ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

যুগান্তরে পড়লাম বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার এবং সাথে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উপ-প্রধান ছাড়াও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জাহিদ হোসেন। দুই কূটনীতিক চিকিৎসার খোঁজ-খবরও নেন।

আহতজনকে দেখতে যাওয়া একটি ভাল কাজ। কিন্তু বৈদেশিক কূটনীতির প্রটোকলে তা পড়ে কিনা তা ভেবে দেখার বিষয়। চিফ হুইপকে নিয়ে যা হয়েছে তা দুঃখজনক এবং সরকারের জন্য অস্বস্তিকর। কিন্তু কূটনীতিকবৃন্দ আমাদের কাজে আগ্রহী হয়ে উঠলে আমরা অপমানিত বোধ করি।

নিজেরা নিজেরা আমরা কেবল হানাহানিই করি না, সে হানাহানিতে অন্যদের সমর্থন খুঁজি ও পেলে আগ্রহসহ গ্রহণ করি। শুধু তা-ই নয়, আগ বাড়িয়ে আমরা গিয়ে একে অপরের নামে নালিশ পর্যন্ত করতে লজ্জাবোধ করি না।

নাম জাতিসংঘ। কিন্তু তা আদতে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সংঘ। জাতি এখানে রাষ্ট্র। আমাদের সার্বভৌমত্ব সম্বন্ধে যেন আমাদেরই কোনো সচেতনতা নেই, এর কোনো মূল্য আমাদের নিজেদের কাছেই যেন নেই। জাতিসংঘের চার্টার বা নিয়ম নীতিগুলো আমাদের যে অধিকার দিয়েছে তা জলাঞ্জলি দিতে আমরা নিজেরাই তৎপর।

এখানে সরকারের পক্ষে কথা বলা অস্বস্তিকর, কারণ আহতকে দেখতে যাওয়া বলে কথা। কিন্তু আমি নাগরিকের মুখে কে ছিপি দেবে? জাহিদ হোসেনই-বা কেন তাদের সাথে গেলেন? আমাদের আস্কারা না থাকলে তো আমরা একসময় মুক্তি পেতে পারতাম।

n

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচী