ক্যাটেগরিঃ ইতিহাস-ঐতিহ্য

 

বাঙালীরা একসময়ে দাক্ষিণাত্যের বড় অংশসহ আসাম থেকে আজকের আফগানিস্তান পর্যন্ত শাসন করেছিল – একথা শুনলে অনেক বাঙালীই হতবাক হতে পারেন। কিন্তু এটি কোন রূপকথা নয় – বাস্তব, ইতিহাস। পাল রাজারা এই ইতিহাসের রচয়িতা। বাঙালীদের জীবনে এমন বড় রাজ্য আগে ও পরে কখনওই আর দেখা যায়নি। রাজ্যটি যে কেবল আকারে বিশাল ছিল তা-ই নয়, রাজ্যে শান্তি-সমৃদ্ধিও ছিল। পাল অর্থ রক্ষক। গৌতম বুদ্ধের অনুসারী এই পাল রাজাগণ নিজেদেরকে রক্ষক নামে পরিচিত করতেই পছন্দ করেছিলেন।

পালদের কথা বলার আগে আরও অতীতের কিছু কথা বলে নেয়া যেতে পারে। ভারতবর্ষে ইন্দো-আর্যদের আগমনের পর খ্রিস্টপূর্ব দশম শতকে মগধ, অঙ্গ ও বঙ্গ রাজ্য গঠিত হয়। সেকালে রাজ্যকে জনপদ বা মহাজনপদ বলা হতো। এই রাজ্যগুলো বাংলা এবং বাংলার আশেপাশে স্থাপিত হয়েছিল: মগধ ছিল প্রধানত বিহার ও পাটনা জুড়ে, অঙ্গ ছিল প্রধানত আজকের পশ্চিম বঙ্গের উত্তর অংশে এবং বঙ্গ ছিল পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে। তাছাড়াও রাঢ় ও সমতট নামেও দুটি খ্যাত জনপদ ছিল।

মগধ ও অঙ্গ ছিল প্রাচীন ভারতের প্রধান ষোলটি মহাজনপদের দুটি। এই ষোলটির মধ্যে মগধ হয়ে উঠেছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য প্রতিষ্ঠিত মৌর্য সাম্রাজ্য মগধেই গড়ে উঠেছিল। এই সাম্রাজ্য অশোকের রাজত্বকালে দক্ষিণ এশিয়া, পারস্য, আফগানিস্তান অবধি বিস্তার লাভ করেছিল। মৌর্যদের পর গুপ্তরা মগধকে কেন্দ্র করে একই রকম বিশাল রাজ্য শাসন করেছিল।

বঙ্গ ছিল একটি শক্তিশালী জনপদ ও এর অধিবাসীরা ছিল সাহসী সমুদ্রবিহারী। জাভা, সুমাত্রা ও শ্যামের (বর্তমান থাইল্যান্ড) সাথে তার ছিল বাণিজ্যিক সম্পর্ক। বঙ্গের এক রাজকুমার বিজয় সিংহ খ্রিস্টপূর্ব ৫৪৪ সালে লঙ্কা জয় করে নিজ নামের সাথে মিলিয়ে দেশের নাম রাখেন সিংহল। বঙ্গের মানুষ মালয় দ্বীপপুঞ্জে ও শ্যামে অভিবাসিত হয়ে সেখানে কলোনি স্থাপনও করেছিল। বাংলার কিছু অংশ মগধের অধীনে থাকলেও এই পূর্ব অংশ আলেকজান্ডারের সমসাময়িক কালে গ্রীক-রোমান ঐতিহাসিকদের কাছে গঙ্গারিদ্ধি নামে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল।

মগধ ছিল ইন্দো-আর্যদের রাজ্য। প্রকৃত বাংলার প্রথম সার্থক শাসক বলা যায় শশাঙ্ককে। তিনি ছিলেন আরবের নবী মুহম্মদের সমসাময়িক। তাঁর পূর্বে বাংলা ছিল উত্তর-পশ্চিমে গৌড়, উত্তর-পূর্বে সমতট এবং দক্ষিণে বঙ্গ নামক তিনটি জনপদে বিভক্ত। তিনি বাংলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনপদগুলোকে একত্র করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন। ধারণা করা হয়, তিনি প্রথম জীবনে গুপ্তদের অধীনে একজন সামন্তরাজা ছিলেন ও ৬০০ থেকে ৬২৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে গৌড়ে রাজত্ব করেন।

শশাঙ্কের মৃত্যুর পর রাজ্যের পতন ঘটে এবং বাংলায় এক চরম অরাজক অবস্থার সৃষ্টি হয়। এই অরাজক কালকেই বলা হয়ে থাকে মাৎস্যন্যায়, যা শত বৎসর দীর্ঘ হয়েছিল। এই সময় বাংলায় বহু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনপদ বা রাজ্য সৃষ্টি হয় এবং আত্মকলহ, গৃহযুদ্ধ, গুপ্তহত্যা, অত্যাচার চরম আকার ধারণ করে। সাধারণ মানুষের দুর্দশার যেন শেষ ছিল না। শক্তিশালী ও স্থায়ী প্রশাসন না থাকায় বাহুবলই যেন ছিল শেষ কথা।

পাল বংশের প্রথম রাজা গোপাল, নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয়ার আমন্ত্রণসহ, নির্বাচিত হয়েছিলেন কিছু আঞ্চলিক প্রধানদের দ্বারা এবং তিনি শত বছরের নৈরাজ্যের অবসান ঘটিয়ে বাংলাকে ঐক্যবদ্ধ করলেন। পাল রাজারা নিজেদেরকে নিয়োজিত করেছিলেন জনগণের কল্যাণে এবং সমাজ সংস্কারে। তারা হিন্দু-বৌদ্ধের সহ-অস্তিত্বের ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার নীতি গ্রহণ করে রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। আব্বাসী খলিফাদের, বিশেষত হারুনের সাথেও ছিল তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।

পালরা বাংলাকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিল, পেরেছিল শান্তি আনতে; এবং কেবল তা-ই নয়, নিজেদের রাজ্যের সীমানাকে দাক্ষিণাত্য ও আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত করতে পেরেছিল। এর একটি বড় কারণ ছিল পালদের দৃষ্টিভঙ্গি ও শাসননীতি। ধর্মে তারা ছিলেন নিষ্ঠাবান বৌদ্ধ এবং সেকারণে সাম্যবাদী, সহিষ্ণু ও উদার।

পালদের শাসনামল বিস্তৃত ছিল ৭৫০ থেকে ১১৭৪ সাল পর্যন্ত প্রায় সোয়া চারশ বছর। পালদের এই শাসনামলকে বলা হয়ে থাকে বাংলার ইতিহাসের স্বর্ণযুগ। এদের মধ্যে সেরা ছিলেন গোপালের উত্তরাধিকারী ধর্মপাল এবং তার উত্তরাধিকারী দেবপাল। রাজ্যের বিস্তৃতিতে তারা শশাঙ্ককে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। হারুনুর রশিদ (৭৮৬-৮০৯), শার্লেমেন (৭৬৮-৮১৪) ও ধর্মপাল (৭৭০-৮১০) ছিলেন সমসাময়িক তিন প্রধান নরপতি, যাদের প্রত্যেকেই ছিলেন প্রজা হিতৈষী এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা ও কলার পৃষ্ঠপোষক। পরবর্তীতে নারায়নপালের পর রাজ্য দুর্বল হয়ে উঠলেও মহীপাল এবং রামপালের দৃঢ়তায় তা পুনরুজ্জীবিত হয়।

রাজ্যজয় ও বাণিজ্যের মাধ্যমে পালরা দূরবর্তী দেশগুলোর সান্নিধ্যে আসে। পালদের ধর্ম ও শিল্পকলার বড় প্রভাব রয়েছে তিব্বতে এবং সুমাত্রা-জাভা-মালয়ে। বিক্রমপুরের সন্তান অতীশ দীপঙ্কর মহীপালের রাজত্বকালের বৌদ্ধ প্রাজ্ঞজন ও মিশনারি, যিনি তিব্বতে ও সুমাত্রায় বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটিয়েছিলেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন, জাপান ও তিব্বতে পাল শিল্পকলার বিশেষ প্রভাব বিদ্যমান। ধর্মপালের রাজ্য বিস্তৃত ছিল মুসলিম আব্বাসীদের সাম্রাজ্যের সীমানা অবধি। তিব্বত ও আব্বাসীদের সাথে পালদের ছিল চমৎকার কূটনৈতিক সম্পর্ক।

*** *** ***

মালয় উপদ্বীপ এবং সুমাত্রা ও জাভা দ্বীপ দুটোতে মানুষের বসবাস অনেক দিনের। মালয় উপদ্বীপের উত্তর অংশে লংকাসুকা রাজ্যের প্রতিষ্ঠা খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে, যা পঞ্চদশ শতক পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। সুমাত্রা দ্বীপের কান্তলী রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পঞ্চম শতকে এবং মালয় উপদ্বীপের দক্ষিণ অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। সপ্তম শতকে সুমাত্রায় শক্তিশালী শ্রীবিজয় রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়, যা নবম শতক অবধি প্রতাপশালী ছিল; তবে একাদশ শতাব্দী তক রাজ্যটি টিকে ছিল। পাশাপাশি জাভা দ্বীপ শাসিত হচ্ছিল শৈলেন্দ্রদের দ্বারা। এই শ্রীবিজয় ও শৈলেন্দ্র রাজ্যদুটি বাংলার পালদের সমসাময়িক এবং তারা পালদের ধর্ম ও সংস্কৃতি দ্বারা বিপুলভাবে প্রভাবিত ছিল।

অতীতে বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কৃষ্টির তুলনায় মালয়-সুমাত্রা-জাভার অর্জন কখনওই বেশী ছিল না। কিন্তু আজকের মালয়েশিয়া আসিয়ানভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় ও বিশ্বে ২৯তম বৃহৎ অর্থনীতি। স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে তাদের বাৎসরিক গড় প্রবৃদ্ধির হার ৬.৫ শতাংশ। সেখানকার জনগণ মাহাথিরকে সবচেয়ে বেশী সমীহ করে এই অর্জনের সফলতম নায়ক হিসেবে এবং তাঁকে দিয়েছে ‘আধুনিকায়নের পিতা’র মর্যাদা।

মাহাথির বিন মুহম্মদ ছিলেন মালয়েশিয়ার চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী, যিনি ১৯৮১ সাল থেকে সুদীর্ঘ বাইশ বছর ধরে দেশটি শাসন করেছেন। ত্রিশ বছরের মধ্যে দেশটিকে একটি সম্পূর্ণভাবে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯১ সালে তিনি প্রণয়ন করেন তাঁর ভিশন ২০২০ মহাপরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার একটি প্রধান দিক ছিল জাতিগোষ্ঠীগত বিভেদ দূর করে বহুজাতিগোষ্ঠী, বহুসংস্কৃতি ও বহুভাষার দেশটিকে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিত করা।

তিনি অনেকগুলো উচ্চাভিলাষী অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেন ও বাস্তবায়ন করেন। এখনকার মালয়েশিয়াতে যিনি যাবেন তিনি এর নজীর দেখতে পাবেন সহজেই। সারা দেশের পরিবহন অবকাঠামো নির্মাণ ও কম্পিউটার প্রযুক্তির বাস্তবায়ন দেশকে প্রস্তুত করেছে দ্রুত উন্নয়নের জন্য।

লঙ্কাবি থেকে কুয়ালা লামপুর সাত ঘণ্টার বাস-ভ্রমণে দ্বিতল বাসের উপর থেকে গ্রামগুলো দেখতে দেখতে আসছিলাম। ছোট ছোট বাড়ীর আঙ্গিনাতেও চোখে পড়ছিল সুন্দর সব গাড়ী। গাড়ী টানা চলতে পারে শত কিলোরও উপরে। ট্রাফিক জ্যাম নেই। কাজেই সাত ঘণ্টায় ৫০০ কিলোরও উপরে রাস্তা ছিল অনুমান করা যায়। কি স্থলে কি জলে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক চমৎকার ভূমি লঙ্কাবি দ্বীপ। তার সাথে যোগ হয়েছে মানুষের সযত্ন কাজ ও আয়োজন। তা দেখার পর গ্রামের পর গ্রাম জুড়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঠাহর করার চেষ্টা করছিলাম বাসে বসে।

ব্যাংককের রাস্তায় ভিক্ষুক নজরে পড়েছে। ভিক্ষুক দেখেছি প্যারিসে, টরেন্টোতে। শুনেছি গান গেয়ে ভিক্ষা করার মানুষ আমেরিকা, ইংল্যান্ডেও নাকি রয়েছে। কিন্তু মালয়েশিয়ার রাস্তায় ভিক্ষুক নজরে পড়েনি। এবারের আটদিন, এর আগে দুবারে মোট ছদিনেও নজরে না পড়া কম কথা নয়। মালয়েশিয়ার দরিদ্ররাও সবাই সম্ভবত খেয়ে পড়ে ভালই আছেন।

প্রসঙ্গত ব্যাংককের একটি ব্যাপার উল্লেখ করা যায়। সেখানে গরীবরা খুব ভাল আছে বলা চলে না। কিন্তু অবাক হবার বিষয় হলো তারাও সভ্য আচরণে আমাদেরকে অনেক ছাড়িয়ে গিয়েছে। রাস্তার পাশে ফুটপাতের সস্তা হোটেলের চেয়ারে বসে তাদের খাবার গ্রহণের দৃশ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লক্ষ্য করেছি। মনে হয়েছে, দারিদ্র্যের স্পষ্ট চিহ্নযুক্ত বস্ত্রের ভেতরে থেকেও তারা যেন ফরাসিদের সাথে পাল্লা দিতে চায়। সবচে সস্তা লক্কড়-ঝক্কর বাসে চড়েও দেখেছি। চেঁচামেচি, কাইজ্জা-ফ্যাসাদ দূরে থাক, সামান্য উচ্চস্বরে কথা বলতেও শুনিনি। বাসের কন্ডাক্টর পর্যন্ত কারও কাছে ভাড়া চায় না। সিলিন্ডার আকারের ছোট কয়েনের বাক্সটি বালুঘড়ির মত একবার এদিক একবার ওদিক উল্টাতে উল্টাতে যেতে থাকে – ঝনঝন একটা শব্দ হয়। তাতেই সকলে প্রথমবারেই ভাড়া চুকিয়ে দেয়।

যদিও মালয়-সুমাত্রা-জাভায় প্রাচীন বঙ্গদেশীয় ও ভারতীয় অনেক অভিবাসী রয়েছে, তবুও বলা চলে আমাদের চাকমাদের থেকে শুরু করে কম্বোডিয়া-ভিয়েতনাম পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মানুষেরা অনেকটা একই রকমের চেহারা সুরতের অধিকারী। আমেরিকার বোমা ও বুলেটে বিধ্বস্ত ভিয়েতনামের বর্তমান উন্নতির গতিও নাকি অবিশ্বাস্য।

*** *** ***

দ্রোহ বা বিদ্রোহ যেন আমাদের সারধর্ম। নিজেদের মধ্যে বিরোধের তীব্রতা এখানে একীভূত রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়নি। তবে প্রতিরোধ কাকে বলে তা যে কেবল পাঞ্জাবীরাই দেখেছে তা নয়, দেখেছে আর্যরা, গ্রীকরা, মোগলরাও। আর্যরা বিরক্ত হয়ে, হতাশ হয়ে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে আখ্যায়িত করেছিল ‘শোধনের অযোগ্য’, ‘পাখিদের ভাষায় কথা বলা’ জাত হিসেবে। যাদেরকে দেখে আলেকজান্ডার আর এগুনো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে নন্দের সৈন্যদের সাথে গঙ্গারিদ্ধির সৈন্যরাও ছিল। এমনকি মুসলিম শাসনামলেও স্বাধীনতার জন্য মোগলদের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা। যাকিছু অর্জনের জন্য ‘মানি না, মানব না’ শ্লোগান দরকার, দরকার যুদ্ধের, তাকিছু অর্জনের মধ্যেই সীমিত থেকে যাচ্ছে আমাদের অহংকার। পুরাতনকে ভাঙ্গতে হয় নতুন কিছু গড়তে হলে। কিন্তু ভাঙ্গার পর গড়ার ক্ষেত্রে যে চিন্তা ও মনোভাবের প্রয়োজন তা যেন আমরা আয়ত্তেই আনতে পারছি না।

পালদের সময়ে মালয়রা পিছিয়ে ছিল; পঞ্চাশ বছর আগেও পিছিয়ে ছিল। কিন্তু আজকের মালয়েশিয়া আমাদেরকে ছাড়িয়ে কোথায় চলে গেল! আর আমরা পড়ে আছি পাল-পূর্ব মাৎস্যন্যায় দশায়। মালয়েশিয়রা তাদের স্বাধীনতার ৫০ বছরে কী করল! আমাদের ইতোমধ্যে ৪০ বছর পার হয়ে গেছে। পালদের মতো কারও আগমনের জন্য আরও কি ৬০ বছর অপেক্ষা করতে হবে?

*** *** ***
n

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচী