ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

আদি যুগ থেকে নারীকে একটা ভোগের বস্তু হিসেবে বিবেচনা করে আসছিল । তাদেরকে কেবল মাত্র তুচ্ছ বন্তু ছাড়া কিছুই ভাবা হত না । কিন্তু সময়ের বির্বতনে আজকে পরিবেশটা অনেক পরির্বতন হয়েছে । আজকে আমরা মাকে মায়ের মত সম্মান দিচ্ছি, বোনকে বোনের মত । আজ শিক্ষা আমাদের চোখ খোলে দিয়েছে । আমাদের শিখিয়েছে নৈতিকতা, ভদ্রতা, শিষ্টাচার ইত্যাদি । এখন মেয়েরা ছেলেদের মত চাকরি করছে, ছেলেদের মত সমান সুযোগ পাচ্ছে। এতকিছুর পরও কিছু কিছু মানুষের চিন্তাভাবনা আগের মত রয়ে গেছে । তারা বর্তমান সময়ে এসেও মনে করে মেয়ের চেয়ে ছেলে নেয়া ভাল। তাইতো তারা মায়ের পেটের যদি মেয়ে হয় তাহলে সেই মেয়েটাকে পৃথিবীর আলো না দেখার আগেই মেরে ফেলা হচ্ছে। একথা ভাবতেই লজ্জা লাগে । তারা মনে করে মেয়ের চেয়ে ছেলে নিলে বংশ উজ্জল হবে । আসলেই আদো কি তা সত্য । মেয়ে হলে মাকে দোষ দেয়া হয় কে মেয়ে হল, আমি তো ছেলে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমরা হয়তো ছেলেরা জানি না যে, মায়ের পেটে ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে ছেলের উপর মেয়ের উপর নয়। তাহলে কেন শুধু শুধু একটা মাকে এত কষ্ট সহ্য করতে হয়। গবেষণায় পাওয়া যায় যে, অশিক্ষিতের চেয়ে শিক্ষিত মানুষেরা এ কাজটা বেশি করে। শুধু বেশি বললেও ভুল হবে। অনেক অশিক্ষিত আছে যা এখনও পর্যন্ত ভ্রণ হত্যা সম্পর্কে জানেই না। একটা ছেলের আশায় অনেক মাকে উপর অত্যাচার করা হয় । যেদিন আমরা ছেলে আর মেয়েকে সমান চোখে দেখতে পারবো সেই দিনই আমাদের সুদিনের অপেক্ষার পালা শেষ হবে।

আমরা সবাই যদি সচেতন হই তাহলে সেই দিন আর বেশি দূরে নেই।