ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

IS THERE AN EVEN DEEPER SUBPLOT AT WORK?
Paul Davies, The Goldilocks Enigma—The Big Questions—Is the Universe Pointless?
[দেখুন: জগতের গাণিতিক পাণ্ডুলিপি ]

জগতে প্রাণের উদ্ভব, চেতনার উদ্ভব একটি আপতিক ঘটনা—এটি বিজ্ঞানের অনেক দিনের কথা। কালের দীর্ঘতার বিপরীতে পরিসংখ্যানের হিসাব দিয়ে এটিকে টিকিয়ে রাখার প্রয়াসটি লক্ষণীয়—ভাবটা এই রকম যে, পরিসংখ্যানের নিয়মের কোনো নিয়ম নেই, বাঁদরের পক্ষেও রবীন্দ্রনাথের কবিতা লেখা সম্ভব। কাজেই জগতের জন্য ঈশ্বরের প্রয়োজন হবে কেন? তবে ইদানীং খোদ পদার্থ বিজ্ঞানে গোল্ডিলকস ফ্যাক্টর সন্নিবিষ্ট হয়েছে। বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রাবলি ও ধ্রুবকগুলোর মান নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে গিয়ে প্রাণের উৎপত্তি ও চেতনার উৎপত্তির বিষয়ে জগতের কালগত ও দেশগত আড়ম্বরের বিশালতার মধ্যেও ‘জাস্ট রাইট’ কথাটি ব্যবহার করতে শুরু করেছেন।

জগতের সবচে বেশী তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি একটি যে, আমরা মানুষেরা জগতের অংশ। সম্ভবত যুক্তির বিচারে এটিই সবচে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। নিরেট বৈজ্ঞানিক চোখে দেখলে এ কথাগুলো অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে—বিজ্ঞান আদতেই এতদিন ভেবে এসেছে এভাবেই। এই বিশাল মহাজগতের বিপুল ঘটনার যজ্ঞে মানুষের অবস্থা ও অবস্থানকে খুব একটি বড় কিছু বলে মনে করা হয়নি। বড়র কথাটি এসেছে কেবল ধর্ম থেকেই।

বিজ্ঞানীরা ইদানীং ভাবছেন একটু অন্য রকম ভাবে। পদার্থের মূল নিয়মগুলোয় তথা সূত্রগুলোয়—এগুলো এখন যেমন আছে তা থেকে—যদি সামান্য ফারাক হতো তবে কী হতো তার পরিণতি? তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানী ব্রেন্ডন কার্টার বলেন যে, তাহলে জীবন সম্ভব হতো না এবং বিশ্ব থেকে যেত অপ্রত্যক্ষিত (আনঅবসারভড) অবস্থায়। কার্টারের মতে পদার্থের নিয়মগুলোতে বেশ কিছু পরিমাণে জটিল ও নাজুক ফাইন টিউনিং এর চিহ্ন রয়েছে আর এই টিউনড অবস্থাটির উপর আমাদের অস্তিত্ব খুবই ক্রিটিক্যালি নির্ভরশীল ছিল। তাই যে নিয়মে জগত এগিয়েছে তা প্রাণের উৎপত্তির জন্য গোল্ডিলকস এর পরিজ এর মত জাস্ট রাইট বলে কার্টার মনে করেন।

বিজ্ঞানে এর নাম গোল্ডিলকস ফ্যাক্টর বা এনথ্রপিক/বায়োফিলিক কসমোলজিক্যাল প্রিন্সিপল। গত ষাটের দশকে এ নিয়ে কথাবার্তা শুরু হলেও গোল্ডিলকস ফ্যাক্টর কিন্তু বিজ্ঞান থেকে একেবারে নির্বাসিত হয়নি বরং এটি জোরদারও হয়েছে। নাস্তিক বিজ্ঞানীরাও একে মোকাবেলা করার জন্য পাল্টা নতুন মত তৈরি করছেন।

ফ্রেড হয়েলের মতে, জগত যেন প্রাণ তৈরির জন্যই সাজানো হয়েছে। পল ডেভিস মনে করেন, জগতের অবস্থা এমন যা দেখে মনে হয়, এটি যেন কোনো বুদ্ধিমান স্রষ্টার তৈরি এবং শুধু তাই নয়, চেতনা সৃষ্টি করার জন্যই যেন তৈরি করা হয়েছে।

উপরে যা লিখেছি তা Paul Davies এর The Goldilocks Enigma বইয়ের ভূমিকা, প্রথম অধ্যায় The Big Questions এর The Universe Is Bio-Friendly নামক অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে।

ভালভাবে বাংলায় অনুবাদ করতে অক্ষম হওয়ায় নিচে কিছু কথা উল্লেখ করলাম ইংরেজিতে, যা পল ডেভিস লিখেছেন উক্ত বইয়ের A Universe Fit for Life অধ্যায়ে:

To permit life in at least one place in the universe, three very basic requirements must be satisfied:

1. The laws of physics should permit stable complex structures to form.
2. The universe should possess the sort of substances, such as carbon, that biology uses.
3. An appropriate setting must exist in which the vital components come together in the appropriate way.

Even these three requirements impose very stringent restrictions on physics and cosmology, so stringent that they strike some scientists as nothing short of a fix—a “put-up-job,” to repeat Fred Hoyle’s colorful term.

এই অধ্যায়ে ডেভিস বিশ্লেষণ করেছেন রাসায়নিক মৌলিক পদার্থগুলোর উৎপত্তি, কার্বন উৎপত্তিতে রেজোন্যান্স, দুর্বল নিউক্লিয়ার বল, ডার্ক এনার্জি ইত্যাদিতে দৃষ্ট ফাইন টিউনিং এর ব্যাপারগুলো, যাদের উপর প্রাণের উৎপত্তি নির্ভর করেছে অত্যন্ত ক্রিটিক্যালি ও ডেলিকেটলি ।

এখন আমরা কি আরও একটু এগুতে পারি? আমরা কি প্রশ্ন করতে পারি:

IS THERE AN EVEN more DEEPER SUBPLOT AT WORK?

এ প্রসঙ্গে কোরানের নীচের আয়াতগুলো পাঠ করে দেখুন।

55:7
And the skies has He raised high, and has devised for all things a measure.

13:8
Allah Knows what every female carries and what the wombs lose or exceed. And everything with Him is in due proportion. He is the Knower of what is hidden and what is observed. He is the Most Great, the Most High.

31:20
Are you not aware that God has made subservient to you all that is in the heavens and all that is on earth, and has lavished upon you His blessings, both outward and inward? …

2:29
He it is who has created for you all that is on earth, and has applied His design to the heavens and fashioned them into seven heavens; and He alone has full knowledge of everything.

16:13
And all the beauty of many hues—which He has created for you on earth: in this, behold, there is a message for people who are willing to take it to heart!

75:36-40

Does man, then, think that he is to be left neglected (or void of point)?

Was he not once a mere drop of sperm that had been spilt, and thereafter became a germ-cell—whereupon He created and formed it in accordance with what it was meant to be, and fashioned out of it the two sexes, the male and the female?

Is not He, then; able to bring the dead back to life?

21.104
The Day when We shall roll up the heavens as a recorder rolleth up a written scroll. As We began the first creation, We shall repeat it; a promise upon Us. Lo! We are to perform it.

50.15
Were We then worn out by the first creation? Yet they are in doubt about a new creation.

56.62
And verily ye know the first creation. Why, then, do ye not reflect?

55:3-4
He has created man: He has imparted unto him articulate thought and speech.

23:78
O men! Pay heed to God’s messages, for it is He who has endowed you with hearing, and sight, and minds: yet how seldom are you grateful!

41:53
In time We shall make them fully understand Our messages through what they perceive in the utmost horizons of the universe and within themselves, so that it will become clear unto them that this revelation is indeed the truth. Still, is it not enough for them to know that thy Sustainer is witness unto everything?

… … …

বিজ্ঞান সংক্রান্ত অন্য লেখাগুলো:

জগতের গাণিতিক পাণ্ডুলিপি
তারা-বাতি কাহিনী
বিজ্ঞানপাঠ

n

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচী