটি ২০১৪ সালে। মাঝের ২০১২ সালে বেরিয়েছিল টারনিয়ন নামের দ্বিতীয় এ্যালবামটি। এই এ্যালবামের একটি গানের নাম হোয়ের আর ইওর পিপল। এদের গানের অফিশিয়াল ভিডিওগুলোও ব্যতিক্রমধর্মী। আমাদের উত্তরাধুনিক পরিবেশে ব্যক্তিমানুষের জীবন-যাত্রা, অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অবস্থা সৃষ্ট মানবের চিত্র উঠে এসেছে তাদের অনেক গানে।

৪। পিংক ফ্লয়েড : এনাদার ব্রিক ইন দি ওয়াল

সাইকেডেলিক/প্রোগ্রেসিভ রকব্যান্ড পিংক ফ্লয়েড অনেক পুরনো দল। চারজন ছাত্র মিলে ১৯৬৫ সালে এই ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর আগে তারা আলাদাভাবে গান গেয়ে অনেকের নজর কেড়েছিলেন। ব্যান্ডটির ইতিহাস খুব সাদাসিধা নয়—কেউ দল ছেড়েছেন, আবার ফিরে এসেছেন, নতুন কেউ দলে যোগ দিয়েছেন, ইত্যাদি। সত্তরের দশকে পিংক ফ্লয়েড দুনিয়াময় জনপ্রিয় ছিল। ১৯৭৯ সালে তাদের ১১ একাদশ এ্যালবাম দি ওয়াল প্রকাশিত হয়। এর মধ্যকার তিন পার্টের এনাদার ব্রিক ইন দি ওয়াল-এর ২য় পার্ট ছিল সুপার হিট গান। এ্যালবামটির থিম নিয়ে ১৯৮২ সালে পিংক ফ্লয়েড—দি ওয়াল নামে একটি ফিচার ফিল্মও তৈরি করা হয়েছিল। ছবিটিকে কেউ কেউ আত্ম-ধ্বংসের সিম্বলিক চিত্রায়ন হিসেবে দেখেছেন। নিচের ভিডিওটি এই ফিল্মের তিনটি অংশ একত্রে জুড়ে দিয়ে তৈরি করা, যার মধ্যে গানটির তিনটে পার্টই রয়েছে।

৫। কানসাস : ডাস্ট ইন দি উইন্ড

মানুষের কত প্রত্যাশা, উচ্চাশা… ক্ষমতা, পরিবর্তন, উদ্বোধন, বিকাশ, ইভোলুশন… এরোগেন্ট গার্ডিয়ানশীপ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি আমরা বাতাসে ওড়া ধূলো মাত্র? কানসাস-এর ডাস্ট ইন দি উইন্ড গানটি এমন বেদনার কথাই বলে।

৬। এ্যাবা : মুভ অন

আগের গানগুলো শুনে মন খারাপ হয়ে গিয়েছে? তাহলে জীবনের আরেক দিক দেখা যাক। এ্যাবা’র দি এ্যালবাম-এর মুভ অন গানটি শুনলে আপনার মন আবার আগের মতো ভাল হয়ে যাবে। মান খারাপ করে দেয়ার দায় থেকে আমারও মুক্তি জুটবে।

৭। রেজিনা স্পেকটর : ব্যালেড অফ এ পলিটিশিয়ান

আমরা কি রাজনৈতিক জীব নই? কাজেই পৃথিবী নামের গ্রহটিতে বাসবাসকারী মানবজাতির কি কর্তব্য নয়, এখানকার প্রগতির পথনির্দেশক মহান পুরুষদের স্তুতি রচনা করা? রেজিনা স্পেকটর সেই অভাবটি পূরণ করেননি?

৮। এ্যাবা : ঈগল

সবশেষে আবার এ্যাবা। ঈগলের কথা।

n

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচি